শেখ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে কোথায় নির্বাসন দেয়া হয়?

Updated: 7 months ago
  • কাবুল
  • আন্দামান
  • রেঙ্গুন
  • লাহোর
71
ব্যাখ্যাঃ

মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে ইংরেজরা রেঙ্গুনে (বর্তমান ইয়াঙ্গুন, মিয়ানমার) নির্বাসন দেয়। বিদ্রোহ দমনের পর তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হয় এবং দোষী সাব্যস্ত করে ব্রিটিশ-শাসিত বার্মায় (বর্তমানে মিয়ানমার) নির্বাসিত করা হয়। ১৮৬২ সালের ৭ নভেম্বর তিনি রেঙ্গুনেই মারা যান।

অন্যান্য অপশনগুলো প্রাসঙ্গিক নয়:

        
  • কাবুল: আফগানিস্তানের রাজধানী, ঐতিহাসিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাহাদুর শাহ জাফরের নির্বাসন স্থান নয়।
  •     
  • আন্দামান: এটিও ব্রিটিশদের একটি কুখ্যাত নির্বাসন স্থান ছিল (সেলুলার জেল), তবে বাহাদুর শাহ জাফরকে সেখানে পাঠানো হয়নি।
  •     
  • লাহোর: পাকিস্তানের একটি ঐতিহাসিক শহর এবং মুঘল সাম্রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল, কিন্তু তার নির্বাসন স্থান নয়।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago

শেষ মুঘল সম্রাট ছিলেন দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে রেঙ্গুনে (বর্তমান ইয়াঙ্গুনে) নির্বাসন দেওয়া হয়। ১৮৬২ সালে তিনি রেঙ্গুনে নির্বাসিত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। রেঙ্গুনেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।

দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর (১৮৩৭–১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দ) তিনি ছিলেন মুঘল বংশের ১৯তম এবং শেষ সম্রাট। তাঁর শাসনামলে মুঘল সাম্রাজ্য কেবল দিল্লির লাল কেল্লার চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। প্রকৃতপক্ষে তিনি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দয়ার ওপর নির্ভরশীল একজন পেনশনভোগী শাসক ছিলেন। তবে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের সময় বিদ্রোহী সিপাহিরা তাঁকে ভারতের সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করলে তিনি ব্রিটিশদের রোষানলে পড়েন। বিদ্রোহ দমনের পর ব্রিটিশরা তাঁকে বন্দি করে রেঙ্গুনে (বর্তমান মিয়ানমার) নির্বাসিত করে, যার মাধ্যমে ৩৩২ বছরের মুঘল শাসনের চিরস্থায়ী অবসান ঘটে।

১. ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ও সম্রাট

  • ১৮৫৭ সালের ১০ মে মিরাটে বিদ্রোহ শুরু হওয়ার পর সিপাহিরা দিল্লিতে এসে বাহাদুর শাহ জাফরকে 'শাহেনশাহ-ই-হিন্দুস্তান' (ভারতের সম্রাট) হিসেবে ঘোষণা করেন।

  • বৃদ্ধ সম্রাট অনিচ্ছাসত্ত্বেও বিদ্রোহের প্রতীকী নেতৃত্ব দেন।

  • বিদ্রোহ ব্যর্থ হলে ব্রিটিশ সেনাপতি হডসন তাঁকে দিল্লির হুমায়ুনের সমাধি থেকে বন্দি করেন এবং তাঁর চোখের সামনেই তাঁর দুই পুত্র ও এক পৌত্রকে হত্যা করা হয়।

২. কবি ও সাহিত্যিক জাফর

বাহাদুর শাহ জাফর একজন উঁচু দরের কবি ছিলেন। 'জাফর' ছিল তাঁর কাব্যিক ছদ্মনাম।

  • তিনি উর্দু সাহিত্যের একজন বড় পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। বিখ্যাত কবি মির্জা গালিব এবং জক (Zauq) তাঁর রাজসভা অলংকৃত করেছিলেন।

  • নির্বাসিত জীবনে তাঁর লেখা বিখ্যাত দুঃখগাথা আজও উর্দু সাহিত্যে স্মরণীয় হয়ে আছে:

"কিতনা হ্যায় বদনসীব জাফর দাফন কে লিয়ে, দো গজ জমিন ভি না মিলি কু-এ-ইয়ার মে।" (জাফর কতই না দুর্ভাগ্যবান যে, তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য প্রিয় স্বদেশের মাটিতে দু-গজ জমিও জুটল না।)

৩. বিচার ও নির্বাসন

  • বিদ্রোহের পর ব্রিটিশরা তাঁর ওপর বিচারকার্য চালায় এবং তাঁকে রাজ্যচ্যুত করে রেঙ্গুনে নির্বাসিত করা হয়।

  • ১৮৬২ সালে রেঙ্গুনেই এই মুঘল সম্রাটের মৃত্যু হয় এবং সেখানেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।

Related Question

View All
  • আওরঙ্গজে
  • জাহাঙ্গীর
  • বাহাদুর শাহ জাফর
  • শের শাহ
2.1k
  • আওরঙ্গজে
  • জাহাঙ্গীর
  • বাহাদুর শাহ জাফর
  • শের শাহ
1.9k
Updated: 1 year ago
  • Bahadur shah
  • Awrongozeb
  • Shajahan
  • None of these
417
Updated: 11 months ago
  • Bahadur Shah
  • Humayun
  • Akbar
  • Babar
582
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই