ফ্লোরেন্স নাইটএঙ্গেল (Florence Nightingale) এর জন্ম তারিখ-
ফ্লোরেন্স নাইটএঙ্গেল (Florence Nightingale) এর জন্ম তারিখ-
-
ক
মে ১২, ১৮২০
-
খ
মে ১৬, ১৭২০
-
গ
মে ১২, ১৭২০
-
ঘ
মে ১৬, ১৮২০
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল (মে ১২, ১৮২০ – আগস্ট ১৩, ১৯১০) ছিলেন আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত, একজন লেখিকা এবং পরিসংখ্যানবিদ। যিনি দ্যা লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প নামে পরিচিত ছিলেন।
বাবা উইলিয়াম এডওয়ার্ড নাইটিঙ্গেল এবং মা ফ্রান্সিস নাইটিঙ্গেলের অভিজাত পরিবারে ১৮২০ সালের ১২ মে মাসে ইতালির ফ্লোরেন্সে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল (মে ১২, ১৮২০ – আগস্ট ১৩, ১৯১০) ছিলেন আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত, একজন লেখিকা এবং পরিসংখ্যানবিদ। যিনি দ্যা লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প নামে পরিচিত ছিলেন। বাবা উইলিয়াম এডওয়ার্ড নাইটিঙ্গেল এবং মা ফ্রান্সিস নাইটিঙ্গেলের অভিজাত পরিবারে ১৮২০ সালের ১২ মে মাসে ইতালির ফ্লোরেন্সে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
12 May 1820 Florence, Italy
Death-August 13,1910 Mayfair,London
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল (১২ মে, ১৮২০ – ১৩ আগস্ট, ১৯১০) আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত, লেখিকা ও পরিসংখ্যানবিদ ছিলেন। তিনি “দ্যা লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প” নামে খ্যাত। অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণকারী ফ্লোরেন্সের বাবা ছিলেন উইলিয়াম এডওয়ার্ড নাইটিঙ্গেল এবং মা ফ্রান্সিস নাইটিঙ্গেল। ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল নার্স হওয়া, কিন্তু তখন নার্সিংকে সম্মানের চোখে দেখা হতো না এবং তার পরিবারও চাইনি সে এই পথ বেছে নাক। তবুও ফ্লোরেন্স নিজের ইচ্ছার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে যেত।
১৮৫৩ থেকে ১৮৫৪ সাল পর্যন্ত তিনি লন্ডনের ‘কেয়ার অব সিক জেন্টলওমেন ইনস্টিটিউট’-এ তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করেন। ১৮৫৫ সালে নার্স প্রশিক্ষণের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেন এবং ১৮৫৯ সালে প্রায় ৪৫ হাজার পাউন্ড সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে তিনি ভারতবর্ষের গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে গবেষণা চালান, যা স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সময়ে ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নেও অবদান রাখেন এবং ১৮৬০ সালে লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে ‘নাইটিঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল স্কুল অব নার্সিং নামে পরিচিত।
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের সবচেয়ে পরিচিত কাজ হলো ক্রিমিয়ার যুদ্ধকালীন সময়ে ব্রিটিশ সৈনিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান। ১৮৫৪ সালের অক্টোবর থেকে তিনি প্রশিক্ষিত নার্সদের নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে যান এবং সেখানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ওষুধের ঘাটতি ও প্রশাসনিক অবহেলার মধ্য দিয়ে রোগীদের যত্ন নেন। তার সাহসিকতা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে তাকে “দ্যা লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প” নামে সম্মানিত করা হয়।
তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফ্লোরেন্স নানা পদক ও উপাধি লাভ করেছেন। ১৮৮৩ সালে রানী ভিক্টোরিয়া তাকে ‘রয়েল রেডক্রস’ পদক প্রদান করেন, ১৯০৭ সালে প্রথম নারী হিসেবে ‘অর্ডার অব মেরিট’ খেতাব লাভ করেন এবং ১৯০৮ সালে লন্ডনের ‘অনারারি ফ্রিডম’ উপাধি পান। ১৯৭৪ সাল থেকে তার জন্মদিন ১২ মে ইন্টারন্যাশনাল নার্সেস ডে হিসেবে পালিত হয়। ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট ৯০ বছর বয়সে তিনি লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন। নাইটিঙ্গেল নার্সিংকে একটি পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিসংখ্যানবিদ্যায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এবং যুদ্ধকালীন সময়ে অসংখ্য প্রাণ রক্ষা করেন।
Related Question
View All-
ক
স্কটল্যান্ড
-
খ
ইংল্যান্ড
-
গ
জার্মানী
-
ঘ
ইটালী
-
ক
ওয়াটার লু
-
খ
আমেরিকার গৃহযুদ্ধ
-
গ
ফরাসি বিপ্লব
-
ঘ
ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
-
ক
95%
-
খ
91.5%
-
গ
80%
-
ঘ
85%
-
ক
হৃদয়ে মানবিকতা
-
খ
নির্মল হৃদয়
-
গ
শুদ্ধতা
-
ঘ
জয়িতা
-
ক
ওয়াটার লু'র যুদ্ধ
-
খ
আমেরিকার গৃহযুদ্ধ
-
গ
ফরাসি বিপ্লব
-
ঘ
ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
-
ক
ওয়াটার লু,র যুদ্ধ
-
খ
আমেরিকা গুহযুদ্ধ
-
গ
ফরাসি বিপ্লব
-
ঘ
ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন