সেক্স ক্রোমোজোমের সংখ্যা কতটি?
সেক্স ক্রোমোজোমের সংখ্যা কতটি?
-
ক
১টি
-
খ
২২টি
-
গ
২টি
-
ঘ
৪৪টি
সেক্স ক্রোমোজোমের সংখ্যা ২টি।
বিস্তারিত:
- সেক্স ক্রোমোজোম: মানবদেহে দুই প্রকারের সেক্স ক্রোমোজোম থাকে, X এবং Y। একটি পুরুষের শরীরে একটি X এবং একটি Y ক্রোমোজোম থাকে (XY), এবং একটি নারীর শরীরে দুটি X ক্রোমোজোম থাকে (XX)। এই সেক্স ক্রোমোজোমগুলি লিঙ্গ নির্ধারণে ভূমিকা পালন করে।
- বাকি ক্রোমোজোম: মানুষের মোট ২৩টি ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২টি হল অটোসোম, যা সাধারণ শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে সাহায্য করে, এবং ১টি সেক্স ক্রোমোজোম, যা লিঙ্গ নির্ধারণে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর:
২টি
মানুষের (পুরুষ ও নারী উভয়ের) কোষে ২৩ জোড়া (মোট ৪৬টি) ক্রোমোজোম থাকে। এর ২২ জোড়া অটোসোম এবং ২৩ তম জোড়া হল সেক্স ক্রোমোজোম (X এবং Y ক্রোমোজোম)। মহিলাদের দুটি X ক্রোমোজোম (XX) থাকে,পুরুষদের একটি X এবং একটি Y ক্রোমোজোম (XY) থাকে।
প্রতিটি জীবে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক unique ক্রোমোসোম থাকে, যেমন - মানুষের ২৩টি । সবগুলো ইউনিক ক্রোমোসোম মিলে একটি ক্রোমোসোম সেট হয় । মানুষের দুই সেট ক্রোমোসোম থাকে অর্থাৎ প্রতিটি ক্রোমোসোম দুই কপি করে আছে । যে কোষে ২ সেট ক্রোমোসোম আছে তাকে বলা হয় ডিপ্লয়েড কোষ বা '2n' । মানুষ ডিপ্লয়েড জীব ।
মানুষের ৪৬টি ক্রোমোসোমের মধ্যে ৪৪টি ক্রোমোসোমকে অটোসোম বলা হয় আর বাকি ২টি ক্রোমোসোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম ।
পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণীর ক্লোন ডলি নামের একটি ভেড়া আধুনিক বংশগতি বিদ্যার (Genetics) ভিত্তি গড়ে উঠেছে আজ থেকে প্রায় ১৫০ বছর পূর্বে গ্রেগর মেন্ডেল নামে একজন অস্ট্রীয় ধর্মজাজকের গবেষণার মাধ্যমে। যেডেলের আবিষ্কারের মূল প্রাতিগাচ্চ হচ্ছে জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্য এক জোড়া ফ্যাক্টর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। বেটসন ১৯০৮ সালে মেন্ডেলের ফ্যাক্টরের নাম দিলেন জিন। বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই বংশগতি বিদ্যা নানাভাবে বিকাশ লাভ করতে থাকে। নানা তথ্যে সমৃদ্ধ হতে থাকে এর ভাণ্ডার। বংশগতির একক বা জিনের উপাদানের প্রকৃতি, রাসায়নিক এবং অণুর গঠন ও জৈবনিক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিগুলো আবিষ্কৃত হওয়ার পর জীববিজ্ঞানীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করলেন, নিষেক ছাড়াই কীভাবে একটা জীবকোষ থেকে জিন আরেকটা জীবকোষে প্রতিস্থাপন করা যায়, সেটি নিয়ে গবেষণা শুরু করলেন। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক হার্বার্ট বয়ার এবং স্ট্যানলি কোহেন ১৯৭৩ সালে প্রথম নিষেক ছাড়াই কৃত্রিমভাবে জিন সংযোজনে সাফল্য লাভ করেন। জীববিজ্ঞানের ইতিহাসে যেটি ছিল এক অচিন্তনীয় ঘটনা। স্থাপিত হলো জীবপ্রযুক্তি (Biotechnology) নামে জীববিজ্ঞানের নতুন এক শাখা। আমরা এ অধ্যায়ে জীবপ্রযুক্তি সম্বন্ধে আলোচনা করার পূর্বে ক্রোমোজোম, জিন, ডিএনএ ও আরএনএ সম্বন্ধে আলোচনা করব। এগুলো সম্পর্কে আমরা অষ্টম শ্রেপিতে খানিকটা ধারণা পেয়েছি। এ অধ্যারে বিস্তারিত জানব।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা :
- চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বংশপরম্পরায় স্থানান্তরের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
- ডিএনএ টেস্টের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
- জেনেটিক বিপ্লতার (Genetic Disorder) কারণ ও ফলাফল বর্ণনা করতে পারব।
- জীবপ্রযুক্তি এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাখ্যা করতে পারব।
- প্রাণী ও উদ্ভিদে ক্লোনিং ব্যাখ্যা করতে পারব।
- ক্লোনিংয়ের সামাজিক প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজির ব্যবহার এবং এদের সুফল বিশ্লেষণ করতে পাৱৰ ।
Related Question
View All-
ক
মলিকুলার ফার্মিং
-
খ
রিপ্রোডাকটিভ ক্লিনিং
-
গ
ট্রান্সজেনেসিস
-
ঘ
জিন থেরাপি
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
-
ক
ক্লোনিং
-
খ
টিস্যু কালচার
-
গ
মলিকুলার ফার্মিং
-
ঘ
রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
-
ক
হিউম্যান জিনোস প্রজেক্ট
-
খ
ফরেনসিক টেস্ট
-
গ
DNA টেস্ট
-
ঘ
জিন থেরাপি
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন