অজয়নগর ও বিজয়নগর পাশাপাশি অবস্থিত দুটি গ্রাম। শাহাদত সাহেব অজয়নগর গ্রামের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি, অন্যদিকে আমিন সাহেব বিজয়নগরের একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। দুইজনেরই শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী আছে, যারা ছোটখাটো বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব ও সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। কিছুদিন আগে শাহাদত সাহেবের এলাকা থেকে আমিন সাহেবের লোকজন শস্য ও গবাদি পশু জোর করে নিয়ে যায়। শাহাদত সাহেব আমিন সাহেবের কাছে এর বিচার চান। আমিন সাহেব তাতে কর্ণপাত করেননি। এতে শাহাদত সাহেব রাগান্বিত হয়ে আমিন সাহেবের এলাকায় হামলা চালান। আমিন সাহেব তা প্রতিহত করতে গিয়ে পরাজিত হন এবং তিনি নিজেও প্রাণ হারান।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

দেবল বন্দর সিন্ধুতে (বর্তমান পাকিস্তানে) অবস্থিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

নানা রকম ঘৃণ্যপ্রথা ও কুসংস্কার বিদ্যমান থাকায় আরবদের সিন্ধু বিজয়ের প্রাক্কালে ভারতের সামাজিক অবস্থা সন্তোষজনক ছিল না।
আরবদের সিন্ধু বিজয়ের পূর্বে ভারতে হিন্দুধর্মের প্রবল প্রাধান্য ছিল। হিন্দুদের মধ্যে সংকীর্ণ জাতিভেদ প্রথা প্রচলিত ছিল। এ সময় হিন্দু সমাজ চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। যথা- ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য এবং শূদ্র। ব্রাহ্মণরা ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ে। আর শূদ্ররা ছিল সর্বনিম্ন পর্যায়ে। এ জাতিভেদ প্রথা সমাজে শ্রেণিবৈষম্যের সৃষ্টি করে। এ কারণে সমাজে নিম্নবর্ণের হিন্দুরা নানাভাবে অবহেলিত হতো। তাছাড়া সে সময় বহুবিবাহ, সতীদাহ প্রথা, নরবলি, গঙ্গায় শিশু-সন্তান বিসর্জন প্রভৃতি কু-প্রথা প্রচলিত ছিল। এমনকি দাস-দাসী ক্রয়-বিক্রয়ও চলত। সব মিলিয়ে তৎকালীন সামাজিক অবস্থা বিশৃঙ্খল ও শোচনীয় ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত শস্য ও গবাদি পশু জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়ার সাথে সিন্ধু বিজয়ের প্রত্যক্ষ কারণটির সাদৃশ্য রয়েছে।

অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুতে সিংহলরাজ কর্তৃক খলিফা ওয়ালিদ ও হাজ্জাজ বিন ইউসুফের নিকট প্রেরিত উপঢৌকনপূর্ণ আটটি আরব জাহাজ দেবলস্থ জলদস্যু কর্তৃক লুণ্ঠনই ছিল আরবদের সিন্ধু অভিযানের প্রত্যক্ষ কারণ। উদ্দীপকেও এ কারণটি প্রতিফলিত হয়েছে।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায় যে, শাহাদত সাহেবের এলাকা থেকে আমিন সাহেবের লোকজন শস্য ও গবাদি পশু জোর করে নিয়ে যায়। শাহাদত। সাহেব আমিন সাহেবের কাছে এর বিচার চেয়েও কোনো প্রতিকার না পেয়ে রাগান্বিত হয়ে আমিন সাহেবের এলাকায় আক্রমণ চালান। সিন্ধু বিজয়ের প্রত্যক্ষ কারণটিও এরূপ। সিংহলে অবস্থানকারী বেশকিছু আরব বণিক মৃত্যুমুখে পতিত হলে সিংহলরাজ আটটি জাহাজে করে তাদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যা ও মূল্যবান উপঢৌকন হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এবং খলিফার দরবারে প্রেরণ করেন। জাহাজগুলো যখন সিন্ধুর দেবল উপকূলে এসে পৌঁছায় তখন জলদস্যুরা এগুলো লুণ্ঠন করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ সিদুর রাজা দাহিরের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন। ফলে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ তার জামাতা মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু আক্রমণের নির্দেশ দেন। তিনি ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে সিন্ধুতে অভিযান চালান এবং রাজা দাহিরকে পরাজিত করে সিন্ধু বিজয় করেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকটি আরবদের সিন্ধু আক্রমণের প্রত্যক্ষ কারণকেই ইঙ্গিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ন্যায় সিন্ধু বিজয়ের ক্ষেত্রে জাহাজ লুণ্ঠনের ঘটনাটি একমাত্র কারণ ছিল না। এর পেছনে আরো অনেক কারণ ছিল। উদ্দীপকে মুসলমানদের সিন্ধু বিজয়ের শুধু প্রত্যক্ষ কারণটিই প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু সিন্ধু বিজয়ের পেছনে এটি হাড়াও আরো অনেক কারণ বিদ্যমান ছিল।

অষ্টম শতকের সূচনাতে মেকরান এবং বেলুচিস্তান আরবদের হস্তগত হওয়ায় তারা সিন্ধুর সন্নিকটে এসে পড়ে। ভারতীয় হিন্দু রাজাদের বৈরী মনোভাব ও সামরিক উষ্কানির পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রসারণ ব্যতীত খিলাফতের অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় মুসলমানগণ বাধ্য হয়ে সিন্দুতে অভিযান প্রেরণ করেন। ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ সর্বোপরি আর্থিক অবস্থার উন্নয়নকল্পে আরবগণ ভারতবর্ষ আক্রমণে প্রলুব্ধ হয়। তাছাড়া জলদস্যুদের আক্রমণ থেকে সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা বিধানের জন্যও ভারতবর্ষ আক্রমণ মুসলমানদের জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়ে। অন্যদিকে আরব খলিফার নিকট প্রেরিত উপঢৌকন ও আরব বণিকদের বাণিজ্যিক আটটি জাহাজ দেবল বন্দরে জলদস্যু কর্তৃক লুণ্ঠিত হলে হাজ্জাজ দাহিরের কাছে লুণ্ঠিত দ্রব্যের ক্ষতিপূরণ ও জলদস্যুদের শাস্তি দাবি করেন। কিন্তু রাজা দাহির উক্ত দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। দাহিরের এই ঔদ্ধত্যে ক্ষুব্ধ হয়ে হাজ্জাজ বিন  ইউসুফ সিন্ধু ও মুলতান অভিযানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, জলদস্যু কর্তৃক জাহাজ লুণ্ঠন ছিল আরবদের সিন্ধু বিজয়ের প্রত্যক্ষ কারণ। তবে সিন্ধু বিজয়ের পেছনে এর বাইরেও বহুবিধ কারণ বিদ্যমান ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
27
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রাচীন হিন্দু সমাজে প্রচলিত স্বামীর শবদেহের সাথে জীবিত বিধবা স্ত্রীকে একই চিতায় দাহ করার রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।
মৃত স্বামীর প্রতি বিধবা স্ত্রীর চূড়ান্ত আনুগত্য প্রদর্শনের একটি আচার হিসেবে প্রাচীন সমাজে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সতীদাহ প্রথা মেনে চলত। তখন স্বামীর মৃত্যু হলে বিধবা স্ত্রী স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়েই স্বামীর চিতায় আত্মাহুতি দিত। কিন্তু কালক্রমে এটি হিন্দু সমাজে ধর্মীয় বাধ্যবাধকতায় রূপ নেয়। এক সময় ধর্মের দোহাই দিয়ে সমাজপতিরা বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে সহমরণ বরণ করে নিতে বাধ্য করে। তারা জোর করে অনেক বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে পুড়িয়ে মারতে শুরু করে। হিন্দু সমাজের এ জঘন্য ও নিষ্ঠুর রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
114
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত শাসক সুলতান মাহমুদের মিল রয়েছে।

যেকোনো দেশ, রাজ্য বা অঞ্চলকে সমৃদ্ধিশালী ও সুসজ্জিত করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়- এই অর্থের প্রয়োজনে অনেক শাসক বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালিয়েছেন। উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান এবং ইতিহাসখ্যাত সুলতান মাহমুদ উভয়ের মধ্যেই এ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

উদ্দীপকে বর্ণিত সুলতান সুলেমান নিজ রাজ্যকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধিশালী করার জন্য বিভিন্ন দেশে অভিযান প্রেরণ করেন। সেসব অভিযান থেকে প্রাপ্ত ধন-সম্পদ কাজে লাগিয়ে তিনি তার শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেন। তাছাড়া শিক্ষা বিস্তার ও দেশের উন্নয়নে তিনি ধন-সম্পদ ব্যয় করেন। বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদও ধন-ঐশ্বর্যে ভরপুর ভারতবর্ষে বারবার আক্রমণ করে সুলতান সুলেমানের মতোই প্রচুর ধন-সম্পদ আহরণ করেছিলেন। তার উদ্দেশ্যও ছিল নিজের রাজ্যের উন্নয়ন ঘটানো। তাই তিনি ভারতবর্ষকে তার প্রয়োজনীয় অর্থভাণ্ডার মনে করে সেখানে ১৭ বার (১০০০ থেকে ১০২৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে) অভিযান প্রেরণ করেন এবং প্রতিবারই জয়লাভ করে প্রচুর সম্পদ হস্তগত করেন। তিনি আহরিত অর্থ-সম্পদ কাজে লাগিয়ে গজনি রাজ্যকে সমৃদ্ধিশালী করে গড়ে তুলেছিলেন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। শিল্প ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তিনি সুলতান সুলেমানের মতোই উদার ও আন্তরিক ছিলেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান ও গজনির শাসক সুলতান মাহমুদের মধ্যে সুস্পষ্ট সাদৃশ্য বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
108
উত্তরঃ

উত্ত শাসক তথ্য সুলতান মাহমুদ শুধু সেনানায়কই ছিলেন না, একটি রাজ্যের একজন প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন।

বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিশেষ খ্যাতি লাভ করেন। শত্রুপক্ষের অধীন সকল রাজ্য জয় করে তাদের ক্ষমতার চূড়ান্ত বিলোপ সাধনই ছিল সুলতান মাহমুদের লক্ষ্য এবং তিনি তা অর্জনে সক্ষম হন। পাঞ্জাবে তার শাসন দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষুদ্র গজনি রাজ্যকে তিনি বিশাল সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।

ভারতীয় ঐতিহাসিক ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, "সুলতান মাহমুদ ছিলেন বড় মাপের নৃপতি।" একটি পার্বত্য ক্ষুদ্র রাজ্যতে শুধু বাহুবলে বিশাল ও সমৃদ্ধ সাম্রাজ্যে পরিণত করা অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচায়ক। তার পূর্বে এশিয়ার অন্য কোনো আরব বা তুর্কি শাসক হিরাত, কাবুল ও গজনির বাইরে অগ্রসর হতে পারেননি। তিনি যে বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন, তা বাগদাদের সমসাময়িক আব্বাসীয় খলিফার সাম্রাজ্য অপেক্ষা বিশাল ছিল বলে মনে করা হয়। মুসলিম শাসকদের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত পথে তিনিই প্রথম ভারতে অভিযান চালিয়েছিলেন। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম মুসলিম রাজবংশ প্রতিষ্ঠায় কৃতিত্বের অধিকারী না হলেও তারই দেখানো পথে মুহাম্মদ ঘুরী এদেশে এসে মুসলিম শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
পরিশেষে বলা যায়, শুধু কৃতী সেনানায়ক নয়, সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও সুলতান মাহমুদ খ্যাতি অর্জন করেন। অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা বলেই তিনি ক্ষুদ্র গজনিকে বিশাল সাম্রাজ্যে রূপায়িত করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
81
উত্তরঃ

আরবদের সিন্ধু অভিযানের পূর্বে ভারতীয় সমাজে নারীর অবস্থা শোচনীয় ছিল।
প্রাক-মুসলিম ভারতীয় সমাজে সতীদাহ প্রথা ও বাল্যবিবাহের প্রচলন ছিল। তাছাড়া বিধবা বিবাহ প্রথার বিলোপ ঘটেছিল। তাই নারীরা সমাজে অবহেলিত হয়ে পড়েছিল। তারা সব ধরনের অধিকার বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছিল। তবে এ চিত্র নিম্ন শ্রেণির নারীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যেত। অভিজাত পরিবারের নারীরা শিক্ষাগ্রহণ ছাড়াও সামাজিক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ পেত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
69
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews