পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে কী হয়?

Updated: 4 months ago
  • সূর্য পৃথিবীর নিকটতম হয়
  • দিন ও রাত হয়
  • চাঁদের তাপ বৃদ্ধি পায়
  • রাত্রি দীর্ঘ হয়
12k
উত্তরঃ পৃথিবীর পর্যায়ক্রমিক আবর্তনের ফলে আলোকিত দিকটা অন্ধকারে ও অন্ধকারের দিকটা সূর্যের দিকে চলে আসে। এর ফলে দিনরাত্রি পাল্টে যায় । অন্ধকার স্থানগুলো আলোকিত হওয়ার ফলে এসব স্থানে দিন হয় ও আলোকিত স্থান অন্ধকার হয়ে যায় বলে ঐসব স্থানে রাত হয় । এভাবে পর্যায়ক্রমে দিনরাত্রি সংঘটিত হচ্ছে পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে ।
পৃথিবীর আহ্নিক গতি (Diurnal Motion)

সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষ বা মেরুরেখার ওপর পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে। পৃথিবীর এ গতিকে আবর্তন গতি বা আহ্নিক গতি বলে। নিজ মেরুরেখার চারদিকে এক বার সম্পূর্ণ ঘুরে আসতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড অর্থাৎ প্রায় ২৪ ঘণ্টা। এ ২৪ ঘণ্টাকে 'একদিন' হিসেবে গণনা করা হয়। পৃথিবীর একটি পূর্ণ আবর্তনের সময়কে সৌরদিন (Solar day) বলে।

আহ্নিক গতির বেগ (The speed of Earth's Rotation)

নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ সবচেয়ে বেশি- ঘন্টায় ১,৬১০ কিলোমিটারের বেশি। নিরক্ষরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে এই গতিবেগ ক্রমশ কমতে থাকে। পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুতে এ গতিবেগ শূন্যের কাছাকাছি।

আহ্নিক গতির ফল (Effect of Diurnal Motion)

১) দিবারাত্রি সংঘঠন (Occurrence of day and night)

পর্যায়ক্রমে দিবারাত্রি সংঘঠিত হওয়া আহ্নিক গতির একটি ফল। আহ্নিক গতি না থাকলে পৃথিবীর অর্ধাংশে চিরকাল দিন ও বিপরীত অর্ধাংশে চিরকাল রাত থাকত। কোন একটি নির্দিষ্ট সময়ে পৃথিবীর একদিকে রাত, অপরদিকে দিন হয়। অর্থাৎ পৃথিবীর একদিকে আলোকিত থাকে অপরদিকে অন্ধকার থাকে। পৃথিবীর এই আলোকিত অংশ ও অন্ধকার অংশের সীমারেখাকে ছায়াবৃত্ত (The Shadow circle) বলে। আহ্নিক গতি বা আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশে পৌঁছায় সে অংশে হয় প্রভাত (Morning)। আর যে অংশ আলোকিত অংশ থেকে ছায়াবৃত্ত অতিক্রম করে সবেমাত্র অন্ধকারে পৌঁছায় সে অংশে হয় সন্ধ্যা (Evening)। প্রভাতের কিছুক্ষণ পূর্বে যে ক্ষীর্ণ আলো দেখতে পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ঊষা (Dawn)। আর সন্ধ্যার কিছুক্ষণ পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে বলা হয় গোধূলি (Twilight)।

২) তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি (Temperature differences)

৩) সমুদ্রস্রোত, জোয়ার-ভাঁটা ও বায়ুপ্রবাহ (Ocean currents, Tide & ebb and wind circulation

জোয়ার-ভাঁটার সৃষ্টি হয় পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে। আহ্নিক গতির সমুদ্রস্রোত ও বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।

৪) সময় নির্ধারণ (Determining the time)

Related Question

View All
Updated: 4 months ago
  • পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে

  • পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে

  • উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে

  • দক্ষিণ হতে উত্তর দিকে

1.3k
  • গোধুলী
  • ছায়াবৃত্ত
  • গুরুবৃত্ত
  • ঊষা
770
Updated: 5 months ago
  • পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে

  • পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে

  • দক্ষিণ হতে উত্তর দিকে

  • উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে

3.5k
  • বার্ষিক গতির জন্য
  • আহ্নিক গতির জন্য
  • অক্সিজেনের প্রাধান্যের জন্য
  • পৃথিবীর কেন্দ্রীয় আকর্ষণে আকৃষ্ট হয়ে
2.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই