উদ্দীপকে অধ্যাপক ড. নীহাররঞ্জন সরকার বুদ্ধ্যঙ্ক নির্ণয়ের জন্য ওয়েক্সলার বুদ্ধি অভীক্ষা প্রয়োগ করেন।
ওয়েক্সলার বুদ্ধি অভীক্ষাটি একটি বহুল ব্যবহৃত ব্যক্তিভিত্তিক অভীক্ষা। অভীক্ষাতে ১১টি উপ-অভীক্ষা রয়েছে। এ ১১টি উপ-অভীক্ষা আবার দুভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- ভাষাগত এবং কর্মসম্পাদন মূলক।
ওয়েক্সলার বুদ্ধি অভীক্ষায় কর্মসম্পাদনমূলক মোট ৫টি উপ-অভীক্ষা রয়েছে যথা- ছবি পূরণ, ছবি সাজানো, ব্লক ডিজাইন, বস্তু গঠন, সংখ্যা প্রতীক প্রভৃতি। ছবি পূরণ উপ-অভীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে ১৫টি ছবি দেখানো হয়। প্রতিটি ছবিতে একটি অসম্পূর্ণ অংশ থাকে। পরীক্ষার্থীকে উত্ত অসম্পূর্ণ অংশের নাম বলতে বলা হয়। ছবি সাজানোর ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর কাজ হলো ছবিগুলো একটির পর একটি এমনভাবে সাজাতে হয় যেন একটি অর্থপূর্ণ গল্প তৈরি হয়। ব্লক ডিজাইন উপ-অভীক্ষাতে কতগুলো কাঠের ব্লকের সাহায্যে দ্রুততার সাথে একটি নির্দিষ্ট নকশার অনুরূপ নকশা তৈরি করতে বলা হয়। বস্তু গঠনের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর কাজ হচ্ছে বস্তুর কতগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশের সাহায্যে একটি পরিপূর্ণ বস্তু তৈরি করা। আর সংখ্যা প্রতীকে ৯টি সংখ্যার সাথে ৯টি প্রতীক থাকে। পরীক্ষার্থীকে সংখ্যা দেখানোর সাথে সাথে প্রতীকটির নাম বলতে বলা হয়।
উদ্দীপকে আমরা দেখি, 'অধ্যাপক নীহাররঞ্জন সরকার ৩০ জন বয়স্ক ব্যক্তির বৃদ্ধ্যঙ্ক নির্ণয়ের জন্য পাঁচটি উপ-অভীক্ষা প্রয়োগ করেন। উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে তিনি ওয়ক্সলার বুদ্ধি অভীক্ষা প্রয়োগ করেছেন।
Related Question
View Allপরীক্ষণের ফলাফলের তাৎপর্য বিশ্লেষণ ও অর্থবহ ক্রার জন্য লেখচিত্রে উপস্থাপন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পরীক্ষণের ফলাফল তথ্যকে সংক্ষিপ্ত ও সহজে বুঝবার জন্য পৌনঃপুন্যের বণ্টন টেবিলে উপস্থাপন করা হয়। অনেক সময় এর প্রকৃতি অনুধাবন করা সহজসাধ্য হয় না। কিন্তু তথ্যকে লেখচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করলে সবশ্রেণির লোকের পক্ষে তথ্যের তাৎপর্য অনুধাবন করা সহজ এবং গবেষকের পক্ষেও তাৎপর্য বিশ্লেষণ করা সহজ হয়। বস্তুত লেখ-এর মাধ্যমে দুইটি চলের মধ্যে সম্পর্ক সম্বন্ধে অনেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়।
দৃশ্যকল্প-১ থেকে বিস্তারমান নির্ণয় করা হলো:
অবিন্যস্ত উপাত্ত থেকে বিস্তারমান নির্ণয়ের সূত্র হলো:
এখানে, বিস্তারমান
∑ = যোগফল
x = সাফল্যাঙ্ক
N = সাফল্যাঙ্কের মোট সংখ্যা
মনোবিজ্ঞান বিষয়ে ১০ জন শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর হলো- ৩, ৪, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১২, ১৪, ১৭
| সাফল্যাঙ্ক (x) | বিচ্যুতি | বিচ্যুতির বর্গ |
| ৩ | ৬ | ৩৬ |
| 8 | ৫ | ২৫ |
| ৬ | ৩ | ৯ |
| ৭ | ২ | 8 |
| ৮ | ১ | ১ |
| ৯ | ০ | ০ |
| ১০ | -১ | ১ |
| ১২ | -৩ | ৯ |
| ১৪ | -৫ | ২৫ |
| ১৭ | -৮ | ৬৪ |
বিস্তারমান =
নিচে দৃশ্যকল্প-২ থেকে বীজগাণিতিক চিহ্নবর্জন সাপেক্ষে বিচ্যুতির পরিমাপ তথা গড় বিচ্যুতি নির্ণয় করে দেখানো হলো: বিন্যস্ত উপাত্ত থেকে গড় বিচ্যুতি নির্ণয়ের সূত্র হলো:
এখানে MD = গড় বিচ্যুতি
∑ = যোগফল
f= পৌনঃপুন্য
N = পৌনঃপুন্যের সমষ্টি
X = সাফল্যাঙ্ক
[x-x| = বীজগাণিতিক চিহ্নবর্জন সাপেক্ষে সাফল্যাঙ্ক থেকে গড় এর বিচ্যুতি।
| শ্রেণি ব্যবধান | পৌনঃপুন্য (f) | মধ্যবিন্দু (X) | X | বিচ্যুতি |x-| | |
| ৫০-৫৪ | ১ | ৫২ | ৫২ | ১৫.৫ | ১৫.৫ |
| ৪৫-৪৯ | ২ | ৪৭ | ৯৪ | ১০.৫ | ২১ |
| 8০-88 | 8 | ৪২ | ১৬৮ | ৫.৫ | ২২ |
| ৩৫-৩৯ | ৫ | ৩৭ | ১৮৫ | ০.৫ | ২.৫ |
| ৩০-৩৪ | 8 | ৩২ | ১২৮ | ৪.৫ | ১৮ |
| ২৫-২৯ | ৩ | ২৭ | ৮১ | ৯.৫ | ২৮.৫ |
| ২০-২৪ | ১ | ২২ | ২২ | ১৪.৫ | ১৪.৫ |
| N = ২০ | = ৭৩০ | = ১২২ |
এখানে, গড় = x আবার, গড় বিচ্যুতি
= ৩৬.৫ = ৬.১.
নির্ণেয় গড় বিচ্যুতি = ৬.১ (প্রায়)
বিচ্যুতির পরিমাপগুলো হলো পরিসর, চতুর্থাংশীয় বিচ্যুতি, গড় বিচ্যুতি, বিস্তারমান ও আদর্শ বিচ্যুতি।
উপাত্তকে সুবিন্যস্তভাবে প্রকাশ করা এবং তথ্যগুলোকে সহজ ও সরলভাবে উপস্থাপন করা হয় বলে বর্ণনামূলক পরিসংখ্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বর্ণনামূলক পরিসংখ্যান পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে বহু সংখ্যক উপাত্তকে সুবিন্যস্ত করা যায়, সাধারণ বৈশিষ্ট্য ও ব্যতিক্রম ইত্যাদি বিষয়ে বর্ণনা দেওয়া যায়। এছাড়াও সাধারণ তথ্য ও ব্যতিক্রমধর্মী তথ্যের গাণিতিক বিশ্লেষণের জন্যও এই ধরনের পরিসংখ্যান ব্যবহৃত হয়। বর্ণনামূলক পরিসংখ্যানে পৌনঃপুন্যের বণ্টন, লেখচিত্র, গড়, মধ্যক, প্রচুরক, আদর্শ বিচ্যুতি প্রভৃতি ব্যবহার করা হয় এবং এখানে দুইটি উপাত্তের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা ও তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয় করা যায়। এসব কারণে বর্ণনামূলক পরিসংখ্যান অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!