কোনটি সত্য নয়?
-
ক
মূলের কর্টেক্স কাণ্ডের কার্টেক্স এর চেয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট হয়ে থাকে
-
খ
অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার একটি শর্তাবলী দ্রবণ দুটিকে পৃথককারী একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লি থাকবে, অর্থাৎ যে ঝিল্লির মধ্যে দিয়ে শুধু দ্রাবক পদার্থ আসা-যাওয়া করতে পারে, দ্রব্য নয়
-
গ
কোষ বিভাজনের সংশ্লেষ উপ-পর্যায়ে প্রতিটি DNA সূত্র থেকে নতুন দ্বিসূত্রী শৃঙ্খল গঠিত হওয়ার ফলে দ্বিগুণ পরিমাণ DNA সৃষ্টি হয়
-
ঘ
সেকেন্ডারি টিস্যুর মাধ্যমে উদ্ভিদ দেহের পরিধি যে বৃদ্ধি পায় তাকে সেকেন্ডারি বৃদ্ধি বলে
মূলের কর্টেক্স কাণ্ডের কার্টেক্স এর চেয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট হয়ে থাকে।
মূলের কর্টেক্স কাণ্ডের কার্টেক্স এর চেয়ে অপেক্ষাকৃত বড় হয়ে থাকে। মূলের কর্টেক্স হল মূলের বাইরেরতম স্তর যা কোষ দিয়ে তৈরি। কাণ্ডের কর্টেক্স হল কাণ্ডের বাইরেরতম স্তর যা কোষ দিয়ে তৈরি। মূলের কর্টেক্স কাণ্ডের কর্টেক্স এর চেয়ে অপেক্ষাকৃত বড় কারণ মূলের কর্টেক্সে মূলের বৃদ্ধি কলা এবং মূলের আচ্ছাদন কলা থাকে। কাণ্ডের কর্টেক্সে শুধুমাত্র মূলের বৃদ্ধি কলা থাকে।
অন্য তিনটি বিবৃতি সত্য।
অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার একটি শর্তাবলী দ্রবণ দুটিকে পৃথককারী একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লি থাকবে, অর্থাৎ যে ঝিল্লির মধ্যে দিয়ে শুধু দ্রাবক পদার্থ আসা-যাওয়া করতে পারে, দ্রব্য নয়। অভিস্রবণ হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে দ্রাবক পদার্থ একটি অম্লবায়ু দ্রবণ থেকে একটি ক্ষারধর্মী দ্রবণে প্রবাহিত হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে চালিত করতে একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লি প্রয়োজন। বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লি শুধুমাত্র দ্রাবক পদার্থকে অতিক্রম করতে দেয়, দ্রব্যকে নয়।
কোষ বিভাজনের সংশ্লেষ উপ-পর্যায়ে প্রতিটি DNA সূত্র থেকে নতুন দ্বিসূত্রী শৃঙ্খল গঠিত হওয়ার ফলে দ্বিগুণ পরিমাণ DNA সৃষ্টি হয়। কোষ বিভাজনের সংশ্লেষ উপ-পর্যায়ে প্রতিটি DNA সূত্রের প্রতিলিপি তৈরি হয়। প্রতিলিপি তৈরির ফলে প্রতিটি DNA সূত্র থেকে দুটি DNA সূত্র তৈরি হয়। এইভাবে, কোষ বিভাজনের সংশ্লেষ উপ-পর্যায়ে দ্বিগুণ পরিমাণ DNA সৃষ্টি হয়।
সেকেন্ডারি টিস্যুর মাধ্যমে উদ্ভিদ দেহের পরিধি যে বৃদ্ধি পায় তাকে সেকেন্ডারি বৃদ্ধি বলে। সেকেন্ডারি বৃদ্ধি হল উদ্ভিদ দেহের পরিধির বৃদ্ধি। এই বৃদ্ধি সেকেন্ডারি টিস্যুর মাধ্যমে ঘটে। সেকেন্ডারি টিস্যু হল উদ্ভিদ দেহের অভ্যন্তরীণ স্তর যা কাঠ এবং ফাইবার দিয়ে তৈরি। কাঠ এবং ফাইবার উদ্ভিদ দেহের কাঠামো এবং শক্তি প্রদান করে।
টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্রঃ একই উৎস থেকে সৃষ্ট, একই ধরনের কাজ সম্পন্নকারী সমধর্মী একটি অবিচ্ছিন্ন কোষগুচ্ছকে বলা হয় টিস্যু বা কোষকলা বলা হয়। আবার কতকগুলো টিস্যু যখন উদ্ভিদের এক একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে অবস্থান করে নানা ধরনের কাজ সম্পন্ন করে তখন তাদের সমষ্টিকে টিস্যুতন্ত্র বলা হয়। সাধারণত একটি উদ্ভিদে বিভিন্ন ধরনের টিস্যু থাকে। তবে সব রকমের টিস্যুকে, টিস্যু গঠনকারী কোষের বিভাজন অনুযায়ী দুটি ভাগে ভাগ করা যায়; যথা-
ভাজক টিস্যু ও স্থায়ী টিস্যু।
Related Question
View All-
ক
প্যারেনকাইমা
-
খ
সীভ টিউব
-
গ
ক্যামবিয়াম
-
ঘ
ফ্লোয়েম
-
ক
ট্রাকিড
-
খ
সঙ্গী কোষ
-
গ
ট্রাকিয়া
-
ঘ
উড ফাইবার
-
ক
জাইলেম প্যারেনকাইমা
-
খ
জাইলেম স্ক্লেরেনকাইমা
-
গ
ফ্লোয়েম স্কেরেনকাইমা
-
ঘ
ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা
-
ক
রোগ দমন করা
-
খ
রোগ প্রতিরোধ করা
-
গ
রোগ মুক্ত থাকা
-
ঘ
কোনোটিই নয়
-
ক
জাইগোটিক ভ্রূণ
-
খ
সোমাটিক ভ্রূণ
-
গ
মাইক্রোস্পোর
-
ঘ
ক্যালাস
-
ক
ক্লোরেনকাইমা
-
খ
কোলেনকাইমা
-
গ
অ্যারেনকাইমা
-
ঘ
মেসোফিল
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন