Which of the following application software can be used for real life conversation or teleconferencing over internet?

Updated: 1 month ago
  • SPSS
  • Skype
  • Adobe Acrobat
  • Both a and b
  • None of these
689
উত্তরঃ

Web conferencing is used as an umbrella term for various types of online conferencing and collaborative services including webinars (web seminars), webcasts, and web meetings. Sometimes it may be used also in the more narrow sense of the peer - level web meeting context, in an attempt to disambiguate it from the other types known as collaborative sessions.

The terminology related to these technologies is exact and agreed relying on the standards for web conferencing but specific organizations practices in usage exist to provide also term usage reference.

টেলিকনফারেন্সিং (Teleconferencing) হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা দূরবর্তী স্থানে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে একযোগে অডিও বা ভিডিওর মাধ্যমে যোগাযোগ এবং মিটিং পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এটি ইন্টারনেট এবং টেলিকমিউনিকেশন টেকনোলজির মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একাধিক স্থানে থাকা ব্যক্তিদের একটি ভার্চুয়াল মিটিং রুমে যুক্ত করে। টেলিকনফারেন্সিং সাধারণত ব্যবসায়িক মিটিং, শিক্ষা, চিকিৎসা, এবং সেমিনারের জন্য ব্যবহৃত হয়।

টেলিকনফারেন্সিংয়ের প্রকারভেদ:

১. অডিও কনফারেন্সিং (Audio Conferencing):

  • অডিও কনফারেন্সিং হলো এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে বিভিন্ন স্থানে থাকা মানুষ ফোন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে একসঙ্গে অডিও কলে সংযুক্ত থাকে। এটি সাধারণত কনফারেন্স কল বা টেলিকল হিসেবে পরিচিত।
  • অডিও কনফারেন্সিংয়ে অংশগ্রহণকারীরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলতে পারে এবং মিটিং পরিচালনা করতে পারে।

২. ভিডিও কনফারেন্সিং (Video Conferencing):

  • ভিডিও কনফারেন্সিং হলো এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে অডিওর পাশাপাশি ভিডিওর মাধ্যমে দূরবর্তী ব্যক্তিরা একে অপরকে দেখতে পারে এবং মিটিং করতে পারে। এটি একটি ভার্চুয়াল মিটিংয়ের মতো, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা তাদের ক্যামেরা এবং মাইক্রোফোন ব্যবহার করে সংযুক্ত হয়।
  • ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে Zoom, Microsoft Teams, Google Meet, এবং Skype জনপ্রিয়।

৩. ওয়েব কনফারেন্সিং (Web Conferencing):

  • ওয়েব কনফারেন্সিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভিডিও, অডিও, এবং টেক্সট ব্যবহার করে কনফারেন্স পরিচালনা করা। এটি সাধারণত স্ক্রিন শেয়ারিং, প্রেজেন্টেশন, এবং চ্যাটের মাধ্যমে ইন্টারেক্টিভ মিটিং পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
  • ওয়েব কনফারেন্সিং প্ল্যাটফর্ম যেমন WebEx, Zoom, এবং Microsoft Teams ব্যবহার করে ওয়েব সেমিনার বা ওয়েবিনার, এবং দলীয় মিটিং পরিচালনা করা যায়।

টেলিকনফারেন্সিংয়ের সুবিধা:

১. দূরত্বের বাধা দূর:

  • টেলিকনফারেন্সিং ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে মানুষ সংযুক্ত হতে পারে এবং একই মিটিংয়ে অংশ নিতে পারে। এটি ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেয় এবং সময় সাশ্রয় করে।

২. ব্যয় সাশ্রয়ী:

  • টেলিকনফারেন্সিংয়ে ভ্রমণের খরচ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যয় কমে যায়, যা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য খরচ কমাতে সহায়ক।

৩. সহজ এবং দ্রুত মিটিং আয়োজন:

  • টেলিকনফারেন্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে মিটিং আয়োজন করা সহজ, এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বড় দলকে একত্রিত করা যায়।

৪. রেকর্ডিং এবং ডকুমেন্টেশন:

  • ভিডিও এবং অডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যারে মিটিং রেকর্ড করার সুবিধা থাকে, যা পরবর্তীতে মিটিং রিভিউ বা ডকুমেন্টেশনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

৫. ইন্টারেক্টিভ এবং ইফেক্টিভ মিটিং:

  • ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে ভিজ্যুয়াল ইন্টারেকশনের মাধ্যমে মিটিং আরও ইন্টারেক্টিভ এবং কার্যকর হয়। এতে স্ক্রিন শেয়ারিং, চ্যাট, এবং প্রেজেন্টেশন ব্যবহার করে মিটিংয়ের মান বাড়ানো যায়।

টেলিকনফারেন্সিংয়ের সীমাবদ্ধতা:

১. ইন্টারনেট এবং প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা:

  • টেলিকনফারেন্সিং সম্পূর্ণরূপে ইন্টারনেট এবং টেকনোলজির ওপর নির্ভরশীল। যেখানে ইন্টারনেট কানেকশন দুর্বল বা নেই, সেখানে টেলিকনফারেন্সিং কার্যকর নয়।

২. প্রাইভেসি এবং নিরাপত্তার ঝুঁকি:

  • টেলিকনফারেন্সিং প্ল্যাটফর্মে ডেটা নিরাপত্তা এবং প্রাইভেসি রক্ষা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। হ্যাকিং বা অননুমোদিত অ্যাক্সেসের ঝুঁকি থাকে, বিশেষ করে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে।

৩. প্রযুক্তিগত সমস্যা:

  • অডিও বা ভিডিও ল্যাগ, ইন্টারনেট ড্রপ, বা সফটওয়্যারের সমস্যা মিটিংয়ের গুণমান হ্রাস করতে পারে এবং মিটিং কার্যকর করতে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

৪. সরাসরি মিথস্ক্রিয়া হ্রাস:

  • টেলিকনফারেন্সিংয়ে সরাসরি শারীরিক উপস্থিতির অভাব থাকে, যা মুখোমুখি মিটিংয়ের মতো মিথস্ক্রিয়া বা সংযোগ স্থাপন করতে কিছুটা সমস্যা তৈরি করতে পারে।

টেলিকনফারেন্সিংয়ের ব্যবহার:

১. ব্যবসায়িক মিটিং:

  • টেলিকনফারেন্সিং ব্যবহার করে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো দূরবর্তী দল বা অফিসগুলোর মধ্যে মিটিং এবং আলোচনা করতে পারে।

২. শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ:

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো ই-লার্নিং এবং অনলাইন ক্লাস পরিচালনার জন্য টেলিকনফারেন্সিং ব্যবহার করে।

৩. চিকিৎসা (টেলিমেডিসিন):

  • টেলিমেডিসিন ব্যবহার করে ডাক্তার এবং রোগীদের মধ্যে দূরবর্তী স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা যায়, যেখানে ডাক্তাররা ভিডিও কলের মাধ্যমে রোগীদের পরামর্শ দেয়।

৪. ওয়েবিনার এবং সেমিনার:

  • ওয়েবিনার এবং অনলাইন সেমিনার আয়োজন করতে টেলিকনফারেন্সিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়, যা দর্শকদের জন্য ইন্টারেক্টিভ সেশনের সুযোগ প্রদান করে।

সারসংক্ষেপ:

টেলিকনফারেন্সিং হলো একটি প্রযুক্তি যা ইন্টারনেট এবং টেলিকমিউনিকেশনের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে থাকা মানুষের মধ্যে অডিও এবং ভিডিও যোগাযোগ সহজ করে। এটি ব্যবসায়িক মিটিং, অনলাইন শিক্ষা, টেলিমেডিসিন, এবং ওয়েবিনার আয়োজনের জন্য কার্যকর। এটি ব্যয় সাশ্রয়ী এবং দূরত্বের বাধা দূর করতে সক্ষম হলেও, এটি প্রযুক্তিগত সমস্যা, নিরাপত্তা ঝুঁকি, এবং সরাসরি মিথস্ক্রিয়ার অভাবের কারণে কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই