গঙ্গা নদীর পানি বন্টন চুক্তির মেয়াদ--
-
ক
২০ বছর
-
খ
২৫ বছর
-
গ
৩০ বছর
-
ঘ
৩৫ বছর
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গঙ্গার পানি বন্টন সম্পর্কে নতুন করে আলোচনা শুরু হয় এবং ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে নির্ধারিত হয় যে, উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে গৃহীত ফর্মুলা মোতাবেক ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সময়ে দু’দেশের মধ্যে গঙ্গার পানি ভাগাভাগি হবে, এবং ভারত নদীটির জলপ্রবাহের মাত্রা গত ৪০ বছরের গড় মাত্রায় বজায় রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। যেকোন সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানির নিশ্চয়তা পাবে। দীর্ঘ মেয়াদে গঙ্গার পানি প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে উভয় দেশ পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনে এবং দুদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত অন্যান্য নদীর পানি বণ্টনের ক্ষেত্রেও অনুরূপ চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে একমত হয়।
১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন গঠন করা হয়, যা নদীর সুষম ব্যবহার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে। ১৯৭৭ সালে পাঁচ বছরের প্রথম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, পরবর্তীতে ১৯৮২ ও ১৯৮৫ সালে আরও সমঝোতা চুক্তি হয়েছে। কিন্তু কার্যকর নিয়মিত পানি বণ্টন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
সর্বশেষ ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ৩০ বছরের গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে নির্ধারিত হয়েছে:
প্রতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত উভয় দেশের মধ্যে পানি ভাগ হবে।
ভারত নদীটির গত ৪০ বছরের গড় জলপ্রবাহ বজায় রাখবে।
সংকটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে ৩৫,০০০ কিউসেক পানি নিশ্চিত করা হবে।
এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের পানির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দুই দেশের মধ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার পথ খোলা হয়।
Related Question
View All-
ক
১০ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
-
খ
১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
-
গ
১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
-
ঘ
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
-
ক
১০ ডিসেম্বর ১৯৯৬
-
খ
১২ ডিসেম্বর ১৯৯৬
-
গ
১০ ডিসেম্বর ১৯৯৬
-
ঘ
১২ নভেম্বর ১৯৯৬
-
ক
২০ বছর
-
খ
২৫ বছর
-
গ
৩০ বছর
-
ঘ
৩৫ বছর
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন