কোনটি কংক্রিটের বদলে ব্যবহার করা যায়?

Updated: 1 month ago
  • পারদ
  • গ্রাভেল
  • সীসা
  • আর্সেনিক
38
ব্যাখ্যাঃ

কংক্রিট হলো একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং মজবুত নির্মাণ সামগ্রী যা সিমেন্ট, পানি, বালি এবং নুড়ি (গ্রাভেল) মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এটি সাধারণত দালানকোঠা, সেতু, রাস্তা, বাঁধ ইত্যাদি নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। কংক্রিটের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর উচ্চ ঘনত্ব এবং তেজস্ক্রিয় বিকিরণ (radiation) প্রতিরোধের ক্ষমতা, যা এটিকে পারমাণবিক স্থাপনা বা এক্স-রে রুমের মতো জায়গায় সুরক্ষা ঢাল (shielding) হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলে।

প্রদত্ত অপশনগুলো বিবেচনা করলে:

        
  • পারদ (Mercury): পারদ একটি তরল ধাতু এবং অত্যন্ত বিষাক্ত। এটি নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে কংক্রিটের বিকল্প হতে পারে না।
  •     
  • গ্রাভেল (Gravel): গ্রাভেল বা নুড়ি কংক্রিটের একটি অপরিহার্য উপাদান। এটি কংক্রিটের শক্তি ও আয়তন বাড়াতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি কংক্রিটের 'বদলে' ব্যবহৃত হয় না, বরং কংক্রিটের 'সাথে' ব্যবহৃত হয়।
  •     
  • সীসা (Lead): সীসা একটি অত্যন্ত ঘন ও ভারী ধাতু। এর উচ্চ ঘনত্ব এবং পারমাণবিক সংখ্যা এটিকে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ শোষণে অত্যন্ত কার্যকর করে তোলে। নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট, এক্স-রে রুম বা CT স্ক্যান রুমের মতো জায়গায় যেখানে তেজস্ক্রিয়তা থেকে সুরক্ষা প্রয়োজন, সেখানে সীসা কংক্রিটের মতো সুরক্ষা ঢাল (radiation shielding) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এমনকি, কিছু ক্ষেত্রে যেখানে কম জায়গায় বেশি সুরক্ষা প্রয়োজন, সেখানে সীসা কংক্রিটের চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে। তাই, বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সীসা কংক্রিটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
  •     
  • আর্সেনিক (Arsenic): আর্সেনিক একটি বিষাক্ত মৌলিক পদার্থ এবং এটি কোনো নির্মাণ কাজে কংক্রিটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।

উপরিউক্ত বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিশেষ করে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে, সীসা কংক্রিটের বদলে একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago

আমরা যে নানারকম খনিজ লবণ, পেন্সিলের সিস, ট্যালকম পাউডার, চীনা মাটির থালা-বাসন এরকম হাজারো জিনিস ব্যবহার করি, তার অধিকাংশই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ। বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। এদের নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংযুক্তি থাকে। এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। ধাতব খনিজ পদার্থের মাঝে অন্যতম হলো লোহা (Fe), তামা (Cu), সোনা (Au) কিংবা রুপা (Ag)। অধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে রয়েছে কোয়ার্টজ (Quartz), মাইকা (Mica) কিংবা খনিজ লবণ।কয়লা, , গ্যাস, পেট্রোল এসব কী খনিজ পদার্থ? হ্যাঁ, অবশ্যই এগুলোও খনিজ পদার্থ। তবে এদেরকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে। এদের সম্পর্কে তোমরা পরবর্তী পাঠে বিস্তারিত জানতে পারবে।
টেবিল ৮.১: কয়েকটি সাধারণ খনিজ পদার্থের ব্যবহার

খনিজ পদার্থের ভৌত ধর্ম
খনিজ পদার্থগুলো সাধারণত দানাদার বা কেলাসাকার হয়। অনেক খনিজ পদার্থ আছে, যাদের রাসায়নিক সংযুক্তি একই কিন্তু তাদের কেলাস গঠন ভিন্ন যে কারণে তাদের ভৌত ধর্মও ভিন্ন। যেমন- গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড। যদিও দুটি পদার্থই কার্বন দিয়ে গঠিত, কিন্তু গঠনের ভিন্নতার কারণে গ্রাফাইট (যা আমরা পেন্সিলে ব্যবহার করি) নরম হয় কিন্তু ডায়মন্ড বা হীরা এখন পর্যন্ত জানা খনিজের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন খনিজ পদার্থ । খনিজ পদার্থগুলো সাধারণত কঠিন হয় এবং একেকটি খনিজের কাঠিন্য একেক রকম। বেশি কঠিন খনিজ খুব সহজেই কম কঠিন খনিজে দাগ কাটতে পারে; কিন্তু কম কঠিন খনিজ বেশি কঠিন খনিজে দাগ কাটতে পারে না। কাঠিন্য অনুযায়ী সবচেয়ে নরম খনিজ হলো ট্যালক (Talc), যা দিয়ে ট্যালকাম পাউডার তৈরি হয় এবং আগেই বলা হয়েছে, সবচেয়ে কঠিন খনিজ হলো হীরা বা ডায়মন্ড। খনিজ পদার্থের নির্দিষ্ট দ্যুতি থাকে। ধাতব খনিজ যেমন: পাইরাইটস ধাতুর মতোই দ্যুতি প্রদর্শন করে অর্থাৎ অনেকটা ধাতুর মতোই চকচক করে। খনিজ হীরা অধাতু এবং এটিকে দেখে সাধারণ কাচের মতো মনে হতে পারে কিন্তু এটি কাটার পর এর দ্যুতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।কিছু কিছু খনিজ পদার্থ আছে, যেগুলো খুব স্বচ্ছ এবং এর মধ্যে আলো প্রবেশ করতে পারে। যেমন: কোয়ার্টজ বা সিলিকা, আবার কিছু কিছু খনিজ পদার্থ আছে, যার মধ্য দিয়ে আলো প্রবেশ করলেও এর মধ্য দিয়ে কোনো বস্তু দেখা যায় না, যেমন: অ্যারাগনাইট। অন্যদিকে এমন খনিজও আছে, যার মধ্য দিয়ে মোটেই আলো প্রবেশ করতে পারে না, যেমন: ক্যালসাইট (Calcite) বা চুনাপাথর। সাধারণত প্রতিটি খনিজ পদার্থেরই একটা নির্দিষ্ট বর্ণ আছে, যা দিয়ে একটি থেকে আরেকটিকে আলাদা করা যায় ।
বেশির ভাগ খনিজ পদার্থে ফাটল থাকে, যা দেখে অনুমান করা যায় এটি ভাঙলে কী ধরনের আকার- আকৃতিবিশিষ্ট ছোট ছোট টুকরা পাওয়া যাবে। বেশির ভাগ খনিজ পদার্থের আপেক্ষিক গুরুত্ব ২.৫-৩.৫- এর মধ্যে হয়, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম হতে পারে।
 

রাসায়নিক ধর্ম: খনিজ পদার্থের রাসায়নিক ধর্ম নির্ভর করে এতে বিদ্যমান উপাদানের উপর।

 

Related Question

View All
  • ম্যাগনেসিয়াম
  • ক্যালসিয়াম
  • লৌহ
  • ফসফরাস
463
  • দুধ, ডিম
  • গাজর, ডুমুর
  • শুঁটকি মাছ, কলিজা
  • লাল শাক, শিম
162
  • মাইকা
  • জিপসাম
  • ম্যাগনেটাইট
  • কোয়ার্টজ
267
Updated: 1 year ago
  • হীরা
  • মাইকা
  • ট্যালক
  • কোয়ার্টজ
618
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই