স্কুল লাইব্রেরি
মানুষের জ্ঞান অর্জনের প্রধান মাধ্যম বই। আর বইয়ের শ্রেণিবদ্ধ সম্ভারকে বলা হয় লাইব্রেরি। প্রধানত তিন রকমের লাইব্রেরি দেখা যায় ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সাধারণ লাইব্রেরি। ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে মানুষ নিজের পছন্দমতো বই নির্বাচন করতে পারে। পারিবারিক লাইব্রেরিতে পরিবারের সবার পছন্দ অনুযায়ী বই থাকে। সাধারণ লাইব্রেরি সব শ্রেণির মানুষের জন্য গড়ে ওঠে এবং এখানে বিশ্বের অনেক দুর্লভ, মূল্যবান ও দামি বইয়ের সন্নিবেশ লক্ষ করা যায়। বিভিন্ন রকমের বইয়ের সম্ভার নিয়েই সাধারণ লাইব্রেরি গড়ে ওঠে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে লাইব্রেরি গড়ে ওঠে শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী। প্রত্যেক স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সমৃদ্ধ লাইব্রেরি থাকা প্রয়োজন। কেননা লাইব্রেরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনেক বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। তাই বলা যায়, লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা জ্ঞান অর্জনে অনস্বীকার্য।
বাক্য মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম। কিন্তু সব সময় একটি বাক্যের মাধ্যমে মনের সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। প্রয়োজন হয় একাধিক বাক্যের। মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার জন্য পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত বাক্যের সমষ্টিই অনুচ্ছেদ।
অনুচ্ছেদ এবং প্রবন্ধ এক বিষয় নয়। কোনো বিষয়ের সকল দিক আলোচনা করতে হয় প্রবন্ধে। কোনো বিষয়ের একটি দিকের আলোচনা করা হয় এবং একটিমাত্র ভাব প্রকাশ পায় অনুচ্ছেদে। অনুচ্ছেদ রচনার কয়েকটি নিয়ম রয়েছে। যেমন-
ক) একটি অনুচ্ছেদের মধ্যে একটিমাত্র ভাব প্রকাশ করতে হবে। অতিরিক্ত কোনো কথা লেখা যাবে না।
খ) সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো বাক্যের মাধ্যমে বিষয় ও ভাব প্রকাশ করতে হবে।
গ) অনুচ্ছেদটি খুব বেশি বড় করা যাবে না।
ঘ) একই কথার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
ঙ) যে বিষয়ে অনুচ্ছেদটি রচনা করা হবে, তার গুরুত্বপূর্ণ দিকটি সহজ-সরল ভাষায় সুন্দরভাবে তুলে ধরতে হবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!