Who were known as"Bargi" in Bengal history?

Updated: 3 weeks ago
  • Pathans
  • Portguese
  • Arakanese
  • Marathas
1k
ব্যাখ্যাঃ

বাংলার ইতিহাসে বর্গী নামে পরিচিত ছিল মারাঠারা

১৭শ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে ১৮শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে মারাঠা অশ্বারোহী সৈন্যরা বাংলা, বিহার এবং উড়িষ্যায় বারবার আক্রমণ চালিয়েছিল। এই মারাঠা দস্যুদেরই 'বর্গী' বলা হতো। বিশেষ করে বাংলার নবাব আলীবর্দি খানের শাসনামলে (১৭৪০-১৭৫৬) বর্গীদের আক্রমণ ব্যাপকতা লাভ করে। তাদের আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য ছিল ধনসম্পদ লুণ্ঠন এবং 'চৌথ' (মারাঠাদের দাবি করা এক ধরনের কর) আদায় করা। বর্গীদের আক্রমণে বাংলার অর্থনীতি ও জনজীবন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।


        
  • পাঠানরা: তারা মূলত আফগান বংশোদ্ভূত মুসলিম শাসক ও যোদ্ধা ছিলেন, যারা দিল্লি সুলতানি ও বাংলা সালতানাতের সময় বিভিন্ন অঞ্চলের শাসনকর্তা বা সৈনিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তারা বর্গী নামে পরিচিত ছিলেন না।
  •     
  • পর্তুগিজরা: এরা ছিল ইউরোপীয় বণিক ও জলদস্যু, যারা ১৫শ শতাব্দীর শেষ দিক থেকে বাংলায় আগমন করে বাণিজ্য ও কিছু ক্ষেত্রে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল। তারা 'ফিরিঙ্গি' নামে পরিচিত ছিল, 'বর্গী' নামে নয়।
  •     
  • আরাকানিরা: বর্তমান মায়ানমারের আরাকান অঞ্চল থেকে আসা এই জনগোষ্ঠী মূলত জলদস্যুতার জন্য পরিচিত ছিল এবং প্রায়শই পর্তুগিজ জলদস্যুদের সাথে মিলে বাংলার উপকূলীয় অঞ্চলে হামলা চালাতো। তাদের 'মগ' বা 'মগ জলদস্যু' বলা হতো, 'বর্গী' নয়।

বাংলার ইতিহাসের পট পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নবাবি আমলের গুরুত্ব সর্বাধিক। মুর্শিকুলি খানের শাসন কাঠামোয় আবির্ভাব থেকে শুরু করে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যে বদল এসেছিল তারই ধারাবাহিক পরিণতি হিসেবে ব্রিটিশরা ক্ষমতা দখল করেছিল বাংলার। অনেক দরিদ্র পরিবারের সন্তান মুর্শিদকুলি খান প্রথমে সাধারণ একজন দিউয়ান হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। নানা স্থানে দিউয়ানীর কাজে তাঁর অভিজ্ঞতা সম্রাট আওরঙ্গজেবকে সন্তুষ্ট করতে পেরেছিল। আওরঙ্গজেব তাঁকে হায়দারাবাদের দিওয়ান নিযুক্ত করার পর তাঁকে "করতলব খান" উপাধিও প্রদান করা হয়। অভিজ্ঞতা ও কর্ম নৈপুণ্যে সন্তুষ্ট হয়ে আওরঙ্গজেব মুর্শিদকুলি খানকে বাংলার অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও রাজস্ব সংস্কারের দায়িত্ব প্রদান করেছিলেন। বলতে গেলে তার মাধ্যমেই বাংলায় নবাবি শাসনের উত্থান হয়েছিল। তারপর পরবর্তীকালের শাসকদের অদূরদর্শীতা, অদক্ষতা ও বিশৃঙ্খল আচরণ শেষ পর্যন্ত নবাবি শাসনের পতন ডেকে আনে।

বাংলার নবাবী আমল বলতে মূলত ১৭০৭-১৭৫৭ খ্রিঃ পর্যন্ত সময়কে বোঝায়, যা মুঘল সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে বাংলার সুবাহদারদের (প্রাদেশিক শাসক) ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রায় স্বাধীনভাবে শাসন করাকে নির্দেশ করে; মুর্শিদকুলী খান এর সূচনা করেন, এবং এই আমলের শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা, যিনি পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হলে নবাবী শাসনের কার্যত অবসান ঘটে এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা পায়।

  • মুর্শিদ কুলি খান (১৭১৭-১৭২৭)
  • আলীবর্দি খান (১৭৪০-১৭৫৬)
  • অন্ধকূপ হত্যা-১৭৫৬
  • সিরাজউদ্দৌলা (১৭৫৬-১৭৫৭)
  • পলাশীর যুদ্ধ-১৭৫৭
  • বক্সারের যুদ্ধ-১৬৬৪
  • ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই