বাংলাদেশের 'ঢাকা' প্রশাসনিক নগরের উদাহরণ।
যে বসতি অঞ্চলে অধিকাংশ অধিবাসী প্রত্যক্ষ ভূমি ব্যবহার ব্যতীত অন্যান্য অকৃষিকার্য যেমন- গ্রামীণ অধিবাসিদের উৎপাদিত দ্রব্যাদির শিল্পজাতকরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, প্রশাসন, শিক্ষা-সংক্রান্ত কার্য প্রভৃতি পেশায় নিয়োজিত থাকে তা নগর বা শহুরে বসতি।
উদ্দীপকের 'P' অঞ্চলের বসতিটি কৃষিভিত্তিক বিক্ষিপ্ত বসতি।
অবস্থানের প্রেক্ষিতে ও বাসগৃহসমূহের পরস্পরের ব্যবধানের ভিত্তিতে গ্রামীণ বসতিকে তিনটি ভাগ করা যায়। বিক্ষিপ্ত বসতি এর মধ্যে একটি। এ ধরনের বসতিতে পরিবারগুলো ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় বসবাস করে। পৃথিবীর অধিকাংশ বিক্ষিপ্ত বসতি বন্ধুর ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলে গড়ে উঠেছে। এ ধরনের বসতির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে। দুটি বাসগৃহ বা বসতির মধ্যে যথেষ্ট ব্যবধান, ।।. অতি ক্ষুদ্র পরিবারভুক্ত বসতি, iii. অধিবাসীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা প্রভৃতি।
উদ্দীপকে লিপির গ্রামেও বিক্ষিপ্ত বসতির উক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায়।
০' বসতিটি সংঘবদ্ধ বা নিবিড়। এখানকার অধিকাংশ অধিবাসী
নিবিড় বসতিতে কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় জমির পরিমাণ কম থাকে। কিন্তু যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত থাকে। ফলে বিভিন্ন ধরনের শিল্প কারখানা গড়ে ওঠে। যেমন- তৈরি পোশাক শিল্প। এই শিল্প প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জনবসতি ধীরে ধীরে ঘন হয়ে ওঠে। শিল্প কারখানাকে কেন্দ্র করে অনেক ছোট ছোট ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। ফলে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়। এছাড়াও বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন যেমন- গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাট, ব্যাংক-বীমা ইত্যাদি সহজলভ্য হয়। এভাবে নিবিড় বসতিতে গড়ে ওঠা শিল্প কারখানাকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধি পায়। এসব কারখানায় উৎপাদিত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করেও প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হয়।
Related Question
View Allমুসলিম সভ্যতায় (অষ্টম শতাব্দী থেকে) নগরায়ণের প্রসার ঘটে।
মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়।
উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। মানুষ কৃষিজমির পাশে বসতি গড়ে তোলে যাতে করে সহজে ও কম খরচে ফসল ফলাতে পারে এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারে। যেমন- যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল। কিন্তু মাটি অনুর্বর বা অসমতল হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। যেমন- চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!