গ্রাম হচ্ছে ভর পরিমাপের একক।
বর্তমানে দৈর্ঘ্য পরিমাপে আন্তর্জাতিক এককের ব্যবহার দেখা যায়। এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক হলো মিটার। বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা ১৮৭৫ সালে একত্রে বসে দৈর্ঘ্যের এক মিটারের পরিমাণ নির্ধারণ করেন। তারা প্লাটিনাম-ইরিডিয়াম নামক মিশ্রিত ধাতুর তৈরি একটি দন্ডের দুই প্রান্তে দুটি দাগ দেন। শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ঐ দুটি নির্দিষ্ট দাগের মধ্যকার দূরত্বকে তারা এক মিটার হিসেবে নির্ধারণ করেন।
পঞ্চাশ পয়সার ২টি কয়েন = ১ টাকা্
‘’ ‘’ ১টি ‘’ টাকা
‘’ ‘’ ৯৭টি ‘’ টাকা = ৪৮.৫০ টাকা
এক টাকার ১ টি কয়েন = ১ টাকা
‘’ ‘’ ১০৫টি ‘’ = ১ ১০৫ = ১০৫ টাকা
দুই টাকার ১ টি কয়েন = ২ টাকা
‘’ ‘’ = ২ টাকা ‘’ = ২ ২২ = ৪৪ টাকা
পাঁচ টাকার ১ টি কয়েন = ৫ টাকা
‘’ ‘’ ১৮টি ‘’ = ৫ ০ ১৮ = ৯০ টাকা
ব্যাংকটিতে মোট জমা হলো= (৪৮.৫০+ ১০৫ + ৪৪ + ৯০) টাকা
= ২৮৭.৫০ টাকা
অতএব, আলমের মাটির ব্যাংকটিতে মোট ২৮৭.৫০ টাকা জমা হলো।
পথ্যাশ পয়সার ভর ও পুরুত্ব দুটির পরিমাণ খুবই কম। তাই একটি করে পয়সার ভর ও পুরুত্ব নির্ণয় অনেক কষ্টকর। তবে নিচের পদ্ধতি ব্যবহার করে পঞ্চাশ পয়সার বয়নের ভর ও পুরুত্ব উভয়ই নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা সম্ভব-
১. পঞ্চাশ পয়সার ভর নির্ণয় পাল্লার বামদিকে ১০০ গ্রামের একটি বাটখারা রাখি। এবার ডানদিকে পাল্লায় একটির পর একটি পয়সা দিতে থাকি যতক্ষণ না পর্যন্ত বাম ও ডান পাল্লা সাম্যাবস্থায় আসে।
দেখা গেল, ১০০ গ্রাম = ২৫টি প্যাশ পয়সার কয়েন।
অতএব, একটি পঞ্চাশ পয়সার কয়েনের ভর= গ্রাম = ৪ গ্রাম
২. পঞ্চাশ পয়সার পুরুত্ব নির্ণয় কয়েকটি পঞ্চাশ পয়সার কয়েন একটির উপর একটি রেখে তারপর মিটার স্কেলের সাহায্যে এদের সর্বমোট উচ্চতা নির্ণয় করি।
দেখা গেল, সর্বমোট কয়েন = ৩০টি
মোট উচ্চতা = ৩০ মিলিমিটার
অতএব, একটি কয়েনের পুরুত্ব= মিলিমিটার
= ১ মিলিমিটার
অতএব উপরোক্ত প্রক্রিয়ায় পঞ্চাশ পয়সার প্রতিটি কয়েনের ভর ও
Related Question
View Allআমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিমাপের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কারণ জীবনধারণের জন্য প্রতিনিয়তই আমাদেরকে বিভিন্ন জিনিসের আদান-প্রদান করতে হয়। যেমন- কেনাকাটা, কোনো কিছুর পরিমাণ নির্ণয় করা, এমনকি বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও পরিমাপের প্রয়োজন। কারণ পরিমাপ ব্যতীত এ কাজগুলো কোনোভাবেই সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে পরিমাপের প্রয়োজন হয়।
উদ্দীপক থেকে পাই,
ফারহানের পড়ার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গমিটার
এবং দৈর্ঘ্য = ১০ মিটার
আমরা জানি,
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য প্রস্থ
প্রস্থ= ক্ষেত্রফল/দৈর্ঘ্য
= ৪০ বর্গমিটার/১০ মিটার== ৪ মিটার
অতএব, ফারহানের পড়ার ঘরের প্রস্থ ৪ মিটার।
উদ্দীপক থেকে পাই,
ফারহানের পড়ার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গমিটার
পড়ার টেবিলের দৈর্ঘ্য = ১ মিটার
পড়ার টেবিলের প্রশ্ন = ৫০ সে. মি.
মি. [ ১০০ সে. মি. = ১ মি.]
= ০.৫ মি
পড়ার টেবিলের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য প্রস্থ) বর্গএকক
= (১ ০ ০.৫) বর্গমিটার
= ০.৫ বর্গমিটার
অতএব, একটি টেবিলের ক্ষেত্রফল = ০.৫ বর্গমিটার
ঘরের ফাঁকা জায়গার ক্ষেত্রফল = (৪০ ১) বর্গমিটার
= ৩৯ বর্গমিটার
অতএব, টেবিল দুটি রাখার পর ঘরে ৩৯ বর্গমিটার ফাঁকা জায়গা থাকবে
ক্যান্ডেলা হলো দীপন ক্ষমতা অর্থাৎ আলোক ঔজ্জ্বল্য পরিমাপের একক।
যেসব একক একাধিক মৌলিক এককের সমন্বয়ে গঠিত - তাদেরকে যৌগিক একক বলে। যেমন, আয়তনের একক ঘনমিটার, যা তিনটি মৌলিক দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতার একক মিটার এর গুণফল। -তাই আয়তনের একক একটি যৌগিক একক।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
