What type of fuel is coal?
What type of fuel is coal?
-
ক
Renewable
-
খ
Biofuel
-
গ
Fossil Fuel
-
ঘ
Natural Gas
সঠিক উত্তর হলো: C. Fossil Fuel.
কয়লা হলো একটি প্রাচীন জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel)। কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীর গভীর স্তরে চাপা পড়া গাছপালা এবং বনাঞ্চল প্রচণ্ড তাপ ও চাপের ফলে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কয়লায় রূপান্তরিত হয়েছে। এটি একটি অপুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি উৎস, কারণ একবার ব্যবহার হয়ে গেলে এটি পুনরায় তৈরি হতে আরও লক্ষ লক্ষ বছর সময় লাগে। বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প কারখানায় তাপশক্তি তৈরির প্রধান উৎস হিসেবে বিশ্বজুড়ে কয়লার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলোর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, নবায়নযোগ্য জ্বালানি (Renewable Energy) হলো সৌরশক্তি বা বায়ুশক্তির মতো উৎস যা কখনোই শেষ হয় না। বায়োফুয়েল (Biofuel) তৈরি হয় বর্তমান সময়ের উদ্ভিদ বা প্রাণিজ বর্জ্য থেকে, যেমন ইথানল বা বায়োডিজেল। অন্যদিকে, প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural Gas) নিজেও একটি জীবাশ্ম জ্বালানি হলেও এটি গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে, যেখানে কয়লা একটি কঠিন পদার্থ। কার্বন উপাদানের আধিক্যের কারণে কয়লা পোড়ালে প্রচুর পরিমাণে শক্তি নির্গত হয়, তবে এটি পরিবেশ দূষণ এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের জন্যও অন্যতম দায়ী।
খনিজ সম্পদ
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, চুনাপাথর ও চীনা মাটি |
- জিরকন, ম্যাগনেটাইট, মোনাজাইট, ইলমেনাইট ও লিউকক্সেন রাসায়নিক মৌল পাওয়া গেছে।
- পারমাণবিক খনিজ (ইউরেনিয়াম) পাওয়া গেছে কুতুবদিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত এবং কুলাউড়া পাহাড়ের পাদদেশে।
- Production Sharing Contract (PSC) প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধানের চূড়ান্ত উৎপাদন, বণ্টন ও চুক্তিকারী প্রতিষ্ঠান ।
- ভূতাত্ত্বিক কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর।
- BAPEX এর পূর্ণরূপ হচ্ছে-Bangladesh Petroleum Exploration & Production Company Ltd.
প্রাকৃতিক গ্যাস
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়- ১৯৫৫ সালে, সিলেটের হরিপুরে।
- গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে, সিলেটের হরিপুর গ্যাস ক্ষেত্র হতে।
- বাংলাদেশে মোট গ্যাসক্ষেত্র আছে ২৯টি।
- বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র-তিতাস গ্যাসক্ষেত্র (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)।
- সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে।
- উৎপাদন স্থগিত এমন গ্যাসক্ষেত্র কামতা, ছাতক, সাঙ্গু, ফেনী এবং রূপগঞ্জ ।
- সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র ইলিশা-১ (২৯তম) সিলেট।
- গ্যাস-তেল অনুসন্ধানের মোট ব্লক রয়েছে স্থল ভাগে ২২ টি এবং সমুদ্র উপকূলে রয়েছে- ২৬টি।
- সমুদ্র উপকূলে গ্যাসক্ষেত্র- ২ টি। সাঙ্গু এবং কুতুবদিয়া ।
তেল
- দেশে তেল অনুসন্ধানের কাজ শুরু হয় ১৯৫৯ সালে ।
- সর্বপ্রথম তেল ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় সিলেটের হরিপুরে ১৯৮৬ সালে ।
- হরিপুর তেল ক্ষেত্র থেকে উত্তোলন শুরু হয় ১৯৮৭ সালের জানুয়ারি মাসে (বন্ধ হয় ১৯৯৪সালে)।
- হরিপুর ছাড়াও তেল পাওয়া গেছে কৈলাশটিলায় ।
চীনা মাটি
- চীনা মাটির সন্ধান পাওয়া গেছে নেত্রকোনার বিজয়পুর, দিনাজপুরের মধ্যপাড়া এবং নওগাঁর পত্নীতলা ।
চুনাপাথর
- চুনাপাথরের সন্ধান পাওয়া গেছে সিলেটের টেকেরঘাট, লালঘাট ও ভাঙ্গারহাট, জয়পুরহাট এবং নওগাঁ জেলা।
কয়লা খনি
- দেশের যে জেলায় কয়লা মজুদ আছে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া, ফুলবাড়ি ও দিঘিপাড়া, জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ ।
তেজস্ক্রিয় বালু
- তেজস্ক্রিয় বালুর সন্ধান পাওয়া গেছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে।
Related Question
View All-
ক
হীরক
-
খ
প্রাকৃতিক গ্যাস
-
গ
কয়লা
-
ঘ
পেট্রোল
-
ক
ঢাকা
-
খ
সিলেট
-
গ
দিনাজপুর
-
ঘ
রাঙ্গামাটি
-
ক
রাশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া
-
খ
ভেনিজুয়েলা ও অস্ট্রেলিয়া ও ভেনিজুয়েলা
-
গ
অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া
-
ঘ
রাশিয়া ও কানাডা
-
ক
চুনাপাথর
-
খ
কয়লা
-
গ
চিনামাটি
-
ঘ
তামা
-
ক
রানীগঞ্জে
-
খ
বিজয়পুরে
-
গ
জামালগঞ্জে
-
ঘ
জকিগঞ্জে
-
ক
সাইট্রিক এসিড
-
খ
নাইট্রিক এসিড
-
গ
হাইড্রোক্লোরিক এসিড
-
ঘ
টারটারিক এসিড
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন