অদম্য সাহসী নাসির খান তুর্কি বাহিনীর সামান্য সৈনিক পদে কয়েকবার ব্যর্থ হওয়ার পর যোগদান করতে সক্ষম হন। তিনি মিশরের সীমান্ত অঞ্চলে দায়িত্ব পালনকালে দেখতে পান যে মিশরের সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে চরম অরাজকতা চলছে। ইংরেজ, ফরাসি, মামলুক ও তুর্কিদের মধ্যে বিরাজিত ও অরাজকতার সুযোগে নাসির খান তুর্কি বাহিনীর সেনাপতিত্ব গ্রহণ করেন এবং মিশরকে অতর্কিত আক্রমণ করে নিজের দখলে নিয়ে নেন। বিবদমান ক্ষমতাসীন শাসকবর্গ মিশর ছেড়ে 'পালিয়ে যান। নাসির খান প্রথমে তুর্কি সুলতানের গভর্নর হিসেবে মিশরে নিয়োগ পেলেও পরবর্তীতে মিশর স্বাধীন রাজ্যের মর্যাদা লাভ করে।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

বাংলার সেন বংশের সর্বশেষ রাজা ছিলেন লক্ষ্মণ সেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুদের বর্ণভেদ প্রথা বলতে তাদের মধ্যে প্রচলিত বিভিন্ন শ্রেণিকে বোঝায়।
অষ্টম শতাব্দীর প্রারম্ভে হিন্দু সমাজ ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র এই চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এদের মধ্যে ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রিয়দের ধর্মকর্ম, যাগযজ্ঞ এবং অন্যান্য সকল কাজে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। তারাই আইন-কানুন প্রণয়ন করত এবং শাসনদণ্ডও ছিল তাদের হাতে। সমাজে বৈশ্য ও শূদ্ররা ছিল অধঃপতিত ও অসহায়। বেদবাক্য শুনলে কিংবা বেদ গীতা পাঠ করলে তাদেরকে কঠোর শাস্তি প্রদান করা হতো। আর এই চার শ্রেণির বাইরের লোকদের অপবিত্র মনে করা হতো। হিন্দু সমাজের এ বিভক্তিই বর্ণভেদ প্রথা নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মিসরের অরাজকতার সাথে প্রাক-মুসলিম বাংলার বিশৃঙ্খল ও অস্থিতিশীল সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থার সামঞ্জস্য রয়েছে।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনৈতিক অনৈক্য একটি পরিচিত দৃশ্যপট। রাজনৈতিক অনৈক্যের কারণে বিভিন্ন অঞ্চল অতীতে ছোট ছোট ভাগে ভাগ হয়ে বিশৃঙ্খলায় পতিত হয়েছে। মুসলিম বিজয়ের প্রাক্কালে ভারতবর্ষের রাজনৈতিক অবস্থা যার বাস্তব প্রমাণ। এছাড়া জাতিভেদ প্রথার কারণে সামাজিক অবস্থাও ছিল মারাত্মক বিশৃঙ্খলাপূর্ণ। উদ্দীপকেও এমনি একটি অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে।
উদ্দীপকে মিসরের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে; যেখানে সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে চরম অরাজকতা বিরাজমান। অনুরূপভাবে প্রাক-মুসলিম বাংলার সামাজিক অবস্থা ছিল চরম বিশৃঙ্খল। তৎকালীন সমাজ ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র এই চার শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল। এদের মধ্যে ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রিয়রা সমাজের সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করত। অপরপক্ষে বৈশ্য ও শূদ্ররা ছিল নানা প্রকার সুবিধা থেকে বঞ্চিত ও নির্যাতিত। এছাড়া তৎকালীন বাংলায় রাজনৈতিক ঐক্য ছিল না। ভারতবর্ষ অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল। এ সমস্ত রাষ্ট্রসমূহ একে অপরের ওপর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা ও শক্তি বৃদ্ধির জন্য সর্বদা যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত থাকত। ফলে সেখানে চরম রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা বিরাজমান ছিল। তাই বলা যায় যে, প্রাক-মুসলিম ভারতবর্ষের বাংলার পরিস্থিতি উদ্দীপকে বর্ণিত মিসরের অবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নাসির খানের কর্মকাণ্ডের সাথে মুসলমানদের বঙ্গ বিজয়ের কাহিনির সাদৃশ্য রয়েছে।

মুসলমানদের বরুণ বিজয় ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। ৭১২ খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ বিন কাসিম কর্তৃক সিন্ধু বিজিত হলেও তিনি পুরো ভারতবর্ষে শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হননি। কেননা তিনি মাত্র তিন বছরের মধ্যে পরবর্তী শাসক সুলায়মানের রোষানলে পড়ে নিহত হন। পরবর্তীতে মুসলিম বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি তাতর্কিত আক্রমণ পরিচালনা করে বাংলা জয় করতে সক্ষম হন। উদ্দীপকেও বাংলা জয়ের ঘটনার প্রতি ইবিগত করা হয়েছে।
উদ্দীপকে বর্ণিত নাসির খান মিসরের সামাজিক ও রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার সুযোগে অতর্কিত অভিযান পরিচালনা করে মিসর জয় করেন। মিসরের শাসক পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। নাসির খান প্রথমে তুর্কি সুলতানের গভর্নর হিসেবে এবং পরবর্তীতে স্বাধীনভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। অনুরূপভাবে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বাংলার রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার সুযোগে মাত্র সতেরো জন সৈন্য নিয়ে ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে অতর্কিতভাবে বাংলা আক্রমণ করেন। বাংলার সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন ভয়ে রাজপ্রাসাদের পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। এভাবে বখতিয়ার খলজি বাংলা জয় করেন। বখতিয়ার খলজি মুহাম্মদ ঘুরীর সেনাপতি কুতুবউদ্দিন আইবেকের অধীনে বাংলার শাসনকার্য পরিচালনা করতে থাকেন। পরবর্তীতে তিনি স্বাধীনভাবে বাংলার শাসনকার্য পরিচালনা করেন।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের মাধ্যমে এদেশে ইসলামের প্রচার ও প্রসার ঘটে। তিনিই প্রথম বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
16
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রাচীন হিন্দু সমাজে প্রচলিত স্বামীর শবদেহের সাথে জীবিত বিধবা স্ত্রীকে একই চিতায় দাহ করার রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।
মৃত স্বামীর প্রতি বিধবা স্ত্রীর চূড়ান্ত আনুগত্য প্রদর্শনের একটি আচার হিসেবে প্রাচীন সমাজে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সতীদাহ প্রথা মেনে চলত। তখন স্বামীর মৃত্যু হলে বিধবা স্ত্রী স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়েই স্বামীর চিতায় আত্মাহুতি দিত। কিন্তু কালক্রমে এটি হিন্দু সমাজে ধর্মীয় বাধ্যবাধকতায় রূপ নেয়। এক সময় ধর্মের দোহাই দিয়ে সমাজপতিরা বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে সহমরণ বরণ করে নিতে বাধ্য করে। তারা জোর করে অনেক বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে পুড়িয়ে মারতে শুরু করে। হিন্দু সমাজের এ জঘন্য ও নিষ্ঠুর রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
118
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত শাসক সুলতান মাহমুদের মিল রয়েছে।

যেকোনো দেশ, রাজ্য বা অঞ্চলকে সমৃদ্ধিশালী ও সুসজ্জিত করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়- এই অর্থের প্রয়োজনে অনেক শাসক বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালিয়েছেন। উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান এবং ইতিহাসখ্যাত সুলতান মাহমুদ উভয়ের মধ্যেই এ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

উদ্দীপকে বর্ণিত সুলতান সুলেমান নিজ রাজ্যকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধিশালী করার জন্য বিভিন্ন দেশে অভিযান প্রেরণ করেন। সেসব অভিযান থেকে প্রাপ্ত ধন-সম্পদ কাজে লাগিয়ে তিনি তার শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেন। তাছাড়া শিক্ষা বিস্তার ও দেশের উন্নয়নে তিনি ধন-সম্পদ ব্যয় করেন। বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদও ধন-ঐশ্বর্যে ভরপুর ভারতবর্ষে বারবার আক্রমণ করে সুলতান সুলেমানের মতোই প্রচুর ধন-সম্পদ আহরণ করেছিলেন। তার উদ্দেশ্যও ছিল নিজের রাজ্যের উন্নয়ন ঘটানো। তাই তিনি ভারতবর্ষকে তার প্রয়োজনীয় অর্থভাণ্ডার মনে করে সেখানে ১৭ বার (১০০০ থেকে ১০২৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে) অভিযান প্রেরণ করেন এবং প্রতিবারই জয়লাভ করে প্রচুর সম্পদ হস্তগত করেন। তিনি আহরিত অর্থ-সম্পদ কাজে লাগিয়ে গজনি রাজ্যকে সমৃদ্ধিশালী করে গড়ে তুলেছিলেন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। শিল্প ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তিনি সুলতান সুলেমানের মতোই উদার ও আন্তরিক ছিলেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান ও গজনির শাসক সুলতান মাহমুদের মধ্যে সুস্পষ্ট সাদৃশ্য বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
110
উত্তরঃ

উত্ত শাসক তথ্য সুলতান মাহমুদ শুধু সেনানায়কই ছিলেন না, একটি রাজ্যের একজন প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন।

বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিশেষ খ্যাতি লাভ করেন। শত্রুপক্ষের অধীন সকল রাজ্য জয় করে তাদের ক্ষমতার চূড়ান্ত বিলোপ সাধনই ছিল সুলতান মাহমুদের লক্ষ্য এবং তিনি তা অর্জনে সক্ষম হন। পাঞ্জাবে তার শাসন দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষুদ্র গজনি রাজ্যকে তিনি বিশাল সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।

ভারতীয় ঐতিহাসিক ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, "সুলতান মাহমুদ ছিলেন বড় মাপের নৃপতি।" একটি পার্বত্য ক্ষুদ্র রাজ্যতে শুধু বাহুবলে বিশাল ও সমৃদ্ধ সাম্রাজ্যে পরিণত করা অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচায়ক। তার পূর্বে এশিয়ার অন্য কোনো আরব বা তুর্কি শাসক হিরাত, কাবুল ও গজনির বাইরে অগ্রসর হতে পারেননি। তিনি যে বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন, তা বাগদাদের সমসাময়িক আব্বাসীয় খলিফার সাম্রাজ্য অপেক্ষা বিশাল ছিল বলে মনে করা হয়। মুসলিম শাসকদের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত পথে তিনিই প্রথম ভারতে অভিযান চালিয়েছিলেন। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম মুসলিম রাজবংশ প্রতিষ্ঠায় কৃতিত্বের অধিকারী না হলেও তারই দেখানো পথে মুহাম্মদ ঘুরী এদেশে এসে মুসলিম শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
পরিশেষে বলা যায়, শুধু কৃতী সেনানায়ক নয়, সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও সুলতান মাহমুদ খ্যাতি অর্জন করেন। অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা বলেই তিনি ক্ষুদ্র গজনিকে বিশাল সাম্রাজ্যে রূপায়িত করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
82
উত্তরঃ

আরবদের সিন্ধু অভিযানের পূর্বে ভারতীয় সমাজে নারীর অবস্থা শোচনীয় ছিল।
প্রাক-মুসলিম ভারতীয় সমাজে সতীদাহ প্রথা ও বাল্যবিবাহের প্রচলন ছিল। তাছাড়া বিধবা বিবাহ প্রথার বিলোপ ঘটেছিল। তাই নারীরা সমাজে অবহেলিত হয়ে পড়েছিল। তারা সব ধরনের অধিকার বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছিল। তবে এ চিত্র নিম্ন শ্রেণির নারীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যেত। অভিজাত পরিবারের নারীরা শিক্ষাগ্রহণ ছাড়াও সামাজিক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ পেত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
71
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews