ট্রানজিস্টরের ক্ষেত্রে αβ এর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপ-

Updated: 1 month ago
  • β =α1 + α
  • α= β1 + β
  • β= αa- 1
  • α= β1 - β
42
ব্যাখ্যাঃ

ট্রানজিস্টরের ক্ষেত্রে \(\alpha\) (আলফা) এবং \(\beta\) (বিটা) হলো এর কারেন্ট গেইন (Current Gain)।

\(\alpha\) হলো কমন-বেস (Common-Base) কনফিগারেশনে কারেন্ট গেইন। এটি কালেক্টর কারেন্ট (\(I_C\)) এবং এমিটার কারেন্ট (\(I_E\)) এর অনুপাত।

সুতরাং, \( \alpha = \frac{I_C}{I_E} \) (1)

\(\beta\) হলো কমন-এমিটার (Common-Emitter) কনফিগারেশনে কারেন্ট গেইন। এটি কালেক্টর কারেন্ট (\(I_C\)) এবং বেস কারেন্ট (\(I_B\)) এর অনুপাত।

সুতরাং, \( \beta = \frac{I_C}{I_B} \) (2)

আমরা জানি, ট্রানজিস্টরে এমিটার কারেন্ট (\(I_E\)) হলো বেস কারেন্ট (\(I_B\)) এবং কালেক্টর কারেন্ট (\(I_C\)) এর সমষ্টি।

অর্থাৎ, \( I_E = I_B + I_C \) (3)

এখন, সমীকরণ (1) থেকে আমরা পাই, \( I_C = \alpha I_E \)

এবং সমীকরণ (2) থেকে আমরা পাই, \( I_B = \frac{I_C}{\beta} \)

এই মানগুলো সমীকরণ (3) এ প্রতিস্থাপন করে পাই:

\( I_E = \frac{I_C}{\beta} + I_C \)

\( I_E = I_C \left( \frac{1}{\beta} + 1 \right) \)

\( I_E = I_C \left( \frac{1 + \beta}{\beta} \right) \)

এখন \( I_C = \alpha I_E \) থেকে \( I_E = \frac{I_C}{\alpha} \) লেখা যায়। এই মানটি উপরের সমীকরণে বসাই:

\( \frac{I_C}{\alpha} = I_C \left( \frac{1 + \beta}{\beta} \right) \)

উভয় পক্ষ থেকে \( I_C \) বাদ দিলে পাই:

\( \frac{1}{\alpha} = \frac{1 + \beta}{\beta} \)

এখন পক্ষান্তর করে পাই:

\( \alpha = \frac{\beta}{1 + \beta} \)

এটিই ট্রানজিস্টরের কারেন্ট গেইন \(\alpha\) ও \(\beta\) এর মধ্যে সম্পর্ক।

ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিক্সের জগতে বিপ্লব এনেছে। ১৯৪৮ সালে জে. বার্ডিন ও ডব্লিউ. এইচ. ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। এই ক্ষুদ্র সেমিকন্ডাক্টরটি তড়িত সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতি সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। ট্রানজিস্টর তাই ইলেকট্রনিক সার্কিট বা বর্তনীতে বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যত্নে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।

চিত্র :১০.১৯

চিত্র ১০.১৯ : n-pn এবং p-n-p ট্রানজিস্টরের সাধারণ চিত্র ও বর্তনী প্রতীক।

দুই শ্রেণির সেমিকন্ডাক্টরের (n-টাইপ ও p-টাইপ) তিনটি দিয়ে ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। এতে একটি p-টাইপের কেলাসের উভয় পার্শ্বে একটি করে n-টাইপ কেলাস বা -টাইপের কেলাসের উভয় দিকে একটি করে p-টাইপ কেলাস স্যান্ডউইচ করে যথাক্রমে n-p-n বা p-n-p জংশন তৈরি করা হয়। এদেরকে যথাক্রমে n-p-n ট্রানজিস্টর ও p-n-p ট্রানজিস্টর বলা হয়।

এরকমভাবে সজ্জিত কেলাসের প্রথমটিকে নিঃসারক (emitter), মাঝেরটিকে পীঠ বা ভূমি (base) এবং অন্য পাশেরটিকে সংগ্রাহক (collector) বলা হয় (চিত্র : ১০.১৯)।

ট্রানজিস্টরের ঝোঁক ব্যবস্থা

নিঃসারক :

  ট্রানজিস্টরের এক পাশের অংশ যা আধান সরবরাহ করে তাকে নিঃসারক বলে। নিঃসারককে পীঠের সাপেক্ষে সর্বদা সম্মুখী বায়াসে সংযোগ দেওয়া হয় (চিত্র : ১০.20 ) ।

চিত্র :১০.২০

সংগ্রাহক : 

 ট্রানজিস্টরের অন্যপাশের অংশ যা আধান সংগ্রহ করে তাকে সংগ্রাহক বলে। সংগ্রাহককে সর্বদা বিমুখী বায়াসে সংযোগ দেওয়া হয় (চিত্র : ১০. ২০ ) ।

পীঠ বা ভূমি :

  নিঃসারক ও সংগ্রাহকের মাঝের অংশকে পীঠ বা ভূমি বলা হয়। ট্রানজিস্টরের পীঠ-নিঃসারক জংশন সম্মুখী বায়াস প্রদান করা হয় যাতে করে নিঃসারক বর্তনীর রোধ কম হয়। সংগ্রাহক বর্তনীর রোধ বৃদ্ধিকল্পে পীঠ-সংগ্রাহক জংশনে বিমুখী বায়াস প্রদান করা হয়।

 চিত্র :১০.২১

ট্রানজিস্টরের পীঠ নিঃসারকের তুলনায় খুবই পাতলা হয়। পক্ষান্তরে, সংগ্রাহক নিঃসারকের তুলনায় প্রশস্ত হয় চিত্র (১০:২১)। তবে আঁকার সুবিধার্থে নিঃসারক ও সংগ্রাহককে সমান আকৃতির দেখানো হয়ে থাকে (চিত্র ১০-১৯)। (১০-১৯) চিত্রে বর্তনীতে ব্যবহৃত ট্রানজিস্টরের প্রতীক দেখানো হয়েছে।

Related Question

View All
  • এটি যান্ত্রিক কম্পন সহ্য করতে পারে
  • এটি খুব কম উৎপাদন শক্তি দেয়
  • এটি আকারে খুব বড়
  • এটি উষ্ণতায় খুব সুবেদী
32
  • নিঃসারক-সংগ্রাহক (Emitter-Collector)
  • পীঠ- নিঃসারক (Base-Emitter)
  • পীঠ-সংগ্রাহক (Base-Collector)
  • সবগুলো (All of them)
83
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই