বাংলাদেশের প্রাচীনতম জনপদ কোনটি?
-
ক
মহাস্থানগড়
-
খ
পাহাড়পুর
-
গ
ময়নামতি
-
ঘ
উয়ারীবটেশ্বর
পুণ্ড্র জনপদের অবস্থান: বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর ও ভাগীরথী নদী হতে করতোয়া নদী পর্যন্ত।
পুণ্ড্র জনপদের বিশেষত্ব: প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও সর্বপ্রাচীন জনপদ। রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর, বর্তমান নাম মহাস্থানগড়। সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে পুণ্ড্র রাজ্যের স্বাধীন সত্তা বিলুপ্ত হয়। বাংলাদেশের প্রাচীন শিলালিপি (অশোক লিপি) পাওয়া যায় এই জনপদেই।
প্রাচীন যুগে বাংলা নামে কোনো অর্থও রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ছিলনা। মূলত, বাংলার যাত্রা শুরু হয় বিক্ষিপ্ত জনপদগুলোর মধ্য দিয়ে। গুপ্ত, পাল ও সেন প্রভৃতি আমলের উৎকীর্ণ শিলালিপি ও বিভিন্ন সাহিত্যগ্রন্থে প্রাচীন বাংলায় প্রায় ১৬টি জনপদের কথা জানা যায় (বাংলায় ছিল ১০টি)। জনপদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ হল পুত্র (পুণ্ড্রবর্ধন)। তবে প্রতিটি জনপদের সীমানা সবসময় একইরকম না থাকলেও প্রাচীন বাংলার চিরায়ত আবহ ধারন করে রেখেছে এই শত শত জনপদসমূহ।
বাংলার প্রাচীন জনপদ সমূহঃ
| প্রাচীন জনপদ | বর্তমান অঞ্চল |
| গৌড় | ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বর্ধমান ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ |
| বঙ্গ | ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, বগুড়া, পাবনা, ঢাকা, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা ও নোয়াখালীর কিছু অংশ এবং ময়মনসিংহের কিছু অংশ |
| পুণ্ড্র | বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চল |
| হরিকেল | সিলেট এবং চট্টগ্রামের অংশবিশেষ |
| সমতট | কুমিল্লা ও নোয়াখালী |
| বরেন্দ্র | বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী ও পাবনা |
| চন্দ্রদ্বীপ | বরিশাল |
| উত্তর রাঢ় | মুর্শিদাবাদের পশ্চিমাংশ, বীরভূম, বর্ধমান জেলার কাটোয়া |
| দক্ষিণ রাঢ় | বর্ধমানের দক্ষিণাংশ, হুগলি ও হাওড়া |
| তাম্রলিপ্ত | হরিকেলের দক্ষিণে বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুক |
Related Question
View All-
ক
পুন্ড্র
-
খ
গৌড়
-
গ
হরিকেল
-
ঘ
চট্টলা
-
ক
পুণ্ড্র
-
খ
তাম্রলিপি
-
গ
গৌড়
-
ঘ
হরিকেল
-
ক
মহাস্থানগড়
-
খ
পাহাড়পুর
-
গ
ময়নামতি
-
ঘ
উয়ারীবটেশ্বর
-
ক
পুন্ড্র
-
খ
তাম্রলিপি
-
গ
গৌড়
-
ঘ
হরিকেল
-
ক
পুণ্ড
-
খ
তাম্রলিপ্ত
-
গ
গৌঢ়
-
ঘ
হরিকেল
-
ক
মৌর্য
-
খ
গৌড়
-
গ
রাঢ়
-
ঘ
সমতট
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!