উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নের উত্তর দাও

লোক ঠকানোই ছিল রাজিনের পেশা। তার প্রতারণায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেকে। সে স্মৃতি আগর তাড়িয়ে বেড়ায় তাকে।

রাজিবের উন্নতিকল্পে 'ভাব ও কাজ' প্রবন্দে উল্লিখিত লেখকের যে পরামর্শ ফলপ্রসূ তা হলো-

i. আগে ভালো করিয়া চোখ মেলিয়া দেখো

ii. ভাবের সুরা পান করো ভাই, কিন্তু জ্ঞান হারাইও না

iii. 'আত্মার' শক্তিকে আগাইয়া তোলো

 

নিচের কোনটি সঠিক?

Updated: 2 months ago
  • ক
    i ও ii
  • খ
    i ও iii
  • গ
    ii ও iii
  • ঘ
    i, ii ও iii
717
ব্যাখ্যাঃ

কাজী নজরুল ইসলামের 'ভাব ও কাজ' প্রবন্ধটি ভাব ও কর্মের সমন্বয়ের উপর গুরুত্বারোপ করে রচিত হয়েছে। এই প্রবন্ধে লেখক মূলত কাজের ক্ষেত্রে চিন্তাভাবনা ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন। রাজিনের মতো একজন ব্যক্তি যিনি প্রতারণার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন এবং পরবর্তীতে অনুতপ্ত হয়েছেন, তার জন্য এই প্রবন্ধের নিম্নলিখিত পরামর্শগুলো বিশেষভাবে ফলপ্রসূ হবে:

        
  • i. আগে ভালো করিয়া চোখ মেলিয়া দেখো: এই পরামর্শটির মাধ্যমে লেখক কাজ শুরু করার আগে ভালোভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা, গভীরভাবে চিন্তা করা এবং কাজের পরিণতি সম্পর্কে সচেতন হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। রাজিনের ক্ষেত্রে, প্রতারণা করার আগে যদি তিনি এর নৈতিকতা ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে ভালোভাবে চিন্তা করতেন, তবে হয়তো তিনি ভুল পথে যেতেন না। এখন তার অনুশোচনার সময়, তাকে ভালোভাবে চোখ খুলে দেখতে হবে এবং নিজের ভুলগুলো উপলব্ধি করতে হবে।
  •     
  • ii. ভাবের সুরা পান করো ভাই, কিন্তু আন হারাইও না: এটি প্রবন্ধের একটি বিখ্যাত উক্তি। এর অর্থ হলো, আমরা ভাব বা আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হব, কিন্তু সেই ভাব যেন আমাদের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন না করে বা আমাদের আত্ম-নিয়ন্ত্রণ কেড়ে না নেয়। রাজিন হয়তো একসময় অসৎ লাভের মোহে অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন এবং নিজের মানবিকতা হারিয়ে ফেলেছিলেন। তার জন্য এই উপদেশটি খুবই জরুরি, যাতে তিনি নতুন কোনো ভালো আদর্শে অনুপ্রাণিত হন, কিন্তু সেই আদর্শ বাস্তবায়নে যেন বাস্তবসম্মত ও নৈতিক পন্থা অবলম্বন করেন এবং কোনোভাবেই যেন নিজের বিবেক বা আত্ম-নিয়ন্ত্রণ না হারান।

অন্যদিকে, 'iii. 'আত্মার' শক্তিকে আগাইয়া তোলো' কথাটি সাধারণ অর্থে ইতিবাচক হলেও, 'ভাব ও কাজ' প্রবন্ধের মূল প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। প্রবন্ধটি মূলত ভাবকে কাজে রূপান্তরিত করার ক্ষেত্রে সঠিক চিন্তাভাবনা ও বাস্তবতার নিরিখে কর্মপন্থা নির্ধারণের উপর জোর দেয়, আত্মিক শক্তির বিমূর্ত উন্নতির উপর ততটা নয়, যতটা কর্মের সঙ্গে ভাবের যোগসূত্র স্থাপনের উপর। রাজিনের জন্য প্রয়োজন কর্মের মাধ্যমে নিজেদের উন্নত করা, কেবল আত্মার শক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া নয়।

অতএব, রাজিনের উন্নতিকল্পে প্রবন্ধের যে পরামর্শগুলো সবচেয়ে ফলপ্রসূ তা হলো i এবং ii।

Satt AI
Satt AI
3 months ago

ভাবে আর কাজে সম্বন্ধটা খুব নিকট বোধ হইলেও আদতে এ-জিনিস দুইটায় কিন্তু আসমান-জমিন তফাৎ। ভাব জিনিসটা হইতেছে পুষ্পবিহীন সৌরভের মতো, একটা অবাস্তব উচ্ছ্বাস মাত্র। তাই বলিয়া কাজ মানে যে সৌরভবিহীন পুষ্প, ইহা যেন কেহ মনে করিয়া না বসেন। কাজ জিনিসটাই ভাবকে রূপ দেয়, ইহা সম্পূর্ণভাবে বস্তুজগতের। 

তাই বলিয়া ভাবকে যে আমরা মন্দ বলিতেছি বা নিন্দা করিতেছি, তাহা নহে; ভাব জিনিসটা খুবই ভালো। মানুষকে কব্জায় আনিবার জন্য তাহার সর্বাপেক্ষা কোমল জায়গায় ছোঁওয়া দিয়া তাহাকে মাতাইয়া না তুলিতে পারিলে তাহার দ্বারা কোনো কাজ করানো যায় না, বিশেষ করিয়া আমাদের এই ভাব-পাগলা দেশে। কিন্তু শুধু ভাব লইয়াই থাকিব, লোককে শুধু কথায় মাতাইয়া মশগুল করিয়াই রাখিব, এও একটা মন্ত বদ-খেয়াল। এই ভাবকে কার্যের দাসরূপে নিয়োগ করিতে না পারিলে ভাবের কোনো সার্থকতাই থাকে না। তাহা ছাড়া ভাব দিয়া লোককে মাতাইয়া তুলিয়া যদি সেই সময় গরমাগরম কার্যসিদ্ধি করাইয়া লওয়া না হয়, তাহা হইলে পরে সে ভাবাবেশ কর্পূরের মতো উড়িয়া যায়। অবশ্য, এখানে কার্যসিদ্ধি মানে স্বার্থসিদ্ধি নয়। যিনি ভাবের বাঁশি বাজাইয়া জনসাধারণকে নাচাইবেন, তাঁহাকে নিঃস্বার্থ ত্যাগী ঋষি হইতে হইবে । তিনি লোকদিগের সূক্ষ্ম অনুভূতি বা ভাবকে জাগাইয়া তুলিবেন মানুষের কল্যাণের জন্য, নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য নয়। তাঁহাকে একটা খুব মহত্তর উদ্দেশ্য ও কল্যাণ কামনা লইয়া ভাবের বন্যা বহাইতে হইবে, নতুবা বানভাসির পর পলিপড়ার মতো সাধারণের সমস্ত উৎসাহ ও প্রাণ একেবারে কাদাঢাকা পড়িয়া যাইবে । এই জন্য কেহ কেহ বলেন যে, লোকের কোমল অনুভূতিতে ঘা দেওয়া পাপ। কেননা অনেক সময় অনুপযুক্ততা প্রযুক্ত ইহা হইতে সুফল না ফলিয়া কুফলই ফলে। আগে হইতে সমস্ত কার্যের বন্দোবস্ত করিয়া বা কার্যক্ষেত্র তৈয়ার রাখিয়া তবে লোকদিগকে সোনার কাঠির ছোঁওয়া দিয়া জাগাইয়া তুলিতে হইবে। নতুবা তাহারা যখন জাগিয়া দেখিবে যে, তাহারা অনর্থক জাগিয়াছে, কোনো কার্য করিবার নাই, তখন মহা বিরক্ত হইয়া আবার ঘুমাইয়া পড়িবে এবং তখন আর জাগাইলেও জাগিবে না। কেননা, তখন যে তাহারা জাগিয়া ঘুমাইবে এবং জাগিয়া ঘুমাইলে তাহাকে কেহই ভুলিতে পারে না। তাহা অপেক্ষা বরং কুম্ভকর্ণের নিদ্রা ভালো, সে-ঘুম ঢোল কাঁসি বাজাইয়া ভাঙানো বিচিত্র নয়।

এ-কথাটা একটা মস্ত সত্যি, তাহা এতদিনে আমরা ঠেকিয়া শিখিয়াছি। এই যে সেদিন একটা হুজুগে মাতিয়া হুড়হুড় করিয়া হাজার কতক স্কুল-কলেজের ছাত্রদল বাহির হইয়া আসিল, কই তাহারা তো তাহাদের এই সৎ সঙ্কল্প, এই মহৎ ত্যাগকে স্থায়ীরূপে বরণ করিয়া লইতে পারিল না। কেন এমন হইল? একটা সাময়িক উত্তেজনার মুখে এই ত্যাগের অভিনয় করিতে গিয়া 'স্পিরিট'কে কী বিশ্রী ভাবেই না মুখ ভ্যাঙচানো হইল! যাহারা শুধু ভাবের চোটে না বুঝিয়া না শুনিয়া শুধু একটু নামের জন্য বা বদনামের ভয়ে এমন করিয়া তাহাদের ‘স্পিরিট' বা আত্মার শক্তির পবিত্রতা নষ্ট করিল, তাহারা কি দরকার পড়িলে আবার কাল এমনি করিয়া বাহির হইয়া আসিতে পারিবে? আজ যাহারা মুখে চাদর জড়াইয়া কল্যকার ত্যক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার মুখটি চুন করিয়া ঢুকিল, কাল দেশের সত্যিকার ডাক আসিলে তাহারা কি আর তাহাতে সাড়া দিতে পারিবে? হঠকারিতা করিয়া একবার যে ভোগটা ভুগিল বা ভ্রম করিল, তাহারই অনুশোচনাটা তাহারা কিছুতেই মন হইতে মুছিয়া ফেলিতে পারিবে না – বাহিরে যতই কেন লা-পরওয়া ভাব দেখাক না। এখন সত্যিকার ডাক শুনিয়া প্রাণ চাহিলেও সে লজ্জায় তাহাতে আসিয়া যোগদান করিতে পারিবে না। এই রূপে আমরা আমাদের দেশের প্রাণশক্তি এই তরুণদের 'স্পিরিট'টাকে কুব্যবহারে আনিয়া মঙ্গলের নামে দেশের মহা শত্রুতা সাধনই করিতেছি না কি? রাগিবার কথা নয়, এখন ইহা রীতিমতো বিবেচনা-সাপেক্ষ। আমাদের এই আশা-ভরসাস্থল যুবকগণ এত দুর্বল হইল কীরূপে বা এমন কাপুরুষের মতো ব্যবহারই বা করিল কেন? সে কি আমাদেরই দোষে নয়? সাপ লইয়া খেলা করিতে গেলে তাহাকে দস্তুরমতো সাপুড়ে হওয়া চাই, শুধু একটু বাঁশি বাজাইতে পারিলেই চলিবে না। আজ যদি সত্যিকার কর্মী থাকিত দেশে, তাহা হইলে এমন সুবর্ণ সুযোগ মাঝ-মাঠে মারা যাইত না। ত্যাগী অনেক আছেন দেশে, কিন্তু কর্মীর অভাবে বা তথাকথিত কর্মী নামে অভিহিত লোকদের সত্য সাধনার অভাবে তাঁহারা কোনো ভালো কাজে আর কোনো অর্থ দিতে চাহেন না, বা অন্য কোনোরূপ ত্যাগ স্বীকার করিতেও রাজি নন। কী করিয়া হইবেন? তাঁহারা তাঁহাদের চোখের সামনে দেখিতেছেন যে, কতো লোকের কতো মাথার ঘাম পায়ে ফেলার ধন দেশের নামে, কল্যাণের নামে আদায় করিয়া বাজে লোকে নিজেদের উদর পূর্ণ করিতেছে। যাঁহারা সত্যিকার দেশকর্মী— সে বেচারারা সত্যি কথা স্পষ্টভাবে বলিতে গিয়া এই সব কর্মীর কারচুপিতে পুয়ালচাপা পড়িয়া গিয়াছে। বেচারারা এখন ভালো বলিতে গেলেও এই সব মুখোশ-পরা ত্যাগী মহাপুরুষগণ হট্টগোল বাধাইয়া লোককে সম্পূর্ণ উল্টা বুঝাইয়া দিয়া তাহাকে একদম খেলো, ঝুটা ইত্যাদি প্রমাণ করিয়া দেন। সহজ জনসাধারণের সরল মন এ-সব না ধরিতে পারার দরুন তাহাদের মন অতি অল্পেই ঐ সত্যিকার কর্মীদের বিরুদ্ধে বিষাইয়া উঠে। ‘দশচক্রে ভগবান ভূত' কথাটা মস্ত সত্যি কথা ।
তাহা হইলে এখন উপায় কী? এক সহজ উপায় এই যে, এখন হইতে জনসাধারণের বা শিক্ষিত কেন্দ্রের উচিত, ভাবের আবেগে অতিমাত্রায় বিহ্বল হইয়া কাণ্ডাকাণ্ড ভালোমন্দ জ্ঞান হারাইয়া না ফেলা। আমরা বলিব, ভাবের সুরা পান করো ভাই, কিন্তু জ্ঞান হারাইও না। তাহা হইলে তোমার পতন, তোমার দেশের পতন, তোমার ধর্মের পতন, মনুষ্যত্বের পতন! ভাবের দাস হইও না, ভাবকে তোমার দাস করিয়া লও। কর্মে শক্তি আনিবার জন্য ভাব-সাধনা কর। ‘স্পিরিট' বা আত্মার শক্তিকে জাগাইয়া তোল, কিন্তু তাই বলিয়া কর্মকে হারাইও না। অন্ধের মতো কিছু না বুঝিয়া না শুনিয়া ভেড়ার মতো পেছন ধরিয়া চলিও না । নিজের বুদ্ধি, নিজের কর্মশক্তিকে জাগাইয়া তোল। তোমার এই ব্যক্তি-স্বাতন্ত্র্যই দেশকে উন্নতির দিকে, মুক্তির দিকে আগাইয়া লইয়া যাইবে। এ-সব জিনিস ভাব-আবিষ্ট হইয়া চক্ষু বুজিয়া হয় না। কোমর বাঁধিয়া কাৰ্যে নামিয়া পড়িতে হইবে এবং নামিবার পূর্বে ভালো করিয়া বুঝিয়া-সুঝিয়া দেখিয়া লইতে হইবে, ইহার ফল কী। শুধু উদ্‌মো ষাঁড়ের মতো দেওয়ালের সঙ্গে গা ঘেঁষড়াইয়া নিজের চামড়া তুলিয়া ফেলা হয় মাত্র। দেওয়াল প্রভু কিন্তু দিব্যি দাঁড়াইয়া থাকেন। তোমার বন্ধন ওই সামনের দেওয়ালকে ভাঙিতে হইলে একেবারে তাহার ভিত্তিমূলে শাবল মারিতে হইবে।
আবার বলিতেছি, আর ভাবের ঘরে চুরি করিও না। আগে ভালো করিয়া চোখ মেলিয়া দেখ। কার্যের সম্ভাবনা-অসম্ভাবনার কথা অগ্রে বিবেচনা করিয়া পরে কার্যে নামিলে তোমার উৎসাহ অনর্থক নষ্ট হইবে না । মনে রাখিও তোমার 'স্পিরিট' বা আত্মার শক্তিকে অন্যের প্ররোচনায় নষ্ট করিতে তোমার কোনো অধিকার নাই। তাহা পাপ মহাপাপ !

Related Question

View All
Updated: 11 months ago
  • ক
    কাজী নজরুল ইসলাম
  • খ
    বিপ্রদাশ বড়ুয়া
  • গ
    মুস্তাফা মনোয়ার
  • ঘ
    কামরুল হাসান
712
  • ক
    বাস্তবধর্মী কর্মে
  • খ
    ভাববাদী কর্মে
  • গ
    আধ্যাত্মিক কর্মে
  • ঘ
    সৎ কর্মে
713
  • ক
    ভাবানুসারে কাজ করেছে
  • খ
    আত্মার শক্তিকে মূল্যায়ন করেছে
  • গ
    ভাবের দাসে পরিণত হয়েছে
  • ঘ
    কৃমকর্ণের নিদ্রা ভেঙেছে
653
  • ক
    সুখী মানুষ
  • খ
    তৈলচিত্রের ভূত
  • গ
    ভাব ও কাজ
  • ঘ
    অতিথির স্মৃতি
652
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই