অনুচ্ছেদ-১: 'ক' নামক একটি এলাকাতে 'খ' নামক একজন ব্যক্তি জনপ্রতিনিধি মনোনীত হন। 'খ' জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর পরই তার কাছের লোকদের দ্বারা বাধার সম্মুখীন হন। এ সুযোগে ঘরে-বাইরের ষড়যন্ত্রে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অনুচ্ছেদ-২: সুন্দরগঞ্জ এলাকার মানুষ যথাযথ শিক্ষার সুযোগ লাভ করতে না পেরে অজ্ঞতা ও অন্ধবিশ্বাসে নিমজ্জিত ছিল। এ অবস্থায় তাদের মধ্যে এক নতুন ধরনের শিক্ষার বিস্তার লাভ করায় এতদিন ধরে তারা যে ভুল ও অযৌক্তিক কাজ করে আসছিল সে সম্পর্কে তাদের মনে প্রশ্ন জাগে।

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

১৬৪৮ সালে ইউরোপের যুদ্ধরত বিভিন্ন দেশের মধ্যে যে শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়, সে শান্তি চুক্তিকে 'ওয়েস্টফালিয়ার চুক্তি' বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

রবার্ট ক্লাইন্ড দিল্লির সম্রাটের কাছ থেকে দেওয়ানি লাভের পর বাংলার নবাবকে বৃত্তিভোগীতে পরিণত করে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন করেন। এ ব্যবস্থায় ক্লাইভ বাংলার নবাবের ওপর শাসন ও বিচার বিভাগের দায়িত্ব অর্পণ করেন এবং রাজস্ব আদায় ও প্রতিরক্ষার দায়িত্ব ন্যস্ত করেন কোম্পানির ওপর। এভাবে অর্থ ও প্রতিরক্ষার দায়িত্ব হারিয়ে নবাব ক্ষমতাহীন হয়ে পড়েন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে অনুচ্ছেদ-১-এ বর্ণিত ঘটনার সাথে বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার হত্যার মাধ্যমে ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠার ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে।

বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব আলিবর্দী খাঁর মৃত্যুর পর তাঁর প্রিয় নাতি সিরাজউদ্দৌলা মাত্র ২২ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন। ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিয়ে নবাবের পরিবার এবং রাজপ্রাসাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। তরুণ নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে তাঁর খালা ঘসেটি বেগম, মীর জাফর, মীর কাসিমসহ রাজদরবারের প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ এবং উমিচাঁদ, জগৎশেঠ ও রাজবল্লভদের মতো তৎকালীন ধনী অভিজাতদের একটি অংশ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ইংরেজ বণিকরা তাদের সাথে যোগ দেয়। ফলে ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর যুদ্ধে প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার মধ্য দিয়ে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ঘটে। নবাবকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। উদ্দীপকে অনুচ্ছেদ-১ এ 'খ' তথা সিরাজউদ্দৌলার ক্ষমতা গ্রহণের পর কাছের লোক যেমন- খালা ঘসেটি বেগম, মীর জাফর এবং বাইরের লোক অর্থাৎ ইংরেজ বণিকদের ষড়যন্ত্রে মৃত্যুবরণ করেন।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের অনুচ্ছেদ-১-এর ঘটনাটি পলাশী যুদ্ধের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলায় ইংরেজ কোম্পানির ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের অনুচ্ছেদ-২-এ বর্ণিত বিষয়টির মতো ইতিহাসের ইংরেজরা তাদের শাসন পাকাপোক্ত করার লক্ষ্যে দেশীয়দের মধ্য থেকে ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত একটি অনুগত শ্রেণি তৈরিতে মনোযোগ দেয়। এ কারণে তারা ১৭৮১ সালে কলকাতা মাদ্রাসা এবং ১৭৯১ সালে সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। ফলশ্রুতিতে ইংরেজদের উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে আধুনিক শিক্ষার সংস্পর্শে এসে স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন চেতনার স্ফুরণ ঘটতে থাকে। বহুকালের প্রচলিত বিশ্বাস, সংস্কার, বিধান সম্পর্কে প্রশ্ন জাগতে থাকে। এই সময় প্রচলিত ধর্ম, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, সামাজিক রীতিনীতি ও ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে এক ধরনের চিন্তার বিপ্লব সূচিত হয়। এ নতুন চেতনা ও নতুন চিন্তার মধ্যেই বাংলার রেনেসাঁ বা নবজাগরণেরঘটনা হলো নবজাগরণ, যা মানুষের মধ্যে এক নতুন চেতনা তথা জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটে।

বিরুদ্ধে রীতিমতো আন্দোলন শুরু হয়। বিধবা বিবাহের পক্ষে মত তৈরি হয়। এদেশে এসময় জ্ঞানচর্চায় সীমিত কিন্তু কার্যকর জোয়ার সৃষ্টি হয়। প্রকাশনা ও মুদ্রণযন্ত্রের স্থাপনের মাধ্যমে মানুষের মনকে মুক্ত করা ও জাগিয়ে তোলার পথ খুলে যায়। ফলে সংবাদপত্র ও বইপুস্তকের মাধ্যমে শিক্ষা ছড়িয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে রাজা রামমোহন, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, ডিরোজিও মাইকের প্রমুখ সাধকদের অবদান ব্যাপক। বাঙালির এই নবজাগরণ কলকাতা মহানগরীতে ঘটলেও এর পরোক্ষ প্রভাব সারা বাংলাতেই পড়ে। এর ফলে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটে। সেই সাথে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও গণতান্ত্রিক অধিকারবোধেরও উন্মেষ ঘটে।
তাই বলা যায়, অনুচ্ছেদ-২-এর বিষয়টি বাংলার মানুষের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনার সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
74

বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের আগমন ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে হলেও পরে তারা আমাদের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেয়। এদের মধ্যে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যায়। ১৭৫৭ সালে বাংলা-বিহার ও উড়িষ্যার নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করে তারা ক্ষমতা দখল করে নেয়। বাংলায় ইংরেজদের শাসন চলে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত। এভাবে ১৭৫৭ সালের পরে বাংলায় যে শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সাধারণত আমরা তাকে ঔপনিবেশিক শাসন বলি। আর ১৭৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ইংরেজ শাসনামলকে ঔপনিবেশিক যুগ বলি ।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
উপনিবেশ কী তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার বিস্তার ও অবসানের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
বাংলায় ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকদের আগমন ও বাণিজ্য বিস্তার সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
বাংলায় ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠার কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব; বাংলায় ইংরেজ শাসনের কার্যক্রম ব্যাখ্যা ও মূল্যায়ন করতে পারব;
ইংরেজ কোম্পানি শাসনের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
ইংরেজ কোম্পানি শাসনকালে বাংলার আর্থ-সামাজিক অবস্থা বর্ণনা করতে পারব; ইংরেজ কোম্পানি শাসনের প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব;
ব্রিটিশ শাসনের বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারব;
তৎকালীন বাংলার আর্থ-সামাজিক অবস্থা বর্ণনা করতে
ব্রিটিশ শাসনের প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারব,; বাংলার জাগরণের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উপনিবেশিকরণ হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে একটি দেশ অন্য দেশকে অর্থনৈতিক শোষণ এবং লাভের উদ্দেশ্যে নিজের দখলে আনে। দখলকৃত দেশটি দখলকারী দেশের উপনিবেশে পরিণত হয়। বাংলাও প্রায় দুইশ বছর ইংরেজদের অধীনে উপনিবেশ ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
401
উত্তরঃ

বাংলায় মানব বসতি প্রাচীনকাল থেকেই শুরু হয়। এই অঞ্চল ধনসম্পদে ভরপুর থাকায় বাইরের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এখানে এসে বসতি গড়ে তোলে। বাংলার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিই ছিল বহিরাগতদের আকর্ষণের প্রধান কারণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
318
উত্তরঃ

শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় দীর্ঘ সময় ধরে কোনো শক্তিশালী শাসক না থাকায় অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এই সময়কে মাৎস্যন্যায় যুগ বলা হয়। এটি সংস্কৃত ভাষায় 'বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে' এমন অরাজকতার সময় নির্দেশ করে। এ সময়ে বাংলা বহু রাজ্য বিভক্ত হয়ে পড়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
375
উত্তরঃ

বাংলার স্বাধীন সুলতানি শাসনের সূচনা হয় ১৩৩৮ সালে। সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ দিল্লির সুলতানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। পরে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ বাংলার প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
229
উত্তরঃ

সুলতানি আমলে বাংলার প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন সুলতান - শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। তিনি বাংলার বৃহদাংশ অধিকার করে 'শাহ-ই-বাঙ্গালিয়ান' উপাধি গ্রহণ করেন। তার শাসনকালে বাংলার ঐক্য, 'স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
212
উত্তরঃ

সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ বাংলার ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি বাংলার শিল্প-সাহিত্য এবং সংস্কৃতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর শাসনকালে বাংলার অর্থনীতি ও সংস্কৃতি সমৃদ্ধি লাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
256
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews