বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
-
ক
শীতলক্ষ্যা
-
খ
বুড়িগঙ্গা
-
গ
মেঘনা
-
ঘ
তুরাগ
বাকল্যান্ড বাঁধ বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
বাংলাদেশের পুরান ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বাকল্যাণ্ড বাঁধ একটি তাৎপর্যপূর্ণ স্থাপত্যকীর্তি। ১৮৬৪ সালে ঢাকার তৎকালীন কমিশনার চার্লস থমাস বাকল্যাণ্ড কর্তৃক বাঁধটি নির্মিত হয়।
শাহজাদা আজিমুশশান বুড়িগঙ্গার তীরে, লালবাগ কেল্লা হতে ৪০০ গজ দূরে পোশত নামক স্থানে নিজের জন্য একটি প্রাসাদ গড়েছিলেন। সেই প্রাসাদ আজকের দিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলেও, এর সীমানা প্রতিরক্ষা বাঁধ বহুদিন পর্যন্ত দৃশ্যমান ছিল। বাঁধটি সোজা ডানদিকে অগ্রসর হয়ে বাবুবাজার খালে গিয়ে শেষ হয়েছে। নদীতে নৌকা নিয়ে যাবার সময় এটা পরিষ্কার দেখা যায়। রেনেলের মতে, ১৭৬৫ সালে বাঁধটি উত্তর - পূর্ব থেকে দক্ষিণ - পশ্চিমের দিকে চার মাইল সম্প্রসারিত হয়। যদিও মুঘল আমলেই বুড়িগঙ্গার তীরে বাঁধ নির্মিত ছিল, বাকল্যাণ্ডই প্রথম ব্যক্তি যিনি বাঁধের উপরে ধাতব রাস্তা নির্মান করেন।
- যৌথ নদী কমিশন (Joint River Commission) গঠিত হয়- ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা- ৫৭টি।
- বাংলাদেশে ও ভারত এর মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা- ৫৪টি।
- মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকারী নদী - ৩টি (নাফ, মাতামুহুরী, সাঙ্গু) ।
- বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশকারী নদী- ১টি (কুলিক)।
- বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়ে পুনরায় ফিরে এসেছে- আত্রাই, মহানন্দা, পুনর্ভবা ও ট্যাঙ্গন।
- বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী- হাড়িয়াভাঙ্গা।
- বাংলার দুঃখ বলা হয়- দামোদার নদীকে। কুমিল্লার দুঃখ বলা হয়- গোমতী নদীকে।
- চট্টগ্রামের দুঃখ বলা হয়- চকতাই খালকে।
- পশ্চিমাঞ্চলের লাইফ লাইন বলা হয়- গড়াই নদীকে।
- পশ্চিমা বাহিনীর নদী বলা হয়- বিল ডাকাতিয়াকে।
- বাংলার সুয়েজ খাল বলা হয়- গাবখান নদীকে (ঝালকাঠি)।
- বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত হারুকান্দি, ফরিদপুর।
- বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৭৭ সালে।
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানের নদী- ১টি (পদ্মা)।
- ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট নদী যমুনা।
- বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদী- নাফ (দৈর্ঘ্য ৫৬/৬২ কি.মি)।
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র নদী- হালদা।
- বাংলাদেশের জলসীমায় উৎপত্তি ও সমাপ্তি - হালদা নদী ।
- ব্রহ্মপুত্র নদের বর্তমান প্রবাহ যে নামে পরিচিত- যমুনা।
- ব্রহ্মপুত্র নদের ভারতীয় অংশের নাম- ডিহি।
- ব্রহ্মপুত্র নদের তিব্বতীয় অংশের নাম- ইয়ারলাভ সাংপো ।
- বাংলাদেশের প্রধান নদীবন্দর - নারায়ণগঞ্জ ।
- বাংলাদেশের একমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম নদী - কর্ণফুলী।
- কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র যে নদীতে অবস্থিত- কর্ণফুলী।
- যে নদীটির নামকরণ করা হয়েছে একজন ব্যক্তির নামে- রূপসা।
- যে নদীটির নামে জেলার নামকরণ করা হয়েছে ফেনী (ফেনী জেলা) ।
- চলন বিলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদী- আত্রাই।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনা নদীর নাম - বরাক।
- জীবন্ত সত্ত্বা (লিভিং এনটিটি) মর্যাদা পাওয়া দেশের প্রথম নদী- তুরাগ।
- নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণকে বলা হয়- সিকন্তি।
- নদীর চর জাগলে যারা চাষাবাদ শুরু করে তাদের বলা হয়- পয়স্তী।
Related Question
View All-
ক
৫২টি
-
খ
৫৪টি
-
গ
৫৭টি
-
ঘ
৫৮টি
-
ক
ফোরাত
-
খ
নীলনদ
-
গ
দজলা
-
ঘ
টাইগ্রিস
-
ক
পুরাতন বক্ষপুত্র
-
খ
সুরমা
-
গ
তিস্তা
-
ঘ
যমুনা
-
ক
বুড়িগঙ্গা
-
খ
হোয়াংহো
-
গ
শীতললক্ষ্যা
-
ঘ
সিন্ধু
-
ক
সাঙ্গু
-
খ
মাতামুহুরী
-
গ
নাফ
-
ঘ
কর্ণফুলী
-
ক
শীতললক্ষ্যা
-
খ
সিন্ধু
-
গ
বুড়িগঙ্গা
-
ঘ
হোয়াংহো
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন