প্রশান্ত মহাসাগর যুক্তরাষ্ট্রের কোন দিকে অবস্থিত?

Updated: 1 year ago
  • ক
    পূর্ব
  • খ
    পশ্চিম
  • গ
    উত্তর
  • ঘ
    দক্ষিণ
548
Add Explanation

(World Political Regions: UK and USA)

যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যের একসময় অনেক উপনিবেশ ছিল। চ্যানেল দ্বীপপুঞ্জ, ম্যান দ্বীপ, বার্মুডা, উত্তর আটলান্টিক, সেন্ট হেলেনা, দক্ষিণ আটলান্টিক, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, জিব্রাল্টার, দক্ষিণ স্পেন, দিয়াগো গার্সিয়া, ভারত মহাসাগর, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলসমূহে যুক্তরাজ্যের এখনও উপনিবেশ আছে। যুক্তরাজ্যের শাসনব্যবস্থা শাসনতান্ত্রিক রাজতন্ত্র। যুক্তরাজ্যের এক্সক্লুসিভ মৎস্য এলাকা ২০০ নটিক্যাল মাইল ও আঞ্চলিক সমুদ্র সীমা ১২ নটিক্যাল মাইল। যুক্তরাজ্যের সাথে কয়েকটি রাষ্ট্রের সীমানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। যেমন- আয়ারল্যান্ডের সাথে উত্তর আয়ারল্যান্ড, স্পেনের সাথে জিব্রাল্টার, আর্জেন্টিনার সাথে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া ও দক্ষিণ স্যান্ডুইচ দ্বীপপুঞ্জ। এছাড়াও ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের সাথে সীমানা সম্পর্কিত বিরোধ রয়েছে।

অবস্থান ও আয়তন (Location & Area): যুক্তরাজ্য দক্ষিণে ৪৯° উত্তর অক্ষাংশ থেকে উত্তরে ৫৯° উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত এবং ৮° পশ্চিম থেকে ২° পশ্চিম দ্রাঘিমা পর্যন্ত বিস্তৃত। দেশটি ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত, চারদিক সমুদ্র দিয়ে ঘেরা। প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও আয়ারল্যান্ড। যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন। লন্ডন গ্রিনিচ মানমন্দির ও হাসপাতালের জন্য প্রসিদ্ধ। মূল্য মধ্যরেখা এ স্থানের উপর দিয়ে গেছে। যুক্তরাজ্য ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত। (চিত্র-১.৭)। যুক্তরাজ্যের আয়তন প্রায় ২,৪২,৪৯৫ বর্গ কি. মি. (আয়তনে বিশ্বে ৭৮তম)। দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ৬৬,৮০৯,৪১২ জন (সূত্র: worldometer, ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)।

ভূপ্রকৃতি (Physiography): যুক্তরাজ্যের ভূপ্রকৃতিতে ভিন্নতা দেখা যায়। এর উত্তর-পশ্চিমের উঁচুভূমি বাদ দিয়ে অধিকাংশই নিম্নভূমি।
জলবায়ু (Climate): সাধারণত উত্তরের তুলনায় দক্ষিণ অংশ গরম এবং বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ৩০০ সে.মি.। দেশটিতে বছরের প্রায় ১০০ দিন বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়।
কৃষি (Agriculture): যুক্তরাজ্যের কৃষি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর। দেশটির প্রধান শস্য গম ও যব।
খনিজ সম্পদ (Mineral Resources): যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন ধরনের খনিজ সম্পদ পাওয়া যায়। যথা- কয়লা, পেট্রোল, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, জিপসাম, সিলিকা, লোহা, টিন, সিলভার, সোনা প্রভৃতি।

শিল্প (Industries): যুক্তরাজ্য একটি শিল্পোন্নত দেশ। স্টিল ও ধাতুনির্মিত দ্রব্যাদি, গাড়ি, জাহাজ নির্মাণ, ব্যাংকিং, বীমা, যন্ত্রাংশ তৈরি, রাসায়নিক দ্রব্যাদি, ইলেকট্রনিকস প্রভৃতি শিল্পের ওপর দেশের অর্থনীতি নির্ভরশীল।

যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রকে বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করা হয়ে থাকে। নিউ ইংল্যান্ড রাষ্ট্রসমূহ, মধ্য আটলান্টিক, রাষ্ট্রসমূহ, দক্ষিণ পূর্ব রাষ্ট্রসমূহ, মধ্য পশ্চিম রাষ্ট্রসমূহ, সমতল রাষ্ট্রসমূহ, পার্বত্য রাষ্ট্রসমূহ, দক্ষিণ-পশ্চিম রাষ্ট্রসমূহ এবং সর্বদক্ষিণের রাষ্ট্রসমূহ। যুক্তরাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পদ্ধতি এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
যুক্তরাষ্ট্রের উপনিবেশ শাসিত অঞ্চলসমূহ হলো পানামা, ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ, ক্যারিবীয় অঞ্চল, গুয়াম, মার্কিন সামোয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল। ব্রিটেনের বণিক সম্প্রদায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি অঙ্গরাজ্যে উপনিবেশ গড়ে তুলেছিল। ১৭৭৬ সালে ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে। যুক্তরাষ্ট্রের এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চল ২০০ নটিক্যাল মাইল, আঞ্চলিক সমুদ্র সীমা ১২ নটিক্যাল মাইল। সামুদ্রিক সীমানা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বন্দ্ব রয়েছে কানাডা ও হাইতির।

অবস্থান ও আয়তন (Location and Area): দেশটি উত্তরে ৪৯° উত্তর অক্ষাংশ থেকে দক্ষিণে ২৫°৩০′ উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত এবং পূর্বে ৬৬.৫° পশ্চিম দ্রাঘিমা থেকে পশ্চিমে ১২৫° পশ্চিম দ্রাঘিমা পর্যন্ত বিস্তৃত। দেশটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের ঠিকমধ্যভাগে অবস্থিত। এ দেশের উত্তরে কানাডা, দক্ষিণে মেক্সিকো উপসাগর ও মেক্সিকো, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর ও পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর অবস্থিত। দেশটির আয়তন প্রায় ৯,৮৩৪,০০০ বর্গ কি. মি. এবং জনসংখ্যা প্রায় ৩২৮,১৮৯,৩৮৯ জন (সূত্র: worldometer, ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)।

জলবায়ু (Climate): যুক্তরাষ্ট্রের মতো সুবিশাল দেশে জলবায়ু বৈচিত্র্যময় হওয়াই স্বাভাবিক। দেশের অভ্যন্তরের কোনো কোনো স্থান সমুদ্রোপকূল থেকে ১,৫০০ কিলোমিটারেরও অধিক দূরত্বে অবস্থিত। ফলে এসব স্থানের জলবায়ু চরমভাবাপন্ন। আবার মেক্সিকো ও হাডসন উপসাগর, দেশের দক্ষিণ ও উত্তরে কিছুটা ঢুকে আসার ফলে এবং বৃহৎ হ্রদগুলোর অবস্থানের প্রভাবে উপকূলীয় জলবায়ু সমভাবাপন্ন।

ভূপ্রকৃতি (Physiography): ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রকে চারটি প্রধান অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। যথা- (১) পশ্চিমের পার্বত্য অঞ্চল বা পশ্চিম কর্ডিলেরা, (২) পূর্বের উচ্চভূমি বা অ্যাপেলেসিয়ান পাহাড়, (৩) মধ্যভাগের বিশাল সমভূমি ও (৪) উপকূলীয় নিম্নভূমি।

খনিজ সম্পদ (Mineral Resources): পৃথিবীর অন্য দেশগুলোর তুলনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খনিজ সম্পদে অনেক বেশি সমৃদ্ধ। কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, আকরিক লৌহ, তামা, রূপা, সীসা, দস্তা, লবণ, ফসফেট প্রভৃতি এ দেশের উল্লেখযোগ্য খনিজ দ্রব্য।

শিল্প (Industries): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্যের কৃষিযোগ্য ভূমি, অরণ্য, মৎস্যক্ষেত্র ও খনিজদ্রব্য কোনো সম্পদেরই অভাব নেই। শিল্পোৎপাদনের ক্ষেত্রে' এ দেশ পৃথিবীর উপর সর্বাধিক প্রভাব ফেলেছে। শিল্পোন্নত দেশগুলোর শীর্ষে অবস্থান করে এ দেশ। শিল্পোন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের এরূপ উন্নতির মূলে ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণ রয়েছে।

মানব ভূগোল - মোহা: আনিছুর রহমান ও মোঃ আব্দুর রাজ্জাক-স্যারে লেখা বই

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই