উদ্দীপকের অবনীবাবু বিশ্বকর্মা দেবতার পূজা করেন।
অবনীবাবুর জীবনে বিশ্বকর্মা দেবের পূজার শিক্ষা ও প্রভাব নিচে মূল্যায়ন করা হলো-
১. বিশ্বকর্মার কৃপায় শিল্প ও বিজ্ঞানে পারদর্শিতা লাভ করা যায়। তাঁর আশীর্বাদে অবনী বাবু কারুশিল্পকর্মে দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।
২. পারিবারিক ও মন্দিরভিত্তিক এ পূজা করার মাধ্যমে বিশ্বকর্মা দেবের প্রতি ভক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
৩. বিশ্বকর্মা পূজার মধ্য দিয়ে অবনীবাবু শিল্পের বিকাশ ঘটানোর প্রেরণা পাবেন।
৪. এ পূজার মাধ্যমে অবনীবাবু নিজের কাজে মনোযোগী হতে পারবেন এবং তার মধ্যে নৈশল্পিক মনোভাব গড়ে উঠবে।
৫. তাছাড়া রিশ্বকর্মা পূজার মধ্য দিয়ে অবনীবাবুর লোকশিল্পেও বিকাশ ঘটবে
Related Question
View Allপূজা' শব্দের অর্থ প্রশংসা করা বা শ্রদ্ধা করা।
হিন্দুধর্মে পূজা করার জন্য কতকগুলো নিয়ম অনুসরণ করা হয়। এসব নিয়মনীতিগুলোই পূজাবিধি। নিচে একটি পূজাবিধি ব্যাখ্যা করা হলো-
সংকল্প গ্রহণ: পূজাবিধি অনুসারে সঠিকভাবে পূজাকার্য সম্পাদনের জন্য সংকল্প গ্রহণ করতে হয়। সংকল্প অর্থ প্রতিজ্ঞা বা দৃঢ় ইচ্ছা।
অবনীবাবু প্রতিবছর পরমভক্তিতে বিশ্বকর্মা দেবের পূজা করেন।
বিশ্বকর্মার পূজা পদ্ধতি: ভাদ্র মাসের সংক্রান্তি তিথিতে বিশ্বকর্মার পূজা হয়ে থাকে। পূজার সময় পারিবারিক সদস্যগণ যেসব পেশায় নিয়োজিত তাঁদের ব্যবহৃত উপকরণসমূহ বিশ্বকর্মা প্রতিমার সামনে রাখা হয়। এরপর পুষ্পাঞ্জলি দিতে হয়।
পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র :
এষ সচন্দন দুর্বাপুষ্পবিল্পপত্রাঞ্জলিঃ
ওঁ শিল্পবতে শ্রীবিশ্বকর্মণে নমঃ।
এরপর প্রণাম করে পূজা শেষ করতে হয়।
বিশ্বকর্মা শব্দের অর্থ বিশ্বের নির্মাণকারী।
সুন্দর সুন্দর তৈজসপত্রের জিনিস দেখে সুভাস তার মাকে প্রশ্ন করায় মা সুভাসকে বলেছেন সৃজনশীল সৃষ্টির জ্ঞান ও মেধা এগুলো বিশ্বকর্মারই কৃপা।
বিশ্বকর্মা হচ্ছেন বিশ্বের নির্মাণকর্তা। বেদে এ অর্থেই গ্রহণ করা হয়েছে। ঋগ্বেদ বলা হয়েছে বিশ্বকর্মা সর্বদর্শী। এর চক্ষু, মুখমণ্ডল, বাহু, পদদ্বয় সবদিকে বিস্তৃত। বাহু ও পদদ্বয়ের সাহায্যে তিনি স্বর্গ ও মর্ত্যে নির্মাণ করেন। আমাদের নিত্যব্যবহার্য খাট, আলমারি, টেবিল, ঘর-দরজা এমন কি নিত্য প্রয়োজনীয় দা, কুঠার, কোদাল, খুন্তি, কাস্তে, হাতুড়ি, বাটান এসবকিছুর মধ্যেই আমরা বিশ্বকর্মার অবদান দেখতে পাই।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
