Among the computer generations, WWW, HTML, DVD, ipod etc. are some of the popular inventions of which generation?

Updated: 6 months ago
  • 3rd
  • 4th
  • 5th
  • 6th
  • None of these
2.4k
ব্যাখ্যাঃ

কম্পিউটারের প্রজন্মগুলি প্রধানত প্রযুক্তির বিবর্তন এবং সেই সময়ের প্রধান উদ্ভাবনগুলির উপর ভিত্তি করে বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি প্রজন্ম কম্পিউটিং ক্ষমতা, গতি, আকার এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি নিয়ে আসে।

        
  • ১ম প্রজন্ম (1940s - 1950s): এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলি ভ্যাকুয়াম টিউব (Vacuum Tubes) ব্যবহার করত। এগুলি ছিল বিশাল আকৃতির, ধীর গতিসম্পন্ন এবং প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ করত। উদাহরণ: ENIAC, UNIVAC।
  •     
  • ২য় প্রজন্ম (1950s - 1960s): ট্রানজিস্টর (Transistors) আবিষ্কারের ফলে কম্পিউটারগুলি ছোট, দ্রুত এবং কম বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হয়। উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা (যেমন FORTRAN, COBOL) এই সময়ে বিকশিত হয়।
  •     
  • ৩য় প্রজন্ম (1960s - 1970s): ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (Integrated Circuits - IC) ব্যবহারের মাধ্যমে কম্পিউটার আরও ছোট, দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠে। অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) এবং টাইম-শেয়ারিং (Time-sharing) ধারণার উদ্ভব হয়।
  •     
  • ৪র্থ প্রজন্ম (1970s - 1980s): মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) আবিষ্কার এই প্রজন্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এর ফলে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer - PC) তৈরি হয়। গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) এবং নেটওয়ার্কিং (Networking) এই সময়ে জনপ্রিয়তা লাভ করে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এবং এইচটিএমএল (HTML) এর প্রাথমিক ধারণা এবং বিকাশ এই প্রজন্মের শেষ দিকে শুরু হয়।
  •     
  • ৫ম প্রজন্ম (1990s - বর্তমান): এই প্রজন্ম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - AI), সমান্তরাল প্রক্রিয়াকরণ (Parallel Processing), অপটিক্যাল ডিস্ক (Optical Discs), ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing) এবং মোবাইল কম্পিউটিং (Mobile Computing) এর উপর জোর দেয়। ইন্টারনেট, মাল্টিমিডিয়া এবং স্মার্ট ডিভাইসগুলির ব্যাপক প্রসার এই প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

প্রশ্নোক্ত উদ্ভাবনগুলির দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়:

        
  • WWW (World Wide Web): ১৯৮৯ সালে টিম বার্নার্স-লি কর্তৃক উদ্ভাবিত হয়। এর ভিত্তি চতুর্থ প্রজন্মের শেষ দিকে হলেও এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরু হয় নব্বই দশকের মাঝামাঝি অর্থাৎ ৫ম প্রজন্মের শুরুর দিকে।
  •     
  • HTML (Hypertext Markup Language): WWW এর সাথে সাথে নব্বই দশকের প্রথম দিকে (early 1990s) বিকশিত হয় এবং ৫ম প্রজন্মের ইন্টারনেট বিপ্লবের প্রধান স্তম্ভ ছিল।
  •     
  • DVD (Digital Versatile Disc): ১৯৯৫ সালে এর আনুষ্ঠানিক প্রবর্তন হয়, যা সরাসরি ৫ম প্রজন্মের একটি উদ্ভাবন। এটি অপটিক্যাল স্টোরেজ প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
  •     
  • iPod: ২০০১ সালে অ্যাপল (Apple) এটি বাজারে আনে, যা সম্পূর্ণরূপে ৫ম প্রজন্মের মোবাইল কম্পিউটিং এবং ডিজিটাল মিডিয়া ডিভাইসগুলির অগ্রদূত।

উপরে উল্লিখিত উদ্ভাবনগুলোর মধ্যে WWW এবং HTML এর ধারণা চতুর্থ প্রজন্মের শেষ দিকে এলেও, DVD এবং iPod এর মতো প্রযুক্তিগুলির আবির্ভাব এবং উল্লেখিত সমস্ত প্রযুক্তির ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও ব্যবহার ৫ম প্রজন্মেই ঘটেছিল। তাই এই সমস্ত উদ্ভাবন সামগ্রিকভাবে ৫ম প্রজন্মের বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করে।


অতএব, WWW, HTML, DVD, ipod ইত্যাদি হলো ৫ম প্রজন্মের জনপ্রিয় কিছু উদ্ভাবন।

Satt AI
Satt AI
1 week ago

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান) হলো সেই কম্পিউটার, যা মাইক্রোপ্রসেসর এবং ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোর আকার ছোট, শক্তিশালী এবং দক্ষতায় উন্নত। এটি ডিজিটাল কম্পিউটারের ইতিহাসে একটি বিপ্লবী পরিবর্তন এনেছে, কারণ মাইক্রোপ্রসেসরের উদ্ভাবনের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো আরও সাশ্রয়ী, বহনযোগ্য এবং কার্যকর হয়ে উঠেছে।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য:

  • মাইক্রোপ্রসেসর: এই প্রজন্মের সবচেয়ে বড় উদ্ভাবন হলো মাইক্রোপ্রসেসর। মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ছোট চিপ, যা সিপিইউ (Central Processing Unit) এর সমস্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে।
  • ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC): প্রথম প্রজন্মের তুলনায় IC-এর মিনিaturization এবং উন্নত ডিজাইন চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারকে ছোট, শক্তিশালী এবং কার্যকর করেছে।
  • পার্সোনাল কম্পিউটার (PC): চতুর্থ প্রজন্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলো পার্সোনাল কম্পিউটারের (PC) উদ্ভাবন, যা সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য।
  • গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI): এই প্রজন্মে কম্পিউটারগুলোতে গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) এবং মাউস ব্যবহৃত হয়, যা কম্পিউটার ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ এবং ইন্টারেক্টিভ করে তোলে।
  • নেটওয়ার্কিং এবং ইন্টারনেট: চতুর্থ প্রজন্মে কম্পিউটারগুলোর মধ্যে নেটওয়ার্কিং এবং ইন্টারনেট প্রযুক্তির বিকাশ ঘটে, যা তথ্য বিনিময় এবং যোগাযোগের জন্য একটি বিপ্লবী পরিবর্তন আনে।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ:

Intel 4004 মাইক্রোপ্রসেসর:

  • ১৯৭১ সালে ইন্টেল কোম্পানি প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর (Intel 4004) তৈরি করে। এটি ছিল একটি ছোট চিপ, যা পূর্ণ সিপিইউ হিসাবে কাজ করতে পারত।
  • এর উদ্ভাবন চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সূচনা করে এবং এটি কম্পিউটার প্রযুক্তিতে এক বিপ্লব নিয়ে আসে।

IBM PC (Personal Computer):

  • ১৯৮১ সালে IBM প্রথমবারের মতো একটি বাণিজ্যিক পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) তৈরি করে, যা সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
  • এটি ব্যক্তিগত, অফিসিয়াল এবং শিক্ষামূলক কাজের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে।

Apple Macintosh:

  • ১৯৮৪ সালে অ্যাপল Macintosh কম্পিউটার উন্মোচন করে, যা প্রথমবারের মতো GUI (Graphical User Interface) এবং মাউসের সমন্বয় ব্যবহার করে।
  • এটি কম্পিউটার ব্যবহারকে আরও সহজ এবং ইন্টারেক্টিভ করে তোলে এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে কম্পিউটারকে জনপ্রিয় করে তোলে।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সুবিধা:

  • ছোট এবং বহনযোগ্য: মাইক্রোপ্রসেসর এবং উন্নত IC-এর ব্যবহার কম্পিউটারগুলোকে ছোট, হালকা এবং বহনযোগ্য করে তুলেছে।
  • দ্রুত এবং শক্তিশালী: চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো খুব দ্রুতগতি সম্পন্ন এবং শক্তিশালী। তারা জটিল গাণিতিক কাজ, ডেটা বিশ্লেষণ, এবং গ্রাফিকাল প্রসেসিং দ্রুততার সঙ্গে করতে পারে।
  • সাশ্রয়ী: চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য, যার ফলে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়ে।
  • নেটওয়ার্কিং এবং ইন্টারনেট: এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো ইন্টারনেট এবং নেটওয়ার্কিং ক্ষমতা সমন্বিত, যা বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ এবং তথ্য বিনিময়কে সহজ করে তুলেছে।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা:

  • সফটওয়্যার নির্ভরতা: চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ে, যার কারণে সফটওয়্যার সমস্যা বা ভাইরাসের আক্রমণের কারণে সিস্টেম ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে।
  • উচ্চ তাপ উৎপাদন: মাইক্রোপ্রসেসর এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন IC-এর কারণে কম্পিউটারগুলো উচ্চ তাপ উৎপন্ন করে, যা কুলিং ব্যবস্থার প্রয়োজন সৃষ্টি করে।
  • সাইবার সিকিউরিটি ঝুঁকি: নেটওয়ার্কিং এবং ইন্টারনেটের বিস্তারের কারণে সাইবার সিকিউরিটির ঝুঁকি বাড়ে, এবং তথ্য চুরি বা সাইবার হামলার সমস্যা দেখা দেয়।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের গুরুত্ব:

  • বৈপ্লবিক পরিবর্তন: চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে এবং সাধারণ মানুষকে কম্পিউটারের ব্যবহারের সুবিধা দেয়।
  • বাণিজ্যিক এবং বৈজ্ঞানিক উন্নয়ন: চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো ব্যবসা, বিজ্ঞান, শিক্ষা, এবং বিনোদনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
  • ডিজিটাল যুগের সূচনা: এই প্রজন্মের কম্পিউটারের মাধ্যমে ডিজিটাল যুগের সূচনা হয়, যা আমাদের জীবন এবং কাজের পদ্ধতিকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে।

সারসংক্ষেপ:

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার হলো কম্পিউটিং প্রযুক্তির একটি উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন। মাইক্রোপ্রসেসরের উদ্ভাবন এবং ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের মিনিaturization চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোকে ছোট, দ্রুত, এবং সাশ্রয়ী করে তুলেছে। এটি আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তির ভিত্তি তৈরি করেছে এবং ডিজিটাল যুগের সূচনা করেছে, যা এখনও বর্তমান সময়ে ব্যবহারিত হচ্ছে এবং প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটাচ্ছে।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই