ব্যঞ্জনদ্বিত্ব ছাড়া সব ব্যঞ্জনসংযোগকে কী বলে?

Updated: 7 months ago
  • দ্বিত্ব ব্যঞ্জন
  • যুক্তব্যঞ্জন
  • সাধারণ যুক্তব্যঞ্জন
  • স্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন
223
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব ছাড়া অন্য যেকোনো দুটি বা তার বেশি ব্যঞ্জনধ্বনির সংযোগ বা একত্র মিলনকে যুক্তব্যঞ্জন বলে।

যখন একাধিক ব্যঞ্জনধ্বনি মাঝখানে কোনো স্বরধ্বনি ছাড়া পরপর যুক্ত হয়ে উচ্চারিত হয়, তখন সেটিকে যুক্তব্যঞ্জন হিসেবে গণ্য করা হয়। যেমন: ক্ + ত = ক্ত (রক্ত), ষ্ + ণ = ষ্ণ (উষ্ণ)।

অন্যান্য অপশনগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা:

        
  • দ্বিত্ব ব্যঞ্জন: শব্দের অর্থ জোরদার করতে একই ব্যঞ্জনধ্বনি পরপর দুইবার উচ্চারিত হলে তাকে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলা হয় (যেমন: পাকা > পাক্কা, বড় > বড্ড)।
  •     
  • স্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন: যে যুক্তব্যঞ্জনে যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে পৃথকভাবে দেখে সহজেই চেনা যায়, তাকে স্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন বলে (যেমন: গ্ + ধ = গ্ধ)।
Satt AI
Satt AI
2 days ago

দুই বা তার চেয়ে বেশি ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে কোনো স্বরধ্বনি না থাকলে ব্যঞ্জনধ্বনি দুটি একত্রে লেখা হয়। যেমন- ব্‌ + অ + ক্+ত্ + আ = বক্তা। এখানে দ্বিতীয় বর্ণ ক্ + ত-এর মূল রূপ পরিবর্তিত হয়ে ক্ত হয়েছে। যুক্তব্যঞ্জন কয়েক ধরনের হতে পারে। যেমন- দ্বিত্ব ব্যঞ্জন, সাধারণ যুক্তব্যঞ্জন।

ক) দ্বিত্ব ব্যঞ্জন: একই ব্যঞ্জন পরপর দুবার ব্যবহৃত হলে তাকে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বলে। যেমন- উচ্চ (চ+চ), বিপন্ন (ন+ন), সজ্জন (জ্+জ), সম্মান (ম্+ম)।

খ) সাধারণ যুক্তব্যঞ্জন: ব্যঞ্জনদ্বিত্ব ছাড়া সব ব্যঞ্জনসংযোগকে সাধারণ যুক্তব্যঞ্জন বলে। যেমন-
লক্ষ (ক+ষ), বক্র (ক+র), পন্থা (ন+থ), বন্ধ (ন+ধ)। কয়টি ব্যঞ্জন যুক্ত হয়ে যুক্তব্যঞ্জন গঠিত হচ্ছে, তার উপর নির্ভর করে সাধারণ যুক্তব্যঞ্জন কয়েক রকমের হয়। যেমন-
দুটি ব্যঞ্জনের সংযোগ : ক্+ত=ক্ত -রক্ত, দ্‌+ধ=দ্ধ-বৃদ্ধ।
তিনটি ব্যঞ্জনের সংযোগ : জ্+জ্+ব=জ্জ্ব -উজ্জ্বল, ম্+প্+র=ম্প্র-সম্প্রদান।
চারটি ব্যঞ্জনের সংযোগ : ন্‌+ত+র+যন্ত্র্য -স্বাতন্ত্র্য।

চেনা বা শনাক্তকরণের সুবিধা বা অসুবিধার দিক থেকে যুক্তব্যঞ্জন দু-প্রকারে নির্দেশ করা হয়- (ক) স্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন ও (খ) অস্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন। যেসব যুক্তব্যঞ্জনের মধ্যকার প্রতিটি বর্ণের রূপ স্পষ্ট, সেগুলোকে স্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন বলে। যেমন-
ঙ্খ (ঙ+খ) : শঙ্খ, পঙ্খী।
স্ত (স্+ত) : রাস্তা, সমস্ত।
ম্প (ম্+প) : কম্পন, কম্পিউটার।
শ্চ (শ্+চ) : পশ্চিম, আশ্চর্য।
ন্দ (ন্‌+দ) : আনন্দ, সুন্দর।

যেসব যুক্তব্যঞ্জনের মধ্যকার সব কটি বা কোনো কোনো বর্ণের রূপ স্পষ্ট নয়, সেগুলোকে অস্বচ্ছ যুক্তব্যঞ্জন বলে। যেমন -

ক্র (ক্+র) : আক্রমণ, চক্র।
ক্ষ (ক্+ষ) : শিক্ষা, লক্ষ।
হ্ম (হ্‌+ম) : ব্রহ্ম, ব্রাহ্মণ।
গ্ধ (গ্‌+ধ) : দুগ্ধ, মুগ্ধ।
ত্র (ত্‌+র) : পত্র, নেত্র।
খ (ত্‌+থ) : উত্থান, উত্থিত।
হ্ন (হ্+ন) : অহ্ন, বহ্নি।
ষ্ণ (ষ্‌+ণ) : উষ্ণ, তৃষ্ণা।
ঞ্জ (ঞ্‌+জ) : গঞ্জ, সঞ্জয়।
জ্ঞ (জ্‌+ঞ) : অজ্ঞ, বিজ্ঞান।
ঞ্চ (ঞ্‌+চ) : পঞ্চাশ, মঞ্চ

যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ বিশ্লেষণ

যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণকে বিশ্লেষণ করাই যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ বিশ্লেষণ। যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণগুলো বিশ্লেষণ করলে যে রূপ পাওয়া যায় তা নিচে দেখানো হলো:
ক্ত=ক্+ত : শক্ত, রক্ত
ক্র=ক্+র : বক্র, শুক্র
ক্ষ=ক্+ষ: বক্ষ, দক্ষ
ঙ্ক=+ক : অঙ্ক, কঙ্কাল
ঙ্খ =ঙ + খ : শঙ্খ, পঙ্খী
ঙ্গ = ঙ্‌+গ : অঙ্গ, বঙ্গ

Related Question

View All
Updated: 10 months ago
  • ঘোয় ধ্বনি
  • শিস ধ্বনি
  • কম্পনজাত ধ্বনি
  • তাড়নজাত ধ্বনি
238
Updated: 11 months ago
  • 'অ' থেকে 'ঢ' পর্যন্ত
  • 'চ' থেকে 'শ' পর্যন্ত
  • 'ক' থেকে 'ম' পর্যন্ত
  • 'ট' থেকে 'য' পর্যন্ত
180
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই