ভাষার মৌলিক রীতি কোনটি?

Updated: 8 months ago
  • কথা বলা রীতি
  • লেখার রীতি
  • বক্তৃতার রীতি
  • লেখা ও বলার রীতি
1.8k
ব্যাখ্যাঃ

ভাষার মৌলিক রীতি প্রধানত দুটি। এই দুটি রীতিকে কেন্দ্র করেই ভাষার ব্যবহার ও প্রকাশভঙ্গি গড়ে উঠেছে।

        
  •         কথ্য রীতি (Spoken Style): এটি ভাষার সেই রূপ যা আমরা দৈনন্দিন জীবনে কথা বলার সময় ব্যবহার করি। এটি পরিবর্তনশীল এবং অঞ্চলভেদে এর ভিন্নতা দেখা যায় (আঞ্চলিক উপভাষা বা আঞ্চলিকতা)। কথ্য রীতি স্বতঃস্ফূর্ত, সহজ এবং অনানুষ্ঠানিক হয়। এটি বক্তার আবেগ ও অনুভূতি সরাসরি প্রকাশে সহায়ক।     
  •     
  •         লেখ্য রীতি (Written Style): এটি ভাষার সেই রূপ যা আমরা লেখার কাজে ব্যবহার করি। এটি অপেক্ষাকৃত সুসংহত, সুনির্দিষ্ট এবং সুশৃঙ্খল। লেখ্য রীতি সাধারণত ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে এবং অঞ্চলভেদে এর তেমন তারতম্য হয় না। এই রীতিই সাহিত্যচর্চা, পাঠ্যপুস্তক রচনা, দাপ্তরিক কাজ ও সংবাদ পরিবেশনে ব্যবহৃত হয়। এটি ভাষার স্থায়িত্ব ও প্রামাণিকতা নিশ্চিত করে।     

প্রশ্নে উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে, 'কথা বলা রীতি' দ্বারা কথ্য রীতি এবং 'লেখার রীতি' দ্বারা লেখ্য রীতিকে বোঝানো হয়েছে। যেহেতু এই দুটিই ভাষার প্রধান ও মৌলিক রূপ, তাই এই দুটিকে একত্রে 'লেখা ও বলার রীতি' বলা হলে তা ভাষার মৌলিক রীতিকে সম্পূর্ণভাবে নির্দেশ করে। 'বক্তৃতার রীতি' মূলত কথ্য রীতিরই একটি নির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিক ধরন, যা মৌলিক রীতি নয়, বরং কথ্য রীতির একটি প্রয়োগ ক্ষেত্র মাত্র।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago

সাধু ভাষা প্রাচীনকাল থেকেই সাহিত্যের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের শুরু থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। সাধু ভাষা ছিল সাহিত্যিক ও চাষা। প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যিক নিদর্শনে সাধুভাষার প্রভাব দিল স্পষ্ট। উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষা'র প্রচলন শুরু হতে থাকে। তৎকালীন সময়ের কিছু দোলেখক পণ্ডিতি সাহিত্যের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে এসে আগামর জনসাধারণের 'কথ্য ভাষা'য় সাহিত্য রচনায় ব্রতী হন এবং সফল হন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন প্রমথ চৌধুরী। তিনিই প্রথম চলিত ভাষায় সাহিত্য রচনা শুরু করেন এবং 'সবুজপত্র' (১৯১৪) সাহিত্য পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতিকে সাহিত্যের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেন।

বাংলা ভাষার মৌলিক রূপ / রীতি দুইটি । যথা: কথ্য ভাষা রীতি ও লেখ্য ভাষা রীতি।

কথ্য ভাষা রীতি:

কথ্য ভাষা রীতি ভাষার মূল রূপ। কথ্য ভাষা রীতির উপরে ভিত্তি করে লেখ্য ভাষা রীতির রূপ তৈরি হয়। স্থান ও কালভেদে ভাষার যে পরিবর্তন ঘটে তা মূলত কথ্য ভাষা রীতির পরিবর্তন। তাই কথ্য ভাষা রীতির পরিবর্তনের ফলে নতুন নতুন ভাষা ও উপভাষার জন্ম হয়।

আঞ্চলিক কথ্য রীতি:

কথ্য রীতির আঞ্চলিক ভেদ সহজে বোঝা যায়। এই আঞ্চলিক ভেদ সাধারণত অঞ্চলের নামে পরিচিতি পায়। যেমন নোয়াখালীর ভাষা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভাষা, কিংবা সুন্দরবন অঞ্চলের ভাষা। ভাষার এই আঞ্চলিকতা উপভাষা নামে আখ্যায়িত হয়ে থাকে। বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে আঞ্চলিক ভাষা বলে। আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম উপভাষা। আক্ষরিক অর্থে উপভাষা বলতে 'ভাষা'র চেয়ে একটু নিম্ন বা কিছুটা কম মর্যাদাসম্পন্ন ভাষাকে বোঝায়। পৃথিবীর সব ভাষারই উপভাষা আছে। সাধারণত ভৌগোলিক এলাকাভেদে বাংলা ভাষার নানা বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। ভাষার এ আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে বলা হয় উপভাষা।

Related Question

View All
Updated: 2 days ago
  • বক্তৃতার রীতি
  • লেখার রীতি
  • কথা বলার রীতি
  • লেখা ও বলার রীতি
7.8k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই