খাদ্য গ্রহণের সাথে পুষ্টির সম্পর্ক কীরূপ?
-
ক
অল্প
-
খ
অনুরূপ
-
গ
গভীর
-
ঘ
বিপরীত
খাদ্য গ্রহণের সাথে দেহের পুষ্টির সম্পর্ক গভীর। আমরা একটু লক্ষ করলে দেখতে পাই যে, মানুষ যদি বেশ কিছুদিন ঠিকমতো খাদ্য গ্রহণ করতে না পারে তা হলে তাদের শরীর ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকে, রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে যায়, শরীর বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়, মেধা শক্তি কমে যায়।

এক কথায় বলা যায় যে, অপুষ্টি দেখা যায় এবং এই অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। আবার প্রয়োজনের চাইতে বেশি খাদ্য গ্রহণ করলে অতিপুষ্টি দেখা যায়, যেমন- শরীরের ওজন বেশি বেড়ে যায়। বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। অন্যদিকে সঠিক পরিমাণে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের ফলে দেহের যথাযথ পুষ্টি অবস্থা বজায় থাকে।
যখন পর্যাপ্ত পরিমাণে ও দেহের চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য গ্রহণ করা হয় তখন দেহ কাজ করা ক্ষমতা লাভ করে, রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, সহজে রোগে আক্রান্ত হয় না, মেধার যথাযথ বিকাশ ঘটে দীর্ঘায়ু লাভ করা যায় ও দেহের স্বাভাবিক পুষ্টিগত অবস্থা বজায় থাকে।
| কাজ-১ খাদ্য বেশি খেলে অথবা কম গ্রহণ করলে তোমার কী কী সমস্যা হতে পারে তা লেখো। |
Related Question
View All-
ক
মনের
-
খ
স্বাস্থ্যের
-
গ
রোগের
-
ঘ
সুখের
-
ক
অপুষ্টি
-
খ
অতিপুষ্টি
-
গ
কৃশকায়
-
ঘ
স্বাভাবিক
-
ক
নিম্ন রক্তচাপ
-
খ
চর্মরোগ
-
গ
হৃদরোগ
-
ঘ
রক্তশূন্যতা
-
ক
অতিপুষ্টি
-
খ
পুষ্টি
-
গ
অপুষ্টি
-
ঘ
ওজনাধিক্য
-
ক
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়
-
খ
স্বাভাবিক পুষ্টিগত অবস্থা বজায় থাকে
-
গ
কর্মক্ষমতা হ্রাস-পায়
-
ঘ
ওজন হ্রাস পায়
-
ক
অধিক খাদ্য গ্রহণ করলে
-
খ
কম খাদ্য গ্রহণ করলে
-
গ
সঠিক পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ করলে
-
ঘ
না খেয়ে থাকলে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!