অন্ধকূপ হত্যা ছিল ১৭৫৬ সালের ২০ জুন বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার কলকাতা দখলের পর ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের একটি ক্ষুদ্র কোঠায় ইংরেজ বন্দীদের মৃত্যুর একটি বিতর্কিত ঘটনা।
কথিত আছে, নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতা আক্রমণ ও দখল করার পর সেখানে অবস্থানরত ইংরেজদের একটি ছোট দলকে বন্দী করেন। ইংরেজ সেনাপতি জন জেফানি হলওয়েল দাবি করেন যে, নবাবের নির্দেশে ১২৩ অথবা ১৪৬ জন ইংরেজ বন্দীকে ফোর্ট উইলিয়ামের ১৮ ফুট লম্বা ও ১৪ ফুট ১০ ইঞ্চি চওড়া একটি ছোট ঘরে রাতভর আটকে রাখা হয়। পরদিন সকালে কোঠার দরজা খোলা হলে অধিকাংশ বন্দীকে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এই লোমহর্ষক ঘটনাটি ইতিহাসে ‘অন্ধকূপ হত্যা’ নামে পরিচিত।
তবে, আধুনিক ঐতিহাসিকদের মধ্যে এই ঘটনার সত্যতা ও নিহতের সংখ্যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। অনেক গবেষক এটিকে ইংরেজদের অপপ্রচার বা অতিরঞ্জিত ঘটনা বলে মনে করেন, যা নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ব্রিটিশ জনমত তৈরি এবং পরবর্তীকালে পলাশীর যুদ্ধের অজুহাত হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। এই ঘটনা বাংলার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কিত অধ্যায়, যা ব্রিটিশদের ঔপনিবেশিক শাসনের পথ প্রশস্ত করতে সহায়ক হয়েছিল।
Related Question
View All1600 সাল
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (British East India Company) ১৬০০ সালের ৩১শে ডিসেম্বর রানী প্রথম এলিজাবেথের রাজকীয় সনদ (Royal Charter) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি মূলত 'Governor and Company of Merchants of London Trading into the East Indies' নামে পরিচিত ছিল। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব গোলার্ধের সাথে বাণিজ্য করা, বিশেষ করে মসলা, বস্ত্র ও অন্যান্য পণ্যের ব্যবসা। এই কোম্পানি পরবর্তীতে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তারে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং চূড়ান্তভাবে ১৮৭৪ সালে বিলুপ্ত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!