গিনিচ মান মন্দির অবস্থিত-
গিনিচ মান মন্দির অবস্থিত-
-
ক
যুক্তরাজ্যে
-
খ
যুক্তরাষ্ট্রে
-
গ
ফ্রান্সে
-
ঘ
ইটালিতে
গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন শহরের উপকন্ঠে অবস্থিত। এই মান মন্দিরের উপর দিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে তাকে মূল মধ্যে রেখা বলে।
দ্রাঘিমারেখা (Lines of longitude) বা মধ্যরেখা (Meridian):
নিরক্ষরেখাকে ডিগ্রি, মিনিট ও সেকেন্ডে ভাগ করে প্রত্যেক ভাগবিন্দুর ওপর দিয়ে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে রেখাগুলো কল্পনা করা হয়েছে তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।
মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian):
যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত গ্রিনিচ মান মন্দিরের ওপর দিয়ে উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত যে মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল মধ্যরেখা বলে। মূল মধ্যরেখার দ্রাঘিমা ০° ।
দ্রাঘিমা (Longitude):
গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে বা পশ্চিমে যে কোন স্থানের কৌণিক দূরত্বকে সেই স্থানের দ্রাঘিমা বলা হয়।
দ্রাঘিমা নির্ণয়ের পদ্ধতি: ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থানের দ্রাঘিমা দুই ভাবে নির্ণয় করা যায়:
১) স্থানীয় সময়ের পার্থক্য
২) গ্রিনিচের সময়ের মাধ্যমে।
যে স্থানটির অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা উভয়ই ০°:
যেখানে নিরক্ষরেখা ও মূল মধ্যরেখা পরস্পরকে লম্বভাবে ছেদ করে সেখানে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা উভয়ই ০°। এ স্থানটি গিনি উপসাগরে অবস্থিত।
সমাক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার পার্থক্য
সমাক্ষরেখা (Parallels) | দ্রাঘিমারেখা (Meridians) |
| ১. রেখাগুলো পরস্পর সমান্তরাল | ১. রেখাগুলো সমান্তরাল নয় |
| ২. রেখাগুলো পূর্ণবৃত্ত | ২. রেখাগুলো অর্ধবৃত্ত |
| ৩. রেখাগুলোর দৈর্ঘ্য সমান নয়; অক্ষাংশ বাড়লে সমাক্ষরেখার পরিধি কমে | ৩. প্রত্যেক দ্রাঘিমা রেখার দৈর্ঘ্য সমান |
| ৪. রেখাগুলো পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত | ৪. রেখাগুলো উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত |
| ৫. সর্বোমোট সমাক্ষরেখা ১৮১ টি | ৫. সর্বমোট দ্রাঘিমারেখা ৩৫৯টি |
| ৬. সর্বোচ্চ অক্ষাংশ ৯০° | ৬. সর্বোচ্চ দ্রাঘিমা ১৮০° |
স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময়
স্থানীয় সময়: কোনো স্থানের সূর্য যখন মাথার উপর থাকে, তখন ঐ স্থানে মধ্যাহ্ন এবং সময় দুপুর ১২টা ধরা হয়। এ মধ্যাহ্ন সময় থেকে দিনের অন্যান্য সময় স্থির করা হয়। একে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় বলা হয়। ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান ৪ মিনিট। কোনো স্থান গ্রিনিচের পূর্বে হলে তার স্থানীয় সময় গ্রিনিচের সময় অপেক্ষা বেশি হবে এবং পশ্চিমে হলে স্থানীয় সময় গ্রিনিচের সময় থেকে কম হবে।
প্রমাণ সময়: প্রত্যেক দেশেই সেই দেশের মধ্যভাগের কোনো স্থানের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ণয় করা হয়, সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলে। অনেক বড় দেশ হলে সে দেশে কয়েকটি প্রমাণ সময় থাকে। বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রিনিচের সময় অপেক্ষা ৬ ঘণ্টা অগ্রবর্তী। ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগে অবস্থিত।
Related Question
View All-
ক
১০°
-
খ
১৫°
-
গ
২০°
-
ঘ
২৫°
-
ক
অক্ষাংশ
-
খ
সুমেরু
-
গ
কুমেরু
-
ঘ
দ্রাঘিমাংশ
-
ক
৪ মিনিট
-
খ
৫ মিনিট
-
গ
২০ মিনিট
-
ঘ
১ মিনিট
-
ক
১ মিনিট
-
খ
১ সেকেন্ড
-
গ
৪ মিনিট
-
ঘ
৪ সেকেন্ড
-
ক
১ মিনিট
-
খ
১ মিনিট
-
গ
৩ মিনিট
-
ঘ
৪ মিনিট
-
ক
মূল মধ্যরেখা
-
খ
কর্কটক্রান্তি রেখা
-
গ
মকরক্রান্তি রেখা
-
ঘ
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন