অগ্নিকান্ডের ফলে সম্পদ-সম্পত্তির যে ক্ষতি হয় তাকে অগ্নিজনিত ক্ষতি বা অপচয় বলে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allবড় ঝুঁকির ক্ষেত্রে একটি বিমা প্রতিষ্ঠান ঝুঁকির অংশবিশেষ পুনঃচুক্তির মাধ্যমে অন্য কোনো বিমা প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত করলে তাকে পুনর্বিমা বলে।
ঝুঁকির পরিমাণ অত্যধিক হলে এবং সামর্থ্যের বাইরে চলে গেলে পুনর্বিমা করা হয়। পুনর্বিমার মাধ্যমে ঝুঁকিকে বিমাকারীদের মাঝে পুনর্বণ্টন করা হয়। এটি ঝুঁকি কমাতে ও ঝুঁকি বণ্টনে সাহায্য করে।
উদ্দীপকের পাপিয়া বেগম মূল্যায়িত বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন।
এ বিমাপত্রে চুক্তির সময়ই বিমাকৃত বিষয়বস্তুর মূল্য নির্ধারণ করা হয়। দূর্ঘটনার পর ক্ষতি মূল্যায়ন বা প্রমাণ করতে হয় না। সম্পদের মূল্য পূর্বনির্ধারিত বলে বাজারমূল্যও বিবেচনা করা হয় না।
উদ্দীপকের পাপিয়া বেগম একজন প্রভাষক। তার দোতলা বাড়ির আসবাবপত্রের মূল্য ৫ লক্ষ টাকা। তিনি আসবাবপত্রগুলোর জন্য একটি বিমাপত্র নিয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডে আসবাবপত্রের ক্ষতি হলে বিমা কোম্পানি সম্পূর্ণ দাবি পরিশোধ করে। সাধারণত মূল্যবান আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির ক্ষেত্রে মূল্যায়িত বিমাপত্র গ্রহণ করা হয়। এছাড়া এক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়ন না করেই ক্ষতিপূরণ করা হয়। উদ্দীপকের পাপিয়া বেগমের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে। তাই বলা যায়, পাপিয়া বেগমের বিমাপত্রটি একটি মূল্যায়িত বিমাপত্র ছিল।
স্থলাভিষিক্তকরণের নীতি অনুযায়ী বিমা প্রতিষ্ঠানের দাবি সম্পূর্ণ যৌক্তিক ছিলো।
সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পর অবশিষ্ট্য সম্পত্তির মালিকানা বিমাকারীর কাছে ন্যস্ত হয়। এ নীতিকে স্থলাভিষিক্ততার নীতি বলে। শুধু সম্পত্তি বিমার ক্ষেত্রে এ নীতি প্রযোজ্য। এক্ষেত্রে বিমাকৃত সম্পদের ক্ষতি পরবর্তী অংশের মালিকানা বিমাকারীর কাছে হস্তান্তরিত হয়।
উদ্দীপকের পাপিয়া বেগম তার বাড়ির আসবাবপত্রের জন্য একটি বিমা করেন। হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডে তার সমস্ত আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিমাকারী তাকে চুক্তি অনুযায়ী সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেয়। ক্ষতিপূরণের পর বিমা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত আসবাবপত্র দাবী করলে পাপিয়া বেগম তাতে অস্বীকৃতি জানায়। পাপিয়া বেগম বিমা কোম্পানির সাথে একটি অগ্নি বিমাচুক্তি করেন। বিমা চুক্তির নীতি অনুযায়ী এক্ষেত্রে স্থলাভিষিক্ততার নীতি প্রযোজ্য। অর্থাৎ ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদের সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণের পর তার মালিকানা বিমা কোম্পানির কাছে স্থানান্তরিত হবে। পাপিয়া বেগমের আসবাবপত্র সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমা কোম্পানিও সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে সম্পত্তির ওপর পাপিয়া বেগমের আর কোনো অধিকার থাকবে না। তাই বলা যায়, ক্ষতিপূরণ প্রদানের পর উদ্দীপকের বিমা কোম্পনির ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তির মালিকানা দাবি করা সম্পূর্ণ যৌক্তিক হয়েছে।
অগ্নিজনিত ক্ষতির বিপরীতে আর্থিক প্রতিরক্ষাই হলো অগ্নিবিমা।
বিমাগ্রহীতা প্রিমিয়াম পরিশোধে অসমর্থ হলে পলিসি ফেরত দিয়ে যে অর্থ গ্রহণ করে তাকে সমর্পণ মূল্য বলে।
সমপূর্ণ মূল্য প্রিমিয়ামের একটি অংশ। বিমাগ্রহীতা কোনো কারণে প্রিমিয়াম চালাতে অসমর্থ হতে পার। তখন বিমাটি বন্ধ করে তাকে প্রিমিয়াম ফেরত দেওয়া হয়। বিমা চুক্তির মেয়াদ কমপক্ষে দুই বছর হতে হয়।
জনাব আবুল কাশেম গড়পড়তা বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন।
যে বিমাপত্রে বিমাকৃত মূল্যে ক্ষতিপূরণ না করে গড়পড়তা হারে ক্ষতিপূরণ করা হয় তাকে গড়পড়তা বিমাপত্র বলে। এ বিমার মূল উদ্দেশ্য হলো বিমাগ্রহীতা যাতে সম্পত্তির মূল্য বেশি দেখিয়ে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ না নিতে পারে। সম্পত্তির আংশিক ক্ষতির ক্ষেত্রেও এ নীতি অনুসরণ করা হয়।
উদ্দীপকের আবুল কাশেম তার অফিসের আসবাবপত্রের জন্য ১,০০,০০০ টাকার একটি অগ্নি বিমা করেন। আসাবাবপত্রের প্রকৃত মূল্য ছিল ১,৫০,০০০ টাকা। অগ্নিকান্ডে ৬০,০০০ টাকার ক্ষতি হয়। বিমা কোম্পানি তাকে ৪০,০০০ টাকার ক্ষতিপূরণ দেয়। মূলত গড় বিমাপত্রের ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়ে থাকে। এছাড়াও সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য বিবেচনা করা হয়। বিমা কোম্পানি ক্ষতির প্রকৃত মূল্য ও বিমাকৃত মূল্য আনুপাতিক হারে গণনা করে আবুল কাশেমকে বিমা দাবি পরিশোধ করেছে। ফলে তিনি ৪০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের জনাব আবুল কাশেমের বিমাটি হলো গড়পড়তা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!