Academy

শতদল এন্টারপ্রাইজের ২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের অর্জিত মোট মুনাফা ১,২৮,০০০ টাকা। উক্ত তারিখে প্রতিষ্ঠানটির আংশিক রেওয়ামিল ও প্রয়োজনীয় সমন্বয়সমূহ নিম্নরূপ:

ক্রমিক নংহিসাবের নামখ: প্ৃ:ডেবিট টাকাক্রেডিট টাকা
উত্তোলন ও মূলধন ১০,০০০২,৮০,০০০
অফিস সরঞ্জাম ২,৪০,০০০
বেতন (৬ মাসের ৭২,০০০
প্রাপ্য নোট ও প্রদেয় নোট ২৫,০০০২৬,০০০
বাড়ি ভাড়া আয় ৬,০০০
পুঞ্জীভূত অবচয় (অফিস সরঞ্জাম) ১২,০০০
৮% বিনিয়োগ (১-১-২০১৬) ১,০০,০০০
কমিশন ৩,০০০২,০০০
বিনিয়োগের সুদ ৪,০০০
১০১০% বন্ধকী ঋণ (১-২-২০১৭) ১,২০,০০০
সর্বমোট ৪,৫০,০০০৪,৫০,০০০

সমন্বয়:
(১) সমাপনী মজুদ পণ্যের ক্রয়মূল্য ১,২৮,০০০ টাকা, কিন্তু বাজারমূল্য ২০,০০০ টাকা বেশি ।
(২) বাড়ি ভাড়া ২ বছরের জন্য পাওয়া গেছে ।
(৩) অফিস সরঞ্জামের ৭.৫% অবচয় ধরতে হবে।
(৪) কমিশন বাবদ ২,০০০ টাকা অনাদায়ী রয়েছে।

শতদল এন্টারপ্রাইজের ২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের বিশদ আয় বিবরণী প্রস্তুত কর ।

Created: 1 year ago | Updated: 1 year ago
Updated: 1 year ago

আর্থিক বিবরণী

প্রত্যেক ব্যবসায়ের নির্দিষ্ট সময়ান্তে আর্থিক অবস্থা জানার জন্য আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করা হয়। আর্থিক বিবরণীর দুটি প্রধান লক্ষ্য হলো : (১) একটি নির্দিষ্ট হিসাবকালের আর্থিক ফলাফল নির্ণয় করা এবং (২) একটি নির্দিষ্ট তারিখে প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদ, দায় ও মালিকানা স্বত্ব নিরূপণ করা। আর্থিক ফলাফল অর্থাৎ লাভ-ক্ষতি নির্ণয়ের জন্য যে বিবরণী প্রস্তুত করা হয়, তার নাম বিশদ আয় বিবরণী বা Statement of Comprehensive Income, আর সম্পদ ও দায় জানার জন্য যে বিবরণী প্রস্তুত করা, হয় তার নাম আর্থিক অবস্থার বিবরণী বা Statement of Financial Position, যা উদ্বৃত্তপত্র বা Balance Sheet নামে পরিচিত।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

  • মূলধন ও মুনাফা জাতীয় লেনদেনের পার্থক্য এবং আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতকরণে এই পার্থক্যের প্রয়োগ করতে পারব।
  • বিশদ আয় বিবরণী প্রস্তুত করতে পারব এবং তা থেকে লাভ-ক্ষতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আর্থিক অবস্থার বিবরণী প্রস্তুত করতে পারব এবং এ থেকে স্থায়ী ও চলতি সম্পদ এবং দীর্ঘমেয়াদি ও চলতি দায়ের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব ।
  • নগদ ও পণ্য উত্তোলন, নতুন মূলধন, নিট লাভ/ক্ষতি কীভাবে মূলধন হিসাবে পরিবর্তন আনে তা বুঝতে পারব।
  • কুঋণ এবং সন্দেহজনক কুঋণ সঞ্চিতির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে হিসাবভূক্ত করতে পারব।
  • সম্পদসমূহের অবচয়ের অর্থ, উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা বুঝে এর হিসাব রাখতে পারব এবং আর্থিক বিবরণীতে এর প্রয়োগ দেখাতে পারব।
  • ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থার মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব এবং মূল্যায়নের জন্য হিসাবসংক্রান্ত অনুপাতের অর্থ বুঝতে পারব।
  • হিসাবসংক্রান্ত অনুপাত যেমন বিক্রয়ের সাথে নিট মুনাফার হার, মূলধনের সাথে নিট মুনাফার হার এবং চলতি সম্পদ এবং চলতি দায়ের অনুপাত নির্ণয় ও বিশ্লেষণ করতে পারব ।
  • বিশদ আয় বিবরণী এবং দুই বছরের গুরুত্বপূর্ণ হিসাবের অঙ্কগুলো পাশাপাশি রেখে তুলনা করতে পারব এবং আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন বুঝতে পারব।
Content added By

Related Question

View More
Promotion