অনুভব একজন ডুবুরি। সে তার জাহাজ থেকে ৪৫০০ মিটার দূরে সমুদ্রের মাঝে প্রবাল অনুসন্ধান করছে। হঠাৎ তাদের জাহাজের পাশে থাকা একটি ছোট নৌকায় রাখা গ্যাসের সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটে। বাতাসে ও সমুদ্রের পানিতে শব্দের বেগ যথাক্রমে ৩৩০ মি./সে. এবং ১৫০০ মি./সে.।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মানুষের শ্রাব্যতার সীমা হচ্ছে ২০ হার্জ থেকে ২০,০০০ হার্জ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

কঠিন মাধ্যমে শব্দ মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। মাধ্যমের যে অংশে শব্দ সৃষ্টি হয় সে অংশের কণাগুলো প্রথমে কম্পিত হয়। সাথে সাথে এই কণাগুলোর পার্শ্ববর্তী কণাগুলোও কম্পিত হয়। ক্রমান্বয়ে এভাবে কম্পনের ফলে শব্দ সঞ্চালিত হয়। কঠিন মাধ্যমে শব্দ বায়ু ও তরল মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে সঞ্চালিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক হতে

পানিতে শব্দের বেগ ১৫০০ মি./সে.
জাহাজ ও অনুভবের মধ্যবর্তী দূরত্ব ৪৫০০ মি.।
শব্দ অনুভবের কানে পৌছাতে প্রয়োজনীয় সময় = ?
আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়

বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ

             = ৪৫০০ মি. / ১৫০০ মি./সে.

           = ৩ সে.

সুতরাং, শব্দ অনুভবের কানে পৌছাতে ৩ সেকেন্ড সময় লাগবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক মতে,

ডাঙার ক্ষেত্রে, অনুভব ও জাহাজের মধ্যবর্তী দূরত্ব = ৪৫০০ মি.

বায়ুতে শব্দের বেগ = ৩৩০ মি./সে.
এক্ষেত্রে, সময় = ?
আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব/সময়

বা, সময় = দূরত্ব/শব্দের বেগ = ৪৫০০ মি./৩৩০ মি./সে. = ১৩.৬৪ সে.

গ হতে পাই, পানিতে অনুভবের শব্দ শুনতে সময় লাগে ৩ সেকেন্ড। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, সমুদ্রের পানিতে শব্দ শুনতে ডাঙার চেয়ে কম সময় লাগে। অর্থাৎ, বলা যায়, একই দূরত্বে ডাঙায় ও সমুদ্রের পানিতে একই সময়ে শব্দ শোনা যাবে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
130

তোমার ঘরের দরজায় ঠক্ শব্দ হলে তুমি বুঝতে পার তোমার দরজায় কেউ অপেক্ষা করছে। দরজার কলিংবেল বাজলেও আমরা বুঝতে পারি কেউ এসেছে। কারও পায়ের শব্দ শুনে তুমি বুঝতে পার যে, কেউ আসছে। শব্দ আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা অন্যের সাথে যোগাযোগে সহায়তা করে। আমরা আমাদের চারপাশে নানা রকম শব্দ শুনতে পাই। বাঁশির সুর, গাড়ির হর্ন, কুকুরের ঘেউ ঘেউ, ছাগলের ব্যা ব্যা, মুরগির কুকুরুকু, পাখির কলতান ইত্যাদি। শব্দ এক প্রকার শক্তি, যা আমাদের শুনার অনুভূতি জন্মায়। শব্দ কীভাবে উৎপন্ন হয়, কীভাবে সঞ্চালিত হয়, কীভাবে আমরা বিভিন্ন রকম শব্দ চিনতে পারি ইত্যাদি নিয়ে এই অধ্যায়ে আলোচনা করব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • শব্দের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব।
  • শব্দ সঞ্চালন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • কঠিন, তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগের তুলনা করতে পারব।
  • প্রাণী কীভাবে শব্দ শুনতে পায় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • শ্রাব্যতার সীমা ও অপ্রীতিকর শব্দ (noise) ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্রে শব্দ সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • দৈনন্দিন জীবনে শব্দের ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক (অপ্রীতিকর শব্দ ও দূষণ) সম্পর্কে নিজে সচেতন হব এবং অন্যদের সচেতন করব।
  • দলগত কাজে সহপাঠিদের বক্তব্য শুনব, সক্রিয় অংশগ্রহণ করব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহযোগিতা করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে শক্তি আমাদের কানে প্রবেশ করে শ্রবণের অনুভূতি জাগায় তাই শব্দ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
395
উত্তরঃ

আমরা জানি, শব্দ মাধ্যম ছাড়া চলাচল করতে পারে না। আবার বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগও বিভিন্ন। যেমন- শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে কঠিন মাধ্যমে, তারপর তরল মাধ্যমে, এরপর বায়ুমাধ্যমে। রেলপাত লোহার তৈরি অর্থাৎ রেলপাত একটি কঠিন মাধ্যম। সুতরাং রেলপাতের মধ্য দিয়ে শব্দ খুব দ্রুত চলাচল করে। তাই রেলপাতে কান রাখলে দূর থেকে রেলগাড়ি চলার শব্দ রেল পাতের মধ্য দিয়ে খুব দ্রুত কানে পৌছায় বলে ঐ শব্দ শোনা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
577
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত,

বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৩০ মি./সে.

শব্দ শোনার সময় = ?

বোমা ফাটার স্থান ও তীরে অবস্থিত লোকটির দূরত্ব ৩৩০০ মিটার

আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়

বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ৩৩০ মি./সে. = ১০ সেকেন্ড

অতএব, বোমা ফাটার স্থান থেকে তীরে অবস্থিত 'লোকটি ১০ সেকেন্ড পর শব্দ শুনবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
372
উত্তরঃ

উদ্দীপক অনুযায়ী, ডুবুরি বোমা ফাটার স্থান থেকে ৩৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত।

সমুদ্রের পানিতে শব্দের বেগ ১৫০০ মি./সে.

শব্দ শোনার সময় = ?

আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়

বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ১৫০০ মি./সে. = ২.২ সেকেন্ড

'গ' হতে পাই, তীরে অবস্থিত লোকটি বোমা ফাটার শব্দ শুনে ১০ সেকেন্ড পর।

অতএব, ডুবুরি ও লোকটি একই সময়ে বোমা ফাটার শব্দ শুনতে পাবে না, ডুবুরি আগে শুনতে পাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
382
উত্তরঃ

যে শব্দ শুনতে ভালো লাগে, সুখকর, মধুর ও আনন্দদায়ক সে শব্দই সুশ্রাব্য শব্দ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
340
উত্তরঃ

শব্দের যে বৈশিষ্ট্য দ্বারা কোন সুর চড়া ও কোন সুর মোটা বুঝা যায় তাকে তীক্ষ্ণতা বলে। শব্দের তীক্ষ্ণতা শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পাঙ্ক ও দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেলে তীক্ষ্ণতা কমে এবং দৈর্ঘ্য কমলে তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। 'কাজেই বাঁশের বাঁশির দৈর্ঘ্য কম হলে শব্দের তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
365
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews