'মেঘনাদবধ কাব্য' রচিত-
'মেঘনাদবধ কাব্য' রচিত-
-
ক
পয়ার ছন্দে
-
খ
মুক্তক ছন্দে
-
গ
স্বরবৃত্ত ছন্দে
-
ঘ
অমিত্রাক্ষর ছন্দে
মেঘনাদবধ কাব্য ১৯-শতকীয় বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক রচিত মহাকাব্য। 'মেঘনাদবধ কাব্য' মধুসূদনের অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা দ্বিতীয় কাব্য । কাব্যটি কবির সর্বশ্রেষ্ঠ কবিকীর্তি। এই অমর মহাকাব্য প্রকাশের সঙ্গে আমরা কবির প্রতিভার পূর্ণ বিকাশকালে উপস্থিত হয়। ১৮৬১ সালে কাব্যটির দুইখণ্ডে প্রকাশ হয় । প্রথম খণ্ড(১–৫ সর্গ) ১৮৬১ সালের জানুয়ারী মাসে, এবং দ্বিতীয় খণ্ড (৬—৯ সর্গ) ঐ বৎসরের প্রথমার্ধে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট।
এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দ বা 'ফ্রি ভার্সে' রচিত। অমিত্রাক্ষরে প্রথম রচনা করেন তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য(১৮৬০)। এরপর মেঘনাদ বধ কাব্য(১৮৬১) রচনা করেন অমিত্রাক্ষর ছন্দে। নিচের উদ্ধৃতি থেকে এ কাব্যের ছন্দ-প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। এ অংশটি ষষ্ঠ সর্গের অংশ বিশেষ এবং মেঘনাদ ও বিভীষণ নামে পরিচিত।
কবিতার পক্তির শেষে মিলহীন ছন্দকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ। বলে। অমিত্রাক্ষর ছন্দের কবিতায় চরণের অন্ত্যমিল থাকে। না। এ ছন্দ পয়ারের অপর রূপ। প্রতি পঙ্ক্তিতে ১৪ অক্ষর থাকে, যা ৮+৬ পর্বে বিভক্ত। একে প্রবাহমান অক্ষরবৃত্ত ছন্দও বলে। উদাহরণ-
সম্মুখ সমরে পড়ি, বীর চূড়ামণি
বীর বাহু চলি যবে গেলা যমপুরে
অকালে, কহ, হে দেবি অমৃতভাষিণি
কোন বীরবরে রবি সেনাপতি পদে,
পাঠাইলা, রণে পুনঃ রক্ষাকুলনিধি
রাঘবারি।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রচলন ঘটান মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
Related Question
View All-
ক
অন্ত্যমিল আছে
-
খ
চরণের প্রথমে মিল থাকে
-
গ
অন্ত্যমিল নেই
-
ঘ
বিশ মাত্রার পর্ব
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন