In which of the following generations of computer, IC chips were used first?

Updated: 5 months ago
  • Second
  • Third
  • Fourth
  • Fifth
  • None of these
1.2k
ব্যাখ্যাঃ

কম্পিউটারের তৃতীয় প্রজন্মে (Third Generation) প্রথম ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (Integrated Circuit বা IC) চিপ ব্যবহার করা হয়। IC চিপ ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার অনেক ছোট, দ্রুত এবং আরও নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠে।

বিভিন্ন প্রজন্মের কম্পিউটার এবং সেগুলোর প্রধান প্রযুক্তিগুলো নিম্নরূপ:

        
  • প্রথম প্রজন্ম (First Generation): এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে প্রধানত ভ্যাকিউম টিউব (Vacuum Tubes) ব্যবহার করা হতো। উদাহরণ: ENIAC, EDVAC।
  •     
  • দ্বিতীয় প্রজন্ম (Second Generation): এই প্রজন্মে ট্রানজিস্টর (Transistors) ব্যবহার শুরু হয়, যা ভ্যাকিউম টিউবের চেয়ে ছোট, দ্রুত এবং কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী ছিল।
  •     
  • তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation): এই প্রজন্মে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC chips) ব্যবহার করা হয়। একটি IC চিপে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রোধক (resistors) এবং ক্যাপাসিটর (capacitors) একত্রিত করা হতো। এটি কম্পিউটারের গতি এবং দক্ষতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। উদাহরণ: IBM-360 সিরিজ।
  •     
  • চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation): এই প্রজন্মে মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessors) এবং ভেরি লার্জ স্কেল ইন্টিগ্রেশন (VLSI - Very Large Scale Integration) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। একটি একক চিপে হাজার হাজার IC একত্রিত করা সম্ভব হয়। এর ফলে ব্যক্তিগত কম্পিউটার (Personal Computer) এবং গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) জনপ্রিয় হয়।
  •     
  • পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation): এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence), প্যারালাল প্রসেসিং (Parallel Processing) এবং আল্ট্রা লার্জ স্কেল ইন্টিগ্রেশন (ULSI - Ultra Large Scale Integration) প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি। এগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স এবং প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণে সক্ষম।

সুতরাং, ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট চিপ প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago

তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (Third Generation of Computers) প্রায় ১৯৬৫ থেকে ১৯৭০ সালের মধ্যে ব্যবহৃত হয়েছিল। এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলিতে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ব্যবহার করা শুরু হয়, যা কম্পিউটারের আকার ও বিদ্যুৎ খরচ কমিয়ে আনে এবং এর কার্যক্ষমতা ও গতি অনেক বৃদ্ধি করে। ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহার কম্পিউটার শিল্পে বিপ্লব ঘটায় এবং আধুনিক কম্পিউটারের ভিত্তি স্থাপন করে।

তৃতীয় প্রজন্মের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ব্যবহার:

  • তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ট্রানজিস্টরের পরিবর্তে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ব্যবহার করা হয়, যা ছোট সিলিকন চিপে হাজার হাজার ট্রানজিস্টর যুক্ত করে।
  • IC-এর ব্যবহার কম্পিউটারের আকার ও বিদ্যুৎ খরচ কমিয়ে দেয় এবং কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

কম্পিউটারের আকার ছোট হওয়া:

  • এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো পূর্ববর্তী প্রজন্মের তুলনায় অনেক ছোট এবং হালকা ছিল, ফলে এগুলি সহজেই ইনস্টল এবং ব্যবহার করা সম্ভব ছিল।

উন্নত অপারেটিং সিস্টেম:

  • তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে উন্নত অপারেটিং সিস্টেম (OS) ব্যবহৃত হয়, যা মাল্টি-প্রোগ্রামিং এবং মাল্টি-টাস্কিং সুবিধা প্রদান করে।
  • কম্পিউটার একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে চালাতে এবং বিভিন্ন ব্যবহারকারীকে সমর্থন করতে সক্ষম হয়েছিল।

উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা:

  • এই প্রজন্মে FORTRAN, COBOL, এবং BASIC এর মতো উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা হতো, যা প্রোগ্রামিংকে আরও সহজ এবং কার্যকর করত।
  • কম্পিউটার প্রোগ্রামিং সহজ হওয়ার কারণে এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে প্রোগ্রামিং করা আগের চেয়ে আরও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

ব্যবহারের সহজতা এবং কার্যকারিতা:

  • তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আরও নির্ভুল এবং দ্রুত ছিল। IC-এর ব্যবহার কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা এবং নির্ভুলতা বৃদ্ধি করে।
  • কম বিদ্যুৎ খরচের কারণে এগুলির ব্যবহার আরও কার্যকর হয়ে ওঠে, এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ পূর্ববর্তী প্রজন্মের তুলনায় সহজ ছিল।

তৃতীয় প্রজন্মের উদাহরণ:

  • IBM System/360: এটি তৃতীয় প্রজন্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এটি ছিল প্রথম কম্পিউটার যা বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তার জন্য বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারত এবং বিভিন্ন মডেল হিসেবে উপলব্ধ ছিল।
  • Honeywell 6000 series এবং PDP-8: এই কম্পিউটারগুলোও তৃতীয় প্রজন্মের আইসির ভিত্তিতে তৈরি এবং কার্যকরভাবে বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হতো।

তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের গুরুত্ব:

  • মাল্টি-প্রোগ্রামিং ও মাল্টি-টাস্কিং: কম্পিউটারে একসঙ্গে একাধিক প্রোগ্রাম চালানো এবং বিভিন্ন ব্যবহারকারীকে সাপোর্ট দেওয়ার ক্ষমতা তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলির গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল।
  • বাণিজ্যিক ব্যবহার: এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলির আকার ছোট হওয়ার কারণে, এগুলি ব্যবসা, শিক্ষা, এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
  • উন্নত প্রোগ্রামিং সুবিধা: উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহারের ফলে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট আরও সহজ এবং কার্যকর হয়ে ওঠে, যা পরবর্তী সময়ে সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রির বিকাশে সহায়ক হয়।

তৃতীয় প্রজন্মের সীমাবদ্ধতা:

  • যদিও তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে IC ব্যবহারের কারণে আকার ও বিদ্যুৎ খরচ কমেছিল, কিন্তু সেই সময়ে প্রযুক্তিগতভাবে আরও ছোট আকারের IC তৈরি করা চ্যালেঞ্জিং ছিল।
  • উন্নত অপারেটিং সিস্টেম থাকা সত্ত্বেও, কিছু জটিল কাজের জন্য এটির ক্ষমতা সীমিত ছিল।

সারসংক্ষেপ:

তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো কম্পিউটার প্রযুক্তির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, কারণ এতে IC-এর ব্যবহার কম্পিউটারের আকার, কর্মক্ষমতা, এবং কার্যকারিতার ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন এনেছিল। এই প্রজন্মের প্রযুক্তি পরবর্তীতে আরও উন্নত চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই