The meander pattern of a river is developed by -------.

Updated: 1 year ago
  • dominant discharge
  • maximum discharge
  • critical discharge
  • average discharge
  • None
867
ব্যাখ্যাঃ

নদীর আঁকাবাঁকা গতিপথকে মিয়ান্ডার (Meander) বলে। এটি নদীর ক্ষয় এবং সঞ্চয় (erosion and deposition) প্রক্রিয়ার ফল।

একটি নদীর মিয়ান্ডার প্যাটার্ন মূলত এর প্রভাবশালী প্রবাহ (dominant discharge) দ্বারা বিকশিত হয়। প্রভাবশালী প্রবাহ বলতে সেই জলপ্রবাহকে বোঝায় যা দীর্ঘ সময় ধরে নদীর নাব্য চ্যানেল (alluvial channel) গঠন ও পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এটি সাধারণত গড় বার্ষিক বন্যার প্রবাহের কাছাকাছি থাকে, যা প্রায়শই ব্যাঙ্কফুল ডিসচার্জ (bankfull discharge) নামে পরিচিত। এই প্রবাহের শক্তি নদীর পার্শ্বীয় ক্ষয় (lateral erosion) এবং পলল সঞ্চয়কে (sediment deposition) নিয়ন্ত্রণ করে, যার ফলে নদীর বাঁকগুলো গঠিত হয় এবং সময়ের সাথে সাথে প্রসারিত হতে থাকে।

        
  • নদীর বাঁকের বাইরের দিকে (concave bank) জলপ্রবাহের গতি বেশি থাকে, ফলে এখানে ক্ষয় হয়।
  •     
  • বাঁকের ভেতরের দিকে (convex bank) জলপ্রবাহের গতি কম থাকে, ফলে এখানে পলল জমা হয়।
  •     
  • এই ক্ষয় ও সঞ্চয় প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকায় বাঁকগুলো আরও তীক্ষ্ণ ও প্রসারিত হতে থাকে, যা মিয়ান্ডার প্যাটার্ন তৈরি করে।

অন্যান্য বিকল্পসমূহ:

        
  • সর্বোচ্চ প্রবাহ (maximum discharge): এটি হঠাৎ বন্যার সময়কার সর্বোচ্চ প্রবাহকে বোঝায়, যা স্বল্পমেয়াদী পরিবর্তন ঘটাতে পারে কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী মিয়ান্ডার প্যাটার্ন গঠনে প্রভাবশালী প্রবাহের মতো কার্যকর নয়।
  •     
  • সংকটপূর্ণ প্রবাহ (critical discharge): এটি সেই প্রবাহ যেখানে পলল নড়াচড়া শুরু হয়। এটি মিয়ান্ডার গঠনের একটি অংশ হলেও, পুরো প্যাটার্ন বিকাশের প্রধান চালিকাশক্তি নয়।
  •     
  • গড় প্রবাহ (average discharge): এটি নদীর সাধারণ প্রবাহ, যা চ্যানেল গঠনে একটি ভূমিকা রাখলেও, প্রভাবশালী প্রবাহের মতো ভূতাত্ত্বিক কার্যকারিতা (geomorphic effectiveness) নেই।
  • পৃথিবীর প্রাচীনতম শিলা- আগ্নেয়শিলা।
  • পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  • ভূত্বকে শতকরা লোহার পরিমাণ থাকে- ৫ ভাগ।
  • শারদীয় বিষুব বলা হয়- ২৩ সেপ্টেম্বরকে।
  • কয়লা রূপান্তরিত হয়ে পরিণত হয়- গ্রাফাইটে।
  • ভূত্বকের গড় গভীরতা- ১৭-৪৮ কিলোমিটার।
  • চুনা পাথরের পরিবর্তিত রূপ হলো- মার্বেল ।
  • রূপান্তরিত শিলার অপর নাম- পরিবর্তিত শিলা।
  • জিপসাম শিলার উদাহরণ হলো- পাললিক শিলা ।
  • ভিসুভিয়াস একটি- সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।
  • কানাডার প্রেইরি অঞ্চল একটি- হিমবাহ সমভূমি।
  • হিমালয় হলো এক ধরনের- ভঙ্গিল পর্বত।
  • জোয়ার-ভাটার তেজকটাল হয় অমাবস্যায়।
  • সাইবেরিয়ার সমভূমি- ক্ষয়জাত সমভূমি।
  • সূর্যের দক্ষিণ অয়নান্ত ঘটে - ২২ ডিসেম্বর।
  • গ্রানাইট হলো- আগ্নেয় শিলা।
  • লৌহের ল্যাটিন নাম- ফেরাম।
  • উপত্যকার তলদেশকে বলা হয়- নদীগর্ভ ।
  • বায়ুতে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিকে বলা হয়- আর্দ্রতা।
  • হ্যালির ধুমকেতু সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল- ১৯৮৬ সালে।
  • সূর্যের মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর- ২৮ গুণ।
  • পৃথিবীর চেয়ে চাঁদে কোন জিনিসের ওজন- ছয় ভাগের এক ভাগ ।
  • লাল গ্রহ বলা হয়- মঙ্গল গ্রহকে।
  • চাঁদ, পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যে অবস্থান করলে- সূর্যগ্রহণ হয়।
  • চন্দ্রগ্রহণ সৃষ্টি হয় পৃথিবী, সূর্য এবং চন্দ্রের মাঝখানে আসলে।
  • সৌরজগতের যে দুটি গ্রহের উপগ্রহ নেই- বুধ ও শুক্র।
  • আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা কোথায় অবস্থিত প্রশান্ত মহাসাগরে।
  • পৃথিবী নিজ অক্ষে আবর্তনের দিক পশ্চিম হতে পূর্ব।
  • দিবা রাত্রি সংগঠিত হয় -আহ্নিক গতির জন্য প্রতিপাদ স্থান দুটির মধ্যে সময়ের পার্থক্য ১২ ঘণ্টা।
  • ২২ ডিসেম্বর কুমেরু সূর্যের দিকে অক্ষাংশে ঝুঁকে থাকে ২৩.৫ ডিগ্রি দক্ষিণ ৷
  • স্থলবায়ু সাধারণত কখন শুরু হয়- ভোর বেলা ।
  • কর্কট ক্রান্তির মান কত- ২৩ উত্তর অক্ষাংশ ।
  • মকর ক্রান্তির মান কত- ২৩ দক্ষিণ অক্ষাংশ ।
  • শীতকালে ভিজা কাপড় দ্রুত শুকায়- বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকায়।
  • "ওজোন হোল বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে অবস্থিত- ট্রপোস্ফিয়ার।
  • কর্কটক্রান্তি রেখা কোন জেলার ওপর দিয়ে গেছে- রাঙ্গামাটি।
  • চাঁদ থেকে পৃথিবীতে আলো পৌছাতে কত সেকেন্ড সময় লাগে- ১.২৬ সে.।
  • ওজোন স্তরের ফাটলের জন্য মুখ্যত দায়ী গ্যাস ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
  • বিচূর্ণীভবন প্রক্রিয়ায়- শিলাকণা আলগা হয় এবং চূর্ণবিচূর্ণ হয়।
  • পৃথিবী এক মিনিটে কত ডিগ্রি আবর্তন করে- ৪ ডিগ্রি।
  • বাংলাদেশের কোন ভূমিরূপ সবচেয়ে প্রাচীন- টারশিয়ারী পাহাড়ি ভূমি।
  • শীল্ড আগ্নেয়গিরির উৎকৃষ্ট উদাহরণ- মনালোয়া।
  • সূর্যের আলো, পানি, পারমানবিক শক্তি তিনটি সম্পদ নবায়নযোগ্য
  • বিশ্বের বৃহত্তম গরান বনভূমি কোথায় অবস্থিত- বাংলাদেশে।
  • বাংলাদেশের কোন দ্বীপে টারশিয়ারী যুগের পাহাড় রয়েছে- মহেশখালী
  • শিল্প অবস্থান তত্ত্বের প্রথম প্রবক্তা- ওয়েবার।
  • গাঙ্গেয় বদ্বীপ একটি- সঞ্চয়জাত সমভূমি।
  • বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড় কখন হয়- মৌসুমী বায়ু প্রবাহের পূর্বে।
  • বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটির নাম- স্ট্রাটোমণ্ডল ।
  • সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়- ২১ জুন।
  • প্রমাণ সময় গ্রীনিচ সময় অপেক্ষা- ৬ ঘন্টা অগ্রবর্তী ।
  • দিবা-রাত্রির হ্রাস ও ঋতুর পরিবর্তন হয়- বার্ষিক গতির কারণে ।
  • অধিবর্ষ হয়- ৩৬৬ দিনে।
  • পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহের নাম- চাঁদ।
  • জীবাশ্ম দেখতে পাওয়া যায়- পাললিক শিলায় ।
  • স্থানীয় বায়ু নয়- টর্নেডো।
  • পৃথিবীর অভ্যন্তরে যে স্থানে কম্পনের উৎপত্তি হয় তার নাম- কেন্দ্র।
  • একটি নদীর দ্বারা অপর একটি নদী গ্রাস হলে তাকে বলা হয়- নদী গ্লাস।
  • ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী বায়ু উত্তর গোলার্ধে প্রবাহিত হয়- ডান দিকে বেঁকে।
  • সমুদ্রের যে অংশে জাহাজগুলো নিরাপদে আশ্রয় নেয় তাকে বলে- পোতাশ্রয়।
  • সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ- বৃহস্পতি ।
  • দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত্রি সবচেয়ে ছোট- ২২ ডিসেম্বর ।
  • বায়ু মণ্ডলের বিভিন্ন গ্যাসের মধ্যে প্রাধান্য সর্বাধিক- নাইট্রোজেন
  • JRCB-এর পূর্ণরূপ- Joint Rivers Commission Bangladesh
  • PSC- Production Sharing Contact. Grandmother of Science বলা হয় ভূগোলকে।
  • সূর্যে কোন গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশী হাইড্রোজেন গ্যাস (৭৩%), হিলিয়াম (২৫%)
  • বাংলাদেশ পরিবেশ বিষয়ক সংগঠনের নাম- BEME
  • BIWTC প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৫৮ সালে।
  • স্কাইল্যাব কি- মহাশূন্য স্টেশন ।
  • পানি কত তাপমাত্রায় বরফ হয়- ০ ডিগ্রি সে.।
  • জোয়ার-ভাটার কারণ চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে।
  • খনিজের কাঠিন্য মাপার যন্ত্রের নাম- মোহস।
  • সিমেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় কোয়ার্টজ।
  • পৃথিবীর কোন দেশ সবচেয়ে ভূমিকম্প প্রবণ জাপান ।
  • তরল সোনা কী- খনিজ তেল।
  • কাল বৈশাখী ঝড় কোন মাসে হয় মার্চ/এপ্রিল।
  • বাংলাদেশের কোথায় গন্ধক পাওয়া যায় কুতুবদিয়া দ্বীপে।
  • চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত কর্ণফুলী ।
  • কেন্দ্রমণ্ডলের প্রধান গঠন উপাদান লোহা ও নিকেল।
  • সূর্য হলো সৌরজগতের একটি- নক্ষত্র।
  • বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তরের নাম কী? - ট্রপোমণ্ডল।
  • ভূমিকম্পের কম্পনের বেগ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়- উপকেন্দ্রে।
  • ভূ-অভ্যন্তরের স্তরসমূহ হলো অশ্বমন্ডল, গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল ।
  • ভূমিকম্পের গতিপ্রকৃতি জানার জন্য ব্যবহৃত হয় সিসমোগ্রাফ
  • ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে ভাগ করা হয়েছে ৩টি শ্রেণিতে।
  • পৃথিবীর মোট আয়তনের প্রায় ৮২% কোন মন্ডল দ্বারা গঠিত গুরুমণ্ডল
  • কোন প্রক্রিয়ায় সাধারণত শিলার কোন অপসারণ নেই বিচুর্ণীভবন।
  • নিজ কক্ষপথে একবার ঘুরে আসতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৯ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট ।
  • সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট
  • উচ্চতা বৃদ্ধি পাবার সাথে তাপমাত্রা হ্রাস না পেয়ে বৃদ্ধি পেলে তাকে বলে- তাপমাত্রার উৎক্রম।
  • বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে আবহাওয়া ও জলবায়ুর ক্রিয়াকলাপ বিরাজ করে- ট্রপোস্ফিয়ার।
  • ১ : ২৫০০০ প্রতিভূ অনুপাত হলে ভূমির ১ কিমি মানচিত্রে কত সেমি প্রকাশ করে- ৪ সেমি. ।
  • 'পৃথিবী সূর্যের চতুর্দিকে ঘুরে এ মতবাদ প্রথম প্রদান করেন- কোপার্নিকাস।
  • পৃথিবীর নিজ অক্ষে সূর্যের চারদিকে একবার আবর্তনের কালকে বলে -সৌরবছর।পারমাণবিক খনিজ বাংলাদেশে পাওয়া গেছে কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায়। ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে কাল্পনিক রেখাটি বাংলদেশের ওপর দিয়ে গিয়েছে তা হলো কর্কটক্রান্তি রেখা।
  • নিজ কক্ষপথে পৃথিবীর একবার আবর্তন করতে সময় লাগে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড।
  • দক্ষিণ গোলার্ধে নিম্নচাপকে কেন্দ্র করে বাতাস কোন দিকে প্রবাহিত হয়- ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।
  • কোনটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন দ্বীপ- মহেশখালী।
  • মানচিত্রে ক্ষুদ্রতম অংশ মাপার জন্য কোন মাপনী ব্যবহৃত হয়-কৰ্ণ মাপনী ।
  • উপক্রান্তীয় অঞ্চল বলতে কী বুঝায়- উত্তর গোলার্ধের ২৩.৫ ডিগ্রি থেকে ৩৫ ডিগ্রি পর্যন্ত
  • আবহাওয়ার উপাদান: বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা, বায়ুর গতি, বায়ুর চাপ, বায়ুর দিক, বায়ুর আর্দ্রতা, মেঘমালা, সূর্যালোক ।
  • জলবায়ুর উপাদান: সৌর বিকিরন, বায়ুপুঞ্জ, সমুদ্রস্রোত, ভূমিবন্ধুরতা, অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, ভূমির ঢাল, সমুদ্রস্রোত।

Related Question

View All
Updated: 4 weeks ago
  • ২১ মার্চ
  • ২১ জুন
  • ২৩ সেপ্টেম্বর
  • ২২ ডিসেম্বর
78
  • সামাজিক
  • মৃত্তিকা
  • অর্থনৈতিক
  • সাংস্কৃতিক
200
Updated: 6 months ago
  • মসকনি
  • ইরাটেসফিনিস
  • অ্যাকারাস্যান
  • সিসি পার্ক
143
Updated: 6 months ago
  • টাইফুন
  • হ্যারিকেন
  • টর্নেডো
  • সাইমুম
132
  • মানচিত্রে স্কেল থাকে, স্কেচে স্কেল থাকে না
  • মানচিত্রে ফেল থাকে না, স্কেচে স্কেল থাকে
  • উভয়ের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই
  • মানচিত্রে বড় স্কেল ও স্কেচে ছোট স্কেল থাকে
113
Updated: 4 months ago
  • ২৪.৭ একর (প্রায়)
  • ৪.২৭ একর (প্রায়)
  • ৭.২৪ একর (প্রায়)
  • ২.৪৭ একর (প্রায়)
305
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই