অং সান সুচিকে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার দীর্ঘদিন নিজ গৃহে অন্তরীণ করে রেখেছিল। তাঁকে শুধু রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করতে দেয়নি তা নয়, অনেক সামাজিক অধিকার ভোগের অধিকার থেকেও তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। মহান নেত্রী সুচি এখন মুক্ত। তিনি মিয়ানমারের জনগণের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যও আপসহীন। নিজ কর্তব্যের প্রতিও তিনি খুবই সচেতন। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কর্তব্য বলতে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণের জন্য কিছু করা বা না করার দায়িত্বকে বোঝায়। যেমন আইন মেনে চলা, নিয়মিত কর প্রদান করা, সন্তানকে শিক্ষিত করে গড়ে তোেলা, যোগ্যপ্রার্থীকে ভোট প্রদান করা ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

অধিকার প্রথমত দু প্রকার। যথা- নৈতিক অধিকার ও আইনগত অধিকার। আইনগত অধিকার আবার তিন প্রকার। যথা-১. সামাজিক অধিকার, ২. অর্থনৈতিক অধিকার ও ৩. রাজনৈতিক অধিকার। এছাড়া নাগরিকের আরও কয়েকটি অধিকার রয়েছে। যেমন- সাংস্কৃতিক অধিকার, ধর্মীয় অধিকার ও ব্যক্তিগত অধিকার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা অং সান সুচিকে দীর্ঘদিন গৃহবন্দী করে রেখেছিল। তাকে সকল 'প্রকার। রাজনৈতিক অধিকার, এমনকি অনেক সামাজিক অধিকার থেকেও দীর্ঘদিন বঞ্চিত করে রেখেছিল। অং সান সুচি দীর্ঘদিন রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে দূরে ছিলেন। তিনি তাঁর দলের দেখভাল করতে পারেন নি। সামরিক জান্তা জনস্বার্থবিরোধী অনেক কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল। কিন্তু সুচি গৃহবন্দী থাকায় তার প্রতিবাদ করতে পারেন নি। সামরিক জান্তা অবৈধভাবে জনগণের প্রিয় নেত্রীকে বন্দী করে তার স্বার্থের রাজত্ব কায়েম করেছিল। সকল রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে সামরিক জান্তা জনগণের ওপর চালিয়েছিল অত্যাচারের স্টিম রোলার। কিন্তু গৃহবন্দী থাকায় সুচি জনগণের পাশে দাঁড়াতে পারেন নি। তাছাড়া তিনি অনেক সামাজিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত ছিলেন। গৃহবন্দী থাকায় তিনি -কোনো ধরনের সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারেন নি। এমনকি বিভিন্ন ধরনের ধর্মীয় উৎসব থেকেও তিনি বঞ্চিত

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

অং সান সুচি মিয়ানমারে জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ওপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করেন। কেননা গণতন্ত্রে জনগণের অধিকার রক্ষার ওপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়। গণতন্ত্রে জনগণই হচ্ছে সকল ক্ষমতার উৎস। জনগণ নিজেরাই নিজেদের মধ্য থেকে সরকার নির্বাচন করে। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়। সরকারকে জনগণের সমর্থন নিয়েই ক্ষমতায় যেতে হয়। আবার জনগণের আস্থা বা সমর্থন হারালে সরকার ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়। গণতন্ত্রে প্রত্যেক নাগরিকেরই রাজনৈতিক দল গঠন ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার আছে। এজন্যই অধ্যাপক সিলি বলেছেন, গণতন্ত্র হচ্ছে এমন এক ধরনের সরকার যেখানে সকলেরই অংশগ্রহণের সুযোগ আছে। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় জনগণ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শাসন কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। এতে জনগণের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে। গণতন্ত্রে সরকার তাদের কাজের জন্য জনগণের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য। তাছাড়া গণতন্ত্রে বংশমর্যাদা বা ধনসম্পদের জন্য কাউকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয় না। এখানে ধনী-দরিদ্র, ছোট-বড়, সাধারণ-অভিজাত সবাই সমান। এজন্যই অং সান সুচি জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ওপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
134
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রত্যেক রাষ্ট্রই এর প্রদত্ত অধিকারসমূহ দ্বারা পরিচিতি লাভকরে"- উক্তিটি করেছেন অধ্যাপক লাঙ্কি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
337
উত্তরঃ

'মানুষ' হিসেবে প্রতিটি মানুষ যে অধিকার ভোগ করতে জন্মগতভাবে প্রত্যাশী তাই মানবাধিকার। মানুষের মূল্য ও মর্যাদার সাথে সংশ্লিষ্ট এ অধিকারগুলো মানুষ জন্মগতভাবে লাভ করে থাকে। অর্থাৎ আমরা মানুষ হিসেবে বাঁচতে প্রকৃতিগত ও সহজাত যে অধিকার প্রত্যাশা করি, তাই হলো মানবাধিকার। যেমন- জীবন ধারণের অধিকার, নিরাপত্তা লাভের অধিকার, নিষ্ঠুরতার শিকার না হওয়ার অধিকার, ন্যায়বিচার লাভের অধিকার ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে অধিকার ও কর্তব্যের মধ্যকার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এগুলোর পারস্পরিক নির্ভরশীলতার কথা বলা হয়েছে।
অধিকার ও কর্তব্য নাগরিকতার দুটি দিক। নাগরিকদের যেমন অধিকার আছে, তেমনি কর্তব্যও পালন করতে হয়। অধিকার ও কর্তব্য পরস্পর পরিপূরক। এ দুটি যেন একই মুদ্রার দুটি দিকের ন্যায়। সামাজিক সচেতনতা থেকে এদের সৃষ্টি এবং সমাজের মধ্যেই এরা অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে। নাগরিকগণ নিজ নিজ অধিকারের বিনিময়ে রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্য পালন করে থাকে। এজন্যই লাস্কি বলেন, "আমার নিরাপদে থাকার অধিকার থাকলে অন্যের কর্তব্য হলো আমাকে অন্যায়ভাবে আক্রমণ না করা।" অধিকার বলতে যেমন কতকগুলো শর্তকে বুঝানো হয়, তেমনি তা পালনও দায়িত্ব। যেমন-ভোটদানের অধিকার বলতে ভোটাধিকার প্রয়োগের দায়িত্বকেও বোঝায়। কারও অধিকার বলতে যেমন তার কর্তব্যকেও বোঝায়, তেননি একজনের অধিকার বলতে অন্যের কর্তব্যকেও বোঝানো হয়। আমার সম্পত্তির ভোগের অধিকার আছে, এর অর্থ অন্যের সম্পত্তিতে অন্যায় হস্তক্ষেপ না করাও আমার দায়িত্ব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
249
উত্তরঃ

কারও অধিকার বলতে যেমন তার কর্তব্যকে বোঝায়, তেমনি একজনের অধিকার বলতে অন্যের কর্তব্যকে বোঝায়। একজনের অধিকার ভোগ করা অন্যের কর্তব্য পালনের ওপর নির্ভরশীল। এজন্যই বলা হয়, অধিকারের মধ্যেই কর্তব্য নিহিত। যেমন- আমার বেঁচে থাকার যদি অধিকার থেকে থাকে, তবে আমার কর্তব্য হলো

অন্যের বেঁচে থাকার পথে কোনো বাধার সৃষ্টি না করা। অনুরূপভাবে অন্যের কর্তব্যও হলো আমাকে হত্যা না করা। অধিকার ও কর্তব্য একটি ছাড়া অন্যটি কল্পনা করা যায় না। সমাজের একজনের অধিকারের পরিধি অন্য সকলের কর্তব্যবোধ দ্বারা সীমাবদ্ধ। কারণ অধিকার যদি অবাধ ও সীমাহীন হয় তবে এ থেকে স্বেচ্ছাচারিতার জন্ম হবে। এতে সবল ব্যক্তি অধিকার ভোগ করবে; কিন্তু দুর্বল তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।
রাষ্ট্র নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করবে। বিনিময়ে নাগরিকগণ রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করবে। নাগরিকের যা দায়িত্ব রাষ্ট্রের তা অধিকার আর রাষ্ট্রের যা দায়িত্ব নাগরিকের তা অধিকার। রাষ্ট্র নাগরিকের অধিকার উপভোগের নিশ্চয়তা দেয়। ফলে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হয়। অর্থাৎ বলা যায়, অধিকার ও কর্তব্য নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। কার্ল মার্কস বলেছেন, "কর্তব্য ছাড়া কোনো অধিকার নেই আর অধিকার ছাড়া কোনো কর্তব্য নেই।” সুতরাং বলা যায়, অধিকারের মধ্যেই কর্তব্য নিহিত থাকে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
218
উত্তরঃ

সাধারণভাবে যেকোনো বস্তু বা বিষয় সম্পর্কে জানার জন বিবরণকে তথ্য বলা হয়। তথ্য অধিকার আইনে তথ্যকে সুনির্দিষ্টভাে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো কর্তৃপক্ষের গঠন কাঠামো ও দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত যে কোনো স্মারক, বই, নকশ মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য- উপাত্ত, আদেশ, বিজ্ঞপ্তি, দলিল, আলোকচিত্র অডিও, ভিডিও, যান্ত্রিকভাবে পঠনযোগ্য দলিলাদি এবং বৈশিষ্ট নির্বিশেষে যেকোনো তথ্যবহ বস্তু ইত্যাদিকে তথ্য বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
332
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews