সবাত শ্বসনে ইলেকট্রন ট্রান্সপোের্ট সিস্টেমের (ETS) মাধ্যমে এক জোড়া ইলেকট্রন উচ্চ শক্তি মাত্রা হতে নিম্নশক্তি মাত্রায় ক্রমান্বয়ে স্থানান্তরিত হয়। ইলেকট্রনের এ স্থানান্তরের সময় যে শক্তি নির্গত হয় তা দিয়ে ADP এর সাথে ইনঅর্গানিক ফসফেট (Pi) সংযুক্ত হয়ে ATP এ তৈরি করে। ETS-এ ATP তৈরির এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় অক্সিডেটিভফসফোরাইলেশন।
উদ্ভিদের জৈবনিক কর্মকাণ্ড তার পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে পরিচালিত হয় এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। → খনিজ লবণ ভৌত-রাসায়নিক এসব কর্মকাণ্ডগুলো হচ্ছে পানি ও লবণ উত্তোলন, প্রস্বেদন, নাইট্রোজেন আত্মীকরণ, সালোকসংশ্লেষণ, শ্বসন, পুষ্পায়ন প্রভৃতি। দুটি গ্রিক শব্দ Physis = nature এবং logos discourese থেকে Physiology শব্দটি এসেছে । Stephen Hales কে Plant Physiology র জনক বলা হয়।
Related Question
View Allউদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, বিকাশ ও জীবন ধারনের জন্য যেসব মৌল অধিক পরিমাণে লাগে সেগুলোই হলো ম্যাক্রোমৌল।
বিপাকীয় শক্তির সহায়তায় ঘনত্ব ক্রমের বিরুদ্ধে আয়ন শোষণ প্রক্রিয়াকে সক্রিয় পরিশোষণ বলে। সক্রিয় পরিশোষণ প্রক্রিয়ায় ঘনত্ব নতিমাত্রার বিপরীতে আয়ন প্রবাহিত হয়। অর্থাৎ কম ঘনত্বের বহিঃস্থ দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের কোষ দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়। ঘনত্ব নতিমাত্রায় বিপরীত দিকে আয়ন শোষিত হওয়ার জন্য বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয়।
উদ্দীপকের শেষ উক্তিতে বলা হয়েছে, এর উপস্থিতি ছাড়া গ্লুকোজের সম্পূর্ণ জারণ সম্ভব নয়। নিচে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো-সবাত শ্বসনে শ্বসনিক বস্তুকে সম্পূর্ণ জারিত করে এবং অধিক পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে। অবাত শ্বসনে কোষস্থ কতিপয় এনজাইম এর অনুপস্থিতিতে শ্বসনিক বস্তুকে আংশিক জারিত করে এবং স্বল্প শক্তি উৎপন্ন করে অর্থাৎ মাত্র ২০ কি. ক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়। গ্লুকোজের সম্পূর্ণ জারণে অধিক শক্তি উৎপন্ন হয় এবং তা এর উপস্থিতিতে সবাত শ্বসনেই সম্ভব। এক্ষেত্রে গ্লাই-কোলাইসিস, অ্যাসিটাইল Co-A সৃষ্টি ও ক্রেবস চক্রে অল্প পরিমাণ ATP তৈরি হয়, কিন্তু অধিকাংশ শক্তি তে জমা থাকে। সবাত শ্বসনের ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্রে এই হতে ইলেকট্রন বিভিন্ন বাহকের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত এর কাছে পৌছায় এবং এ সময় অধিক ATP তৈরি হয়। এ ধরনের ক্রিয়াকে বলা হয় প্রান্তীয় জারণ। এর উপস্থিতিতে প্রান্তীয় জারণের মাধ্যমে সবাত শ্বসনের ১ অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে নীট ৩৮ অণু ATP তৈরি করে, অর্থাৎ ৩৮০ কি. ক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়।
উপর্যুক্ত আলোচনা হতে সহজেই প্রতীয়মান হয় যে, এর অনুপস্থিতিতে গ্লুকোজের সম্পূর্ণ জারণ সম্ভব নয়।
যে প্রক্রিয়ায় আয়ন শোষণের জন্য বিপাকীয় শক্তির প্রত্যক্ষ প্রয়োজন হয় না সেই পরিশোষণই হলো নিষ্ক্রিয় পরিশোষণ।
উদ্দীপকের উদ্ভিদ কর্তৃক শোষিত পানির বেশির ভাগই পাতায় অবস্থিত যে বিশেষ ক্ষুদ্রাঙ্গ দিয়ে বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে তা মূলত পত্ররন্ধ্র। নিচে পত্ররন্দ্রের গঠন বর্ণনা করা হলো-
পাতার (এবং কচি কাণ্ডের) ঊর্ধ্ব ও নিম্নতলের বহিঃত্বকে (এপিডার্মিসে) অবস্থিত দুটি রক্ষীকোষ দিয়ে পরিবেষ্টিত সূক্ষ্ম রন্ধ্রকে পত্ররন্ধ্র বা স্টোম্যাটা বলে। পত্ররন্ধ্র শুধু বিশেষ আকৃতির ছিদ্র নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুদ্রাঙ্গ। এ অঙ্গের মাধ্যমে কয়েকটি শারীরতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয়। এর মাধ্যমে প্রস্বেদন ও সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। এর সাথে পত্ররন্দ্র খোলা বা বন্ধ হওয়ার বিষয়টিও নিয়ন্ত্রিত হয়। পত্ররন্ধ্রের রক্ষীকোষে একটি সুস্পষ্ট নিউক্লিয়াস, বহু ক্লোরোপ্লাস্ট ও ঘন সাইটোপ্লাজম থাকে।রক্ষীকোষে প্রচুর ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এটি খাদ্য তৈরি করে। রক্ষীকোষের চারদিকে অবস্থিত সাধারণ ত্বকীয় কোষ হতে একটু ভিন্ন আকার-আকৃতির ত্বকীয় সহকারি কোষ থাকে।
উদ্দীপকের উদ্ভিদ কর্তৃক শোষিত পানির বেশির ভাগই পাতায় অবস্থিত যে বিশেষ ক্ষুদ্রাঙ্গ দিয়ে বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে তা মূলত পত্ররন্ধ্র। নিচে পত্ররন্দ্রের গঠন বর্ণনা করা হলো-
পাতার (এবং কচি কাণ্ডের) ঊর্ধ্ব ও নিম্নতলের বহিঃত্বকে (এপিডার্মিসে) অবস্থিত দুটি রক্ষীকোষ দিয়ে পরিবেষ্টিত সূক্ষ্ম রন্ধ্রকে পত্ররন্ধ্র বা স্টোম্যাটা বলে। পত্ররন্ধ্র শুধু বিশেষ আকৃতির ছিদ্র নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুদ্রাঙ্গ। এ অঙ্গের মাধ্যমে কয়েকটি শারীরতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয়। এর মাধ্যমে প্রস্বেদন ও সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। এর সাথে পত্ররন্দ্র খোলা বা বন্ধ হওয়ার বিষয়টিও নিয়ন্ত্রিত হয়। পত্ররন্ধ্রের রক্ষীকোষে একটি সুস্পষ্ট নিউক্লিয়াস, বহু ক্লোরোপ্লাস্ট ও ঘন সাইটোপ্লাজম থাকে।রক্ষীকোষে প্রচুর ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এটি খাদ্য তৈরি করে। রক্ষীকোষের চারদিকে অবস্থিত সাধারণ ত্বকীয় কোষ হতে একটু ভিন্ন আকার-আকৃতির ত্বকীয় সহকারি কোষ থাকে।

স্টোম্যাটার নিচে একটি বড় বায়ুকুঠুরী থাকে। প্রজাতির উপর নির্ভর করে পাতার প্রতি এক বর্গ সেন্টিমিটার এলাকায় ১,০০০ হতে ৬০,০০০ পত্ররন্দ্র থাকতে পারে। অধিকাংশ উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র সকাল ১০-১১টা এবং বিকাল ২-৩টায় পূর্ণ খোলা থাকে, অন্যান্য সময় আংশিক খোলা থাকে এবং রাত্রিতে বন্ধ থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!