এখানে ত্বকের কথা বলা হয়েছে। এটি কিছু বিশেষ কাজের জন্য অন্যান্য অঙ্গ থেকে স্বতন্ত্র। নিচে এর বিশেষ কিছু কাজ উল্লেখ করা হলো:
১. ত্বক একটি সংবেদি অঙ্গ হিসেবে কাজ করে। অন্তঃচর্মে বহু সংখ্যক সংবেদন স্নায়ু ও তাদের গ্রাহক যন্ত্র আছে। এগুলো অনুভূতি গ্রহণ করে মস্তিষ্কে পৌছে দেয়। তখন আমরা বেদনা, চাপ, উষ্ণতা ও শীত অনুভব করতে পারি। বস্তু শক্ত না নরম, খসখসে না মসৃণ তাও বুঝতে পারি।
২. ত্বকের মেলানিন নামক পদার্থ দেহের সৌন্দর্য রক্ষায় অবদান রাখে। যাদের দেহে মেলানিন কম তাদের শরীরের রং ফর্সা হয়এবং গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলে মানুষের ত্বকে মেলানিন বেশি থাকায় ত্বকের রং কালো হয়।
৩. ত্বকের ঘর্মগ্রন্থি থেকে ঘাম লোমকূপের মাধ্যমে উপচর্ম দিয়ে বের হয়। ঘামের সাথে শরীরের ভেতর থেকে দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।
৪. দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণ করা ত্বকের আরেকটি বিশেষ কাজ। ত্বকের লোম এটি করতে সাহায্য করে। এছাড়া ঘামও শরীর ঠান্ডা করে।
৫. ত্বকের ওপর সূর্যের আলো পড়লে, ভিটামিন 'ডি' প্রস্তুত করতে পারে।
৬. ঘর্মগ্রন্থি হতে বের হওয়া ঘামের জীবাণুনাশক গুণ আছে। ত্বক দিয়ে কিছু অক্সিজেন প্রবেশ করে ও কার্বন, ডাইঅক্সাইডও বের হয়ে আসে।
ওপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, বিশেষ কিছু কাজের জন্য ত্বক অন্যান্য অঙ্গ থেকে স্বতন্ত্র।
Related Question
View Allচোখের অক্ষিগোলকের বাইরের সাদা, শক্ত ও পাতলা স্তরটি হলো চেরা।
চোখের অক্ষিগোলকের বাইরের সাদা, শক্ত ও পাতলা স্তরটি হলো চেরা।
১. চোখের ভেতর থেকে আলোর প্রতিফলন হবে না।
২. পিউপিলের মাধ্যমে আলোক রশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করতে পারবে না।.
৩. সিলিয়ারি পেশি দ্বারা আটকানো লেন্সটি সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারবে না। ফলে লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন হবে না এবং চোখ বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠনে সহায়তা করতে পারবে না।
চিত্রে চোখের 'B' চিহ্নিত অংশটি আইরিশ, যার অবস্থান কর্নিয়ার পেছনে। এটি ঘন কালো গোলাকার একটি অস্বচ্ছ পর্দা। এর 'কেন্দ্রস্থলে একটি ছিদ্র থাকে যাকে পিউপিল বলে। আইরিশের পেশিসমূহের সংকোচন প্রসারণে পিউপিল ছোট বড় হতে পারে। এর ফলে আলোক রশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করে। অর্থাৎ আইরিশ চক্ষু লেন্সের উপর আপতিত আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি
চিত্রে চিহ্নিত অংশটি হলো লেন্স।
এটি তারারন্দ্রের ঠিক পেছনে অবস্থিত। লেন্স চোখের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি এক বিশেষ ধরনের সিলিয়ারি পেশি দ্বারা আটকানো থাকে। এ পেশিগুলো সংকোচন ও প্রসারণের ফলে লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন হয় ফলে লেন্সের ফোকাস দূরত্বের পরিবর্তন ঘটে। যখন কোনো আলোকিত বস্তু হতে আলো চোখে পড়ে তখন তা পিউপিল দিয়ে লেন্সে আপতিত হয়। লেন্স তখন ঐ বস্তুর একটি ক্ষুদ্র ও উল্টো প্রতিবিম্ব রেটিনার উপর সৃষ্টি করে, তখন আলোর এ উদ্দীপনা অপটিক স্নায়ুর সাহায্যে মস্তিষ্কে পৌছে। মস্তিষ্ক রেটিনার সৃষ্ট উল্টো প্রতিবিম্বকে পুনরায় উল্টে দেয় ফলে আমরা বস্তুটিকে দেখতে পাই। আর এভাবেই 'J' চিহ্নিত অংশটি অর্থাৎ লেন্স আমাদের দেখতে সহায়তা করে।
যেসব অঙ্গ দিয়ে আমরা দেখি, শুনি, খাবারের স্বাদ গ্রহণ করি, গরম, ঠান্ডা, তাপ, চাপ অনুভব করি সেসব অজাকে সংবেদি অঙ্গ বলে।
চিত্রের চিহ্নিত অংশটি হলো পিনা বা কর্ণচ্চত্র। এটি কানের বাইরের অংশ। এটি শব্দকে কর্ণকুহরে পাঠায়। পিনা না থাকলে শব্দ কর্ণকুহরে পৌছাবে না। ফলে আমরা শব্দ শুনতে পাব না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
