কোনটির জন্য নিরাপদ পরিবেশ প্রয়োজন?
কোনটির জন্য নিরাপদ পরিবেশ প্রয়োজন?
-
ক
বিলাসবহুল জীবনযাপনের
-
খ
সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার
-
গ
বিশ্রামের
-
ঘ
চিত্ত বিনোদনের
সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য দরকার নিরাপদ পরিবেশ। এর অভাবে ছেলে-মেয়েদের প্রায়ই বিপদের সম্মুখীন হতে হয়। একটু সতর্ক থাকলেই আমরা এসব বিপদ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারি।
আমরা অনেক সময় খবরের কাগজে ছেলেমেয়েদের হারানো খবর, বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন ও বিপদে পড়ার খবর জানতে পারি। এর মধ্যে বিভিন্ন বয়সের শিশু-কিশোরদের দেশের বাইরে পাচার হয়ে যাওয়ার খবর অন্যতম। সেখানে তাদেরকে দিয়ে গৃহের কাজ থেকে শুরু করে উটের জকি, মেষ চরানো, নানা ধরনের অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করানো হয়। একটি অপরাধী চক্র ছোট ছেলে-মেয়েদের বিদেশে বিক্রি করে দিয়ে অর্থ উপার্জন করে। এদের থেকে আমাদের প্রত্যেককেই সতর্ক থাকতে হবে।
অনেক সময় অপরিচিত ব্যক্তি তোমার আত্মীয় সেজে এমনভাবে কথা বলতে পারে যে, তাদের প্রলোভনে তোমাদেরও ভুল হয়ে যায়। এজন্য স্কুলে যাতায়াত, অন্যান্য চলাফেরায় খুব সতর্ক থাকা দরকার। তোমার নিজের নিরাপত্তার জন্য নিচের বিষয়গুলো মনে রাখা জরুরি-
- বাবা-মার অনুমতি ছাড়া দূরে কোথাও একা একা না যাওয়া।
- অপরিচিত কারও সাথে কোথাও না যাওয়া।
- অপরিচিতদের কাছ থেকে খাবার না খাওয়া।
- অপরিচিতদের কাছ থেকে কোনো জিনিস না নেওয়া।
- কোনো রকম প্রলোভনে আকৃষ্ট না হওয়া।
অনেক সময় বাবা-মাকে বিদেশে ভালো চাকরির বা অর্থের লোভ দেখিয়ে কিশোর-কিশোরীকে নিয়ে যাওয়া হয়। এভাবে কিশোর-কিশোরীকে তারা পাচার করে ফেলে। পরিবার থেকে তারা হয় চির বিচ্ছিন্ন। এটা অত্যন্ত বিপজ্জনক। তোমাদের মা-বাবা, প্রতিবেশী, ছোট ভাইবোন এবং বন্ধুরা যেন এসব বিষয়ে সজাগ থাকে সে জন্য তোমরা তাদেরকে সতর্ক করবে।
আমরা অনেক সময় বাজারে কেনাকাটার জন্য যাই। ঈদ, পূজা বা বিভিন্ন উৎসবের আগে বাজারে প্রচুর ভিড় থাকে। এই ভিড়ের মধ্যে আমাদের বিভিন্ন প্রকার অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মেয়েদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে খারাপ স্পর্শ বা হাত দেওয়া। বাড়িতে কোনো পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তি কোনো মেয়েকে একা পেলে কিংবা খেলার মাঠে পাড়ার কোনো বড় ছেলে এরকম খারাপ স্পর্শ করতে পারে। বাবা-মায়ের অজান্তে ঘরে এবং বাইরে এ ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়। এ সকল সমস্যার কথা মেয়েরা অনেক সময় প্রকাশ করতে পারে না। চুপচাপ হয়ে যায়, ভয় ও লজ্জায় নিজেরাই কষ্ট পেতে থাকে। এ ধরনের ঘটনায় কখনই চুপ করে থাকা বা একা কষ্ট পাওয়া উচিত নয়। কারণ এখানে মেয়েটির কোনো দোষ থাকে না। যে এ কাজটি করেছে, সে-ই অন্যায় করেছে।

- ভিড়ের মধ্যে গেলে সচেতন থাকা ও সাবধানতা অবলম্বন করা।
- পরিচিত ও অপরিচিত পরিবেশে একা না যাওয়া।
- বাড়িতে একা থাকলে সাবধানে থাকা।
- কেউ কাছে ডাকলে নিরাপদ দূরত্বে থেকে কথা বলা।
- কেউ শরীর নেতিবাচক ভঙ্গিতে স্পর্শ করে, এরকম সুযোগ না দেওয়া।
- খারাপ, অশ্লীল আলোচনা করে, এমন বন্ধু-বান্ধব ও ব্যক্তিকে এড়িয়ে চলা বা বর্জন করা।
- যে কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে মাকে, পরিবারের বিশ্বস্ত কাউকে অথবা শিক্ষককে জানানো।
সকল বিষয়ে এদেরকে সবচেয়ে কাছের বন্ধু ভাববে। তবেই তুমি তোমার মনের অস্থিরতা, কষ্ট সহজেই দূর করতে পারবে।
| কাজ-২ প্রচার মাধ্যম থেকে জানা এমন কোনো অপহরণের ঘটনা লেখো। শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে তা ক্লাসে উপস্থাপন করো। |
Related Question
View Allসিথির এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী
i. সিথি নিজে
ii. যে অন্যায় করেছে সে
iii. অপরিচিত ছেলে
নিচের কোনটি সঠিক?
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
-
ক
স্কুলে যাওয়া বন্ধ করবে
-
খ
বাবা-মায়ের সহযোগিতা নেবে
-
গ
প্রতিবেশীর সহযোগিতা নেরে
-
ঘ
বন্ধুদের সহযোগিতা নেবে
-
ক
খাদ্যে বিষক্রিয়ার জন্য
-
খ
নিজের নিরাপত্তার জন্যে
-
গ
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য
-
ঘ
অপছন্দের জন্যে
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
-
ক
অস্থিরতা
-
খ
বিপদ
-
গ
আবেগ
-
ঘ
অসুস্থতা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন