অটোমান সুলতান অরখান জেনিসারি বাহিনী গঠন করে বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান পরিচালনা করেন। এসব রাজ্য থেকে অর্থ-সম্পদ লুণ্ঠন করে তিনি নিজ এলাকার উন্নয়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেন। তিনি একটি দ্বীপের সুসজ্জিত ও সুরক্ষিত উপাসনালয়ের মূল্যবান অর্থ-সম্পদের সন্ধান পেয়ে সেটি আক্রমণ ও লুণ্ঠন করেন। স্থানীয় অধিবাসীরা প্রাণপণ চেষ্টা করেও উপাসনালয়টিকে লুণ্ঠনের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেননি।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

সুলতান মাহমুদ গজনির (বর্তমান আফগানিস্তান) শাসনকর্তা ছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১১৯২ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ ছিল একটি চূড়ান্ত মীমাংসাত্মক যুদ্ধ। এ যুদ্ধের ফলে স্থায়ীভাবে ভারতবর্ষে মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এ যুদ্ধে মুইজউদ্দিন মুহাম্মদ ঘুরী (ভারতে স্থায়ী মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠাকারী) ও তার বাহিনী দীপ্ত শপথে যুদ্ধ করে এবং পৃথ্বিরাজ (দিল্লি ও আজমিরের রাজপুত এবং চৌহান বংশের রাজা) ও সম্মিলিত রাজপুত বাহিনীকে পর্যুদস্ত করে। ফলে ভারতীয় রাজ্যগুলোর ওপর মুহাম্মদ ঘুরীর চূড়ান্ত সফলতা সুনিশ্চিত হয় এবং ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্যের ভিত প্রতিষ্ঠিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত উপাসনালয় আক্রমণের সাথে সুলতান মাহমুদের সোমনাথ মন্দির (গুজরাটের চালুক্য রাজ্যের কাথিওয়াড়ের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত) অভিযানের সাদৃশ্য রয়েছে।

সুলতান মাহমুদ (আফগানিস্তানে অবস্থিত গজনি রাজ্যের শাসনকর্তা) ছিলেন সাহসী ও সমরপ্রিয় বীর। ১০০০ থেকে ১০২৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তিনি মোট ১৭ বার ভারত আক্রমণ করেন। কোনো কোনো ঐতিহাসিক তার এ অভিযানের কারণ হিসেবে সম্পদের প্রতি মোহকে দায়ী করেন।
সুলতান মাহমুদের ষোলোতম অভিযান তথা সোমনাথ মন্দির আক্রমণ এবং সেখান থেকে প্রচুর ধন-সম্পদ লুণ্ঠন এ বিষয়টিকেই প্রমাণ করে। আর উদ্দীপকেও এরূপ ঘটনা লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জেনিসারি বাহিনী একটি মন্দির আক্রমণ ও লুণ্ঠন করে। মন্দিরটি মূল্যবান সম্পদে পরিপূর্ণ ছিল। সোমনাথ মন্দিরও ছিল উদ্দীপকের মন্দিরের ন্যায়। এ মন্দিরটি ছিল প্রচুর ধনরত্ন আর মূর্তি-বিগ্রহাদিতে পরিপূর্ণ। ঐতিহাসিক বিবরণ মতে, এ মন্দির বিজয় সুলতান মাহমুদের সাধ্যের বাইরে ছিল বলে পুরোহিতরা মনে করতেন। কিন্তু ১০২৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি সোমনাথ মন্দিরে অভিযান পরিচালনা করেন। মন্দিরের পুরোহিত ও স্থানীয় অধিবাসীরা প্রাণপণ চেষ্টা করেও তার আক্রমণ থেকে সোমনাথ মন্দিরকে রক্ষা করতে পারেননি। এ মন্দির থেকে মাহমুদ দু'কোটিরও বেশি স্বর্ণমুদ্রা ও বিগ্রহাদি এবং ২শ মণ অলংকার ও মণিমুক্তা নিয়ে স্বদেশে ফিরে আসেন। একইভাবে অটোমান সুলতান অরখান ও তার বাহিনী একটি দ্বীপের সুসজ্জিত ও সুরক্ষিত উপাসনালয়টি আক্রমণ করে। স্থানীয় অধিবাসীদের বাধা উপেক্ষা করে তারা উপাসনালয়টি লুণ্ঠন করে মূল্যবান অর্থ-সম্পদ সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। সুতরাং দেখা দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকে উল্লেখিত উপাসনালয় আক্রমণ ও লুষ্ঠনের ঘটনায় সুলতান মাহমুদের সোমনাথ মন্দির আক্রমণেরই প্রতিফলন ঘটেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

অরখানের জেনিসারি বাহিনীর মতো সুলতান মাহমুদও একই উদ্দেশ্যে সম্পদ সংগ্রহ করেন- উক্তিটি যথার্থ।

সুলতান মাহমুদ একজন উচ্চাভিলাষী এবং অর্থলোভী সমরনায়ক ছিলেন। রাজ্যাভিযানে তিনি আনন্দ পেলেও তার অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অর্থনৈতিক। নিজ সাম্রাজ্য গজনিকে সমৃদ্ধিশালী ও অনিন্দ্যসুন্দর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তার প্রচুর সম্পদের দরকার ছিল। আর ধন-ঐশ্বর্যে পরিপূর্ণ ভারতকে তিনি তার প্রয়োজনীয় অর্থের কল্পতরু'মনে করে এখানে বার বার অভিযান পরিচালনা করেন এবং প্রচুর অর্থ সম্পদ হস্তগত করে গজনির শ্রীবৃদ্ধিতে ব্যয় করেন। অটোমান সুলতান অরখানের অভিযানের পেছনেও এ ধরনের উদ্দেশ্য পরিলক্ষিত হয়।
অটোমান সুলতান অরখানের গঠিত জেনিসারি বাহিনী বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালিয়ে প্রচুর সম্পদ লুণ্ঠন করে। সুলতান এ সম্পদ ব্যয় করে অটোমান সাম্রাজ্যের উন্নয়নে নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। অর্থাৎ নিজ এলাকার উন্নয়ন এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহই ছিল জেনিসারি বাহিনীর প্রধান উদ্দেশ্য। গজনি রাজ্যকে সমৃদ্ধ ও সুসজ্জিতকরণ, নিজ সাম্রাজ্যে জ্ঞান-বিজ্ঞানের উন্নয়ন সাধন, বিরাট সৈন্যবাহিনীর ব্যয় নির্বাহ প্রভৃতি কারণে সুলতান মাহমুদ ভারতে বার বার অভিযান প্রেরণ করেন। অভিযানে সংগৃহীত অর্থ-সম্পদ তিনি সাম্রাজ্যের সার্বিক উন্নতিকল্পে ব্যয় করেন।
উপর্যুক্ত আলোচনায় এটা প্রমাণিত হয় যে, অরখানের জেনিসারি বাহিনীর সম্পদ লুণ্ঠন এবং সুলতান মাহমুদের ভারত অভিযানের উদ্দেশ্য একই ধারায় প্রবাহিত হয়েছে। অর্থাৎ তারা উভয়ই অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে Goo অভিযান পরিচালনা করেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
70
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রাচীন হিন্দু সমাজে প্রচলিত স্বামীর শবদেহের সাথে জীবিত বিধবা স্ত্রীকে একই চিতায় দাহ করার রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।
মৃত স্বামীর প্রতি বিধবা স্ত্রীর চূড়ান্ত আনুগত্য প্রদর্শনের একটি আচার হিসেবে প্রাচীন সমাজে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সতীদাহ প্রথা মেনে চলত। তখন স্বামীর মৃত্যু হলে বিধবা স্ত্রী স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়েই স্বামীর চিতায় আত্মাহুতি দিত। কিন্তু কালক্রমে এটি হিন্দু সমাজে ধর্মীয় বাধ্যবাধকতায় রূপ নেয়। এক সময় ধর্মের দোহাই দিয়ে সমাজপতিরা বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে সহমরণ বরণ করে নিতে বাধ্য করে। তারা জোর করে অনেক বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে পুড়িয়ে মারতে শুরু করে। হিন্দু সমাজের এ জঘন্য ও নিষ্ঠুর রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
114
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত শাসক সুলতান মাহমুদের মিল রয়েছে।

যেকোনো দেশ, রাজ্য বা অঞ্চলকে সমৃদ্ধিশালী ও সুসজ্জিত করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়- এই অর্থের প্রয়োজনে অনেক শাসক বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালিয়েছেন। উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান এবং ইতিহাসখ্যাত সুলতান মাহমুদ উভয়ের মধ্যেই এ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

উদ্দীপকে বর্ণিত সুলতান সুলেমান নিজ রাজ্যকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধিশালী করার জন্য বিভিন্ন দেশে অভিযান প্রেরণ করেন। সেসব অভিযান থেকে প্রাপ্ত ধন-সম্পদ কাজে লাগিয়ে তিনি তার শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেন। তাছাড়া শিক্ষা বিস্তার ও দেশের উন্নয়নে তিনি ধন-সম্পদ ব্যয় করেন। বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদও ধন-ঐশ্বর্যে ভরপুর ভারতবর্ষে বারবার আক্রমণ করে সুলতান সুলেমানের মতোই প্রচুর ধন-সম্পদ আহরণ করেছিলেন। তার উদ্দেশ্যও ছিল নিজের রাজ্যের উন্নয়ন ঘটানো। তাই তিনি ভারতবর্ষকে তার প্রয়োজনীয় অর্থভাণ্ডার মনে করে সেখানে ১৭ বার (১০০০ থেকে ১০২৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে) অভিযান প্রেরণ করেন এবং প্রতিবারই জয়লাভ করে প্রচুর সম্পদ হস্তগত করেন। তিনি আহরিত অর্থ-সম্পদ কাজে লাগিয়ে গজনি রাজ্যকে সমৃদ্ধিশালী করে গড়ে তুলেছিলেন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। শিল্প ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তিনি সুলতান সুলেমানের মতোই উদার ও আন্তরিক ছিলেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান ও গজনির শাসক সুলতান মাহমুদের মধ্যে সুস্পষ্ট সাদৃশ্য বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
108
উত্তরঃ

উত্ত শাসক তথ্য সুলতান মাহমুদ শুধু সেনানায়কই ছিলেন না, একটি রাজ্যের একজন প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন।

বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিশেষ খ্যাতি লাভ করেন। শত্রুপক্ষের অধীন সকল রাজ্য জয় করে তাদের ক্ষমতার চূড়ান্ত বিলোপ সাধনই ছিল সুলতান মাহমুদের লক্ষ্য এবং তিনি তা অর্জনে সক্ষম হন। পাঞ্জাবে তার শাসন দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষুদ্র গজনি রাজ্যকে তিনি বিশাল সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।

ভারতীয় ঐতিহাসিক ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, "সুলতান মাহমুদ ছিলেন বড় মাপের নৃপতি।" একটি পার্বত্য ক্ষুদ্র রাজ্যতে শুধু বাহুবলে বিশাল ও সমৃদ্ধ সাম্রাজ্যে পরিণত করা অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচায়ক। তার পূর্বে এশিয়ার অন্য কোনো আরব বা তুর্কি শাসক হিরাত, কাবুল ও গজনির বাইরে অগ্রসর হতে পারেননি। তিনি যে বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন, তা বাগদাদের সমসাময়িক আব্বাসীয় খলিফার সাম্রাজ্য অপেক্ষা বিশাল ছিল বলে মনে করা হয়। মুসলিম শাসকদের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত পথে তিনিই প্রথম ভারতে অভিযান চালিয়েছিলেন। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম মুসলিম রাজবংশ প্রতিষ্ঠায় কৃতিত্বের অধিকারী না হলেও তারই দেখানো পথে মুহাম্মদ ঘুরী এদেশে এসে মুসলিম শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
পরিশেষে বলা যায়, শুধু কৃতী সেনানায়ক নয়, সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও সুলতান মাহমুদ খ্যাতি অর্জন করেন। অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা বলেই তিনি ক্ষুদ্র গজনিকে বিশাল সাম্রাজ্যে রূপায়িত করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
81
উত্তরঃ

আরবদের সিন্ধু অভিযানের পূর্বে ভারতীয় সমাজে নারীর অবস্থা শোচনীয় ছিল।
প্রাক-মুসলিম ভারতীয় সমাজে সতীদাহ প্রথা ও বাল্যবিবাহের প্রচলন ছিল। তাছাড়া বিধবা বিবাহ প্রথার বিলোপ ঘটেছিল। তাই নারীরা সমাজে অবহেলিত হয়ে পড়েছিল। তারা সব ধরনের অধিকার বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছিল। তবে এ চিত্র নিম্ন শ্রেণির নারীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যেত। অভিজাত পরিবারের নারীরা শিক্ষাগ্রহণ ছাড়াও সামাজিক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ পেত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
69
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews