মংলা সমুদ্র বন্দর পশুর নদীর তীরে অবস্থিত।
বনভূমি বৃষ্টিপাত ঘটিয়ে ও মাটির উর্বরতাশক্তি বৃদ্ধি করে কৃষি উন্নয়নে ভূমিকা রাখে
বনভূমি দেশের আবহাওয়াকে আর্দ্র রাখে। ফলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটে। যা কৃষি উন্নয়নে সহায়ক। কারণ কৃষিকাজে বিভিন্ন পর্যায়ে বৃষ্টিপাতের বা পানির প্রয়োজন হয়। এছাড়া বনভূমি মাটির ক্ষয়রোধেও সহায়তা করে।
ছকের 'ক' অঞ্চলটি বাংলাদেশের ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির অন্তর্গত।
বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূখে এই বনভূমি রয়েছে। ক্রান্তীয় অঞ্চলে যেসব গাছের পাতা বছরে একবার সম্পূর্ণ ঝরে যায় সেগুলোকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছ বলা হয়। এই বনভূমিতে ধূসর ও লালচে রঙের মাটি দেখা যায়।
ছকের ক অঞ্চলের মৃত্তিকাও ধূসর ও লাল দেখানো হয়েছে। আবার বনভূমি অঞ্চলে শাল, গজারি, কড়ই, হিজল, বহেরা, হরতকী, কাঁঠাল, নিম প্রভৃতি বনজ সম্পদ দেখা যায়। ছকের ক অঞ্চলেও গজারি ও হিজল গাছের কথা বলা হয়েছে। সুতরাং ক অঞ্চলটি বাংলাদেশের ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির অন্তর্গত।
ছকের 'ক' এবং 'খ' অঞ্চলের মধ্যে খ অঞ্চলই সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত।
'ক' অঞ্চলটিতে যেহেতু মৃত্তিকা লাল ও ধূসর বর্ণের এবং বনজ সম্পদ গজারি ও হিজল দেখানো হয়েছে সেহেতু তা প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত। আর খ অঞ্চলটিতে পলি ও কর্দম এবং সুন্দরি ও গরান বৃক্ষ দেখানো হয়েছে বলে তা সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত।
খ' অঞ্চলটি স্রোতজ বনভূমি অঞ্চল। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। এটি প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত। অঞ্চলটি অসংখ্য ছোট বড় নদী দ্বারা সৃষ্ট সমভূমি। পাদদেশীয়, বদ্বীপ, স্রোতজ, উপকূলীয় ইত্যাদি 'খ' অঞ্চলের অন্তর্গত। এগুলো নদীবাহিত পলি দ্বারা গঠিত। এরপ ভূমিগুলো খুবই ঊর্বর এবং কষিকাজের উপযোগী
Related Question
View Allমৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা
এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে
বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।
উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম
চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!