প্রফেসর মোঃ ইউনূস কোন বিষয়ে নোবেল পুরষ্কার পান?
-
ক
অর্থনীতি
-
খ
শান্তি
-
গ
সাহিত্য
-
ঘ
পদার্থবিদ্যা
অধ্যাপক ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংকের এই কার্যক্রম বিস্তৃতি লাভ করলে ২০০৬ সালে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক ইউনূস ও তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক।
প্রফেসর মোঃ ইউনূস "মাইক্রোফিনান্স" বা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
ব্যাখ্যা:
- মাইক্রোফিনান্স: প্রফেসর ইউনূস ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা প্রচলন করেন, যা দরিদ্র মানুষদের ছোট ঋণ প্রদান করে তাদের স্বনির্ভরতা এবং আর্থিক স্বাধীনতা অর্জনে সাহায্য করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক: তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক এই ধারণার একটি সফল বাস্তবায়ন, যা দরিদ্র মানুষদের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরিতে সহায়ক হয়েছে।
প্রফেসর ইউনূসের কাজ বিশ্বব্যাপী দরিদ্রতা কমানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং এই কারণে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।
প্রফেসর মোঃ ইউনূস, একজন বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ এবং সমাজকর্মী, ২০০৬ সালে মাইক্রোফিনান্স বা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
প্রফেসর ইউনূসের অবদান:
মাইক্রোফিনান্সের ধারণা:
- ক্ষুদ্রঋণ: প্রফেসর ইউনূস “মাইক্রোফিনান্স” বা ক্ষুদ্রঋণের ধারণা প্রবর্তন করেন, যা অর্থনৈতিক সুবিধা প্রাপ্তি এবং ঋণদানকারী ও ঋণগ্রহীতার মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে। ক্ষুদ্রঋণ এমন ঋণ যা ছোট আকারে প্রদান করা হয় এবং সাধারণত দরিদ্র মানুষের জন্য এই ঋণ ব্যবহৃত হয় যাদের traditional ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়া কঠিন।
গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা:
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৩ সালে প্রফেসর ইউনূস “গ্রামীণ ব্যাংক” প্রতিষ্ঠা করেন, যা মাইক্রোফিনান্সের মডেল হিসেবে কাজ করে।
- কার্যপদ্ধতি: গ্রামীণ ব্যাংক সুবিধাভোগীদের ছোট ঋণ প্রদান করে, যেগুলো সাধারণত সেক্টরভিত্তিক ছোট ব্যবসার জন্য ব্যবহৃত হয়। ঋণের পরিমাণ ছোট হলেও, এই ঋণদের মাধ্যমে ঋণগ্রহীতারা তাদের ব্যবসা শুরু বা সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হন।
বিষয়বস্তু:
- ফোকাস: প্রফেসর ইউনূসের মাইক্রোফিনান্স প্রোগ্রাম মূলত দরিদ্র জনগণের মধ্যে উদ্যোগী মনোভাব জাগিয়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে। এখানে ঋণ প্রদান করা হয় মূলত মহিলাদের, কারণ তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের মাধ্যমে পুরো পরিবারের আর্থসামাজিক উন্নয়ন সম্ভব।
নোবেল পুরস্কার:
- পুরস্কার প্রাপ্তি: ২০০৬ সালে, প্রফেসর ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংককে একযোগে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রদানকারী কমিটি তাদের উক্তি ছিল যে, “ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে মানবতার উন্নয়ন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা”।
- উদ্দেশ্য: পুরস্কারটি মূলত সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং শান্তির প্রচারের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়, যা প্রফেসর ইউনূসের মাইক্রোফিনান্স মডেলের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে।
বিশ্বব্যাপী প্রভাব:
- অন্য দেশে মডেল: গ্রামীণ ব্যাংকের সফলতা অন্যান্য দেশের জন্য মাইক্রোফিনান্স মডেল হিসেবে কাজ করেছে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে মাইক্রোফিনান্স প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা দরিদ্র মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরিতে সাহায্য করছে।
প্রফেসর ইউনূসের কাজ মাইক্রোফিনান্সের ধারণাকে বৈশ্বিকভাবে জনপ্রিয় করেছে এবং দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এক নতুন পথ দেখিয়েছে। তাঁর এই সফলতা প্রমাণ করে যে, সৃজনশীল চিন্তা এবং সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে বৃহত্তর পরিবর্তন আনা সম্ভব।
প্রফেসর মোঃ ইউনূস শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পান।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস (জন্ম: ২৮ জুন, ১৯৪০) বাংলাদেশী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক।
অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন। ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার সহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
Related Question
View All-
ক
লাসলো ক্রাসনাহোরকাই
-
খ
মিশেল এইচ ডেভোরেট
-
গ
মারিয়া কোরেনা মাচাদো
-
ঘ
জেসি বাকাল
-
ক
২জন
-
খ
১ জন
-
গ
৪ জন
-
ঘ
৩ জন
-
ক
৪১ নং অনুচ্ছেদে
-
খ
৪৯ নং অনুচ্ছেদে
-
গ
৫০ নং অনুচ্ছেদে
-
ঘ
৯৩ নং অনুচ্ছেদে
-
ক
২৩ তম
-
খ
২৪ তম
-
গ
২৫ তম
-
ঘ
২২ তম
-
ক
জোয়েল মোকির
-
খ
ফিলিপ অ্যাযিওন
-
গ
পিটার হাউইট
-
ঘ
সবগুলো
-
ক
মারিয়া করিনা মাচাদো
-
খ
নিহন হিডানকিও
-
গ
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী
-
ঘ
সুমুমু কিতাগাওয়া
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন