সংস্কৃতির যে অংশ অদৃশ্য তথা উপলব্ধির ওপর নির্ভরশীল তাই অবস্তুগত সংস্কৃতি ।
মানুষের চিন্তাভাবনা, শিল্প-সাহিত্য, দর্শন, ধর্ম, রাজনীতি, নীতিবোধ প্রভৃতি হচ্ছে অবস্তুগত সংস্কৃতি। অগবার্নের মতে, ধর্ম, ভাষা, সাহিত্য, বিশ্বাস, মানসিকতা, মূল্যবোধ প্রভৃতি হলো অবস্তুগত সংস্কৃতি।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allবৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মুখ্য উদ্দেশ্য হলো জগতের বাস্তব অবস্থা অনুসন্ধান করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা।
পারিবারিক পরিবেশেই শিশুর সামাজিকীকরণের সূত্রপাত হয়।
পরিবারের মধ্যে শিশু সমাজে প্রচলিত নিয়মানুবর্তিতা, নৈতিক আদর্শ, আচার-আচরণ প্রভৃতির সাথে পরিচিত হয় এবং সেগুলোকে আয়ত্ত করে। যেসব পরিবারে বাবা-মা শিশুদের সঙ্গ দেন এবং তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলেন সেসব পরিবারের ছেলে- মেয়েরা পরবর্তী সময় সহজ জীবন যাপন করতে পারে। তারা আত্মবিশ্বাসী হয়ে অন্যের সাথে সহজে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে।
উদ্দীপকের জেলার পরিবর্তনকে সমাজবিজ্ঞানের ভাষায় উন্নয়ন বলা হয়।
বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যয় হলো উন্নয়ন। উন্নয়ন হচ্ছে সামাজিক পরিবর্তন প্রক্রিয়া। সাধারণ অর্থে পূর্বের সময়ের তুলনায় একটি সমাজের আর্থ-সামাজিক অবস্থার অগ্রগতি হলে তাকে উন্নয়ন বলা যেতে পারে। এ অগ্রগতিমূলক পরিবর্তন হচ্ছে মানুষের সামাজিক আকাঙ্ক্ষা। এ পরিবর্তন যখন মানুষের জীবনমান, সামাজিক সম্পর্ক, শান্তি, স্থিতিশীলতা, ব্যক্তি স্বাধীনতার সম্প্রসারণ ঘটায় তখন তা সামাজিক উন্নয়ন হিসেবে বিবেচিত হয়।
উদ্দীপকের কৃষকরা মহাজনদের মাধ্যমে শোষিত হলে তারা তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং সিদ্ধান্ত নেয় তারা আর তামাক চাষ করবে না। পরবর্তীতে তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করে আত্মকর্মসংস্থানমূলক নানা কর্মকাণ্ড শুরু করে। ফলে কৃষকরা এখন সচ্ছল এবং অভাবমুক্ত। তাদের এই সচ্ছলতা উন্নয়নকেই নির্দেশ করে। কারণ উন্নয়ন মানেই অগ্রগতিমূলক পরিবর্তন, যা কৃষকদের বেলায় ঘটেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের কৃষকদের পরিবর্তন তথা উক্ত অঞ্চলের পরিবর্তনকে সমাজবিজ্ঞানের ভাষায় উন্নয়ন বলা যায়।
'উদ্দীপকের কৃষকদের প্রতিবাদ যেন কার্ল মার্কসের শ্রেণিসংগ্রাম তত্ত্বের প্রতিচ্ছবি'- আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত।
মার্কসের শ্রেণিসংগ্রাম তত্ত্বকে সঠিকভাবে বুঝতে হলে তার বর্ণিত দাস, সামন্ত ও পুঁজিবাদী সমাজকে ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। মার্কসের মতে প্রতিটি সমাজই দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত। তেমনিভাবে দাস সমাজও দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত। দাস এবং দাস মালিক। দাস সমাজের সবকিছু দাস মালিকের অনুকূলে থাকায় অধিকাংশ দাস বিদ্যমান সমাজব্যবস্থা মেনে নিতে রাজি হয়নি। অবশেষে কয়েকশ বছর সংগ্রামের পর তারা বিদ্যমান সমাজব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়।
দাস সমাজে যারা দাস ছিল সামন্ত সমাজে তারা ভূমিদাসে পরিণত হয়। এ সমাজে ব্যক্তি দাস সমাজ থেকে একটু বেশি স্বাধীনতা পায়, তবে পুরোপুরি স্বাধীনতা পায় না। ফলশ্রুতিতে এ সমাজের বিরুদ্ধেও তারা সংগ্রাম করে। মার্কসের মতানুসারে সামন্ত সমাজের অবসানের ফলে পুঁজিবাদী সমাজের আর্বিভাব ঘটে। এই পুঁজিবাদী সমাজে এসেই সবাই তাত্ত্বিকভাবে মুক্ত হয় এবং এ পর্যায়ে সমাজব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটে। যেমনটি আমরা উদ্দীপকে লক্ষ করি।
উপরের আলোচনায় এ বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, পুঁজিবাদী সমাজে পদার্পণের জন্য ব্যক্তিকে শ্রেণি সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আসতে হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের কৃষকদের প্রতিবাদ কার্ল মার্কসের শ্রেণিসংগ্রাম তত্ত্বেরই প্রতিচ্ছবি।
লোকরীতি হচ্ছে সমাজের আদর্শ বা মানসম্পন্ন আচরণ যা সমাজের সদস্যদের জন্যে অবশ্য পালনীয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত সমাজবিজ্ঞানী 'X' দ্বারা সমাজবিজ্ঞানী হার্বার্ট স্পেন্সারকে বোঝানো হয়েছে। উদ্দীপকে বর্ণিত সমাজবিজ্ঞানী 'X' সমাজবিজ্ঞানকে বিকশিত ও প্রতিষ্ঠিত করতে অগ্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন। যা সমাজবিজ্ঞানী হার্বার্ট স্পেন্সারের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
সামাজিক পরিবর্তন বিষয়ে স্পেন্সারের অভিমত হলো জগতের সব বিষয়ই পরিবর্তনশীল এবং পরিবর্তনের মাধ্যমে তা অপেক্ষাকৃত জটিল আকার ধারণ করে। তিনি সামাজিক পরিবর্তনের কারণ ও প্রভাব বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে সামাজিক পরিবর্তনের যে উপাদানগুলোকে চিহ্নিত করেছেন তা মূলত দু'ভাগে বিভক্ত। যথা- মুখ্য ও গৌণ।
উদ্দীপকে সমাজবিজ্ঞানী 'X'-এর যে পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে তাতে এ বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, এতে হার্বার্ট স্পেন্সারকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। সামাজিক পরিবর্তন বিষয়ে তার অভিমত সমাজ বিজ্ঞানে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!