অমলের কিশোর মনে পড়াশোনা করে পণ্ডিত হওয়ার চেয়ে দূর-দূরান্তে ঘুরে বেড়িয়ে দই বিক্রিকেই আনন্দময় পেশা মনে হয়। এজন্যই অমল দইওয়ালা হতে চায়।
'অমল ও দইওয়ালা' নাটকে অমল একটি কল্পনাপ্রবণ কিশোর। অসুস্থতার কারণে তাঁকে সারাদিন ঘরের মধ্যে বসে থাকতে হয়। ঘরে বসে পথ দিয়ে যাতায়াত করা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সে ডেকে ডেকে গল্প করে। একদিন এক দইওয়ালা সুর করে 'দই' 'দই' বলে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে করতে পথ চলতে থাকলে অমল তাকে ডাকে। তার সঙ্গে গল্প করে। নিজের কিশোর মনের সব কৌতূহল, প্রশ্ন, ভাবনা মেলে ধরে দইওয়ালার কাছে। অমলের দইওয়ালার পেশা পছন্দ হয়। এভাবে পথে ঘুরে ঘুরে দই বিক্রি করার মধ্যে সে আনন্দ খুঁজে পায়। দইওয়ালার গ্রাম থেকে দই এনে দূর-দূরান্তে বিক্রি করার মধ্যে সে আনন্দ ভ্রমণের সন্ধান পায়। বড়ো হয়ে সে দই বিক্রি করতে করতে ঘুরে বেড়ানোর পেশাকেই বেছে নিতে চায়। বই পড়ে পন্ডিত হওয়ায় তার আগ্রহ নেই। সে হতে চায় পথে পথে ঘুরে বেড়ানো দইওয়ালা।
অমলের কিশোর মন ঘরে আটকে থাকা, বই পড়ার চেয়ে ঘুরে বেড়াতেই ভালোবাসে। দইওয়ালারা ঘুরে বেড়িয়ে দই বিক্রি করে বলেই তারও মুক্ত স্বাধীন দইওয়ালা হতে ইচ্ছে করে।
Related Question
View Allঅমল ঘরবন্দি থাকতে গিয়ে উন্মুক্ত জীবনের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। তার মনের মধ্যে জমতে থাকে বাইরে যাওয়ার তুমুল আকাঙ্ক্ষা।
'অমল ও দইওয়ালা' নাটকে অসুস্থ অমল ঘরবন্দি থাকতে গিয়ে বাইরের জগতের প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়ে। সারাদিন ঘরে বসে বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকে। পথচারীদের ডেকে গল্প করে। তার দইওয়ালার সঙ্গে চলে যেতে ইচ্ছে হয়। তার কিশোর মনের মধ্যে মুক্তির জন্য তোলপাড় চলতে থাকে। কবিরাজের নিষেধ তাকে বাহ্যিকভাবে ফিরিয়ে রাখলেও মনে মনে সে ঘুরে বেড়ায় সারা দুনিয়াময়। উন্মুক্ত পৃথিবী তাকে ব্যাকুল করে তোলে।
এভাবে অমলের মানসিক অবস্থার পরিচয় পাওয়া যায় তার বন্দিত্ব থেকে উন্মুক্ত পৃথিবীর প্রতি দুর্বার আকর্ষণে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!