অমিত NH4Cl এর দ্রবণ তাপের প্রকৃতি নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন মাত্রার NH4Cl পানিতে দ্রবীভূত করে নিচের ছকটি তৈরি করে।

বিকারে দ্রবীভূত অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের পরিমাণদ্রবণের তাপমাত্রা
0 গ্রাম (দ্রবীভূত করা হয়নি)25°C
5 গ্রাম20°C
10 গ্রাম15°C
15 গ্রাম10°C

উপর্যুক্ত ছক থেকে সে সিদ্ধান্তে আসে যে, NH4Cl এর দ্রবণ তাপ ধনাত্মক।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যেসব পদার্থে সহজে আগুন ধরে যায় এবং প্রচুর চাপ উৎপন্ন হয় তাদেরকে দাহ্য পদার্থ বলে।

উত্তরঃ

আম যখন কাঁচা থাকে তখন ক্লোরোফিলের উপস্থিতির জন্য তা সবুজ দেখায়। পরবর্তীতে জীব রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে আম পাকার সময় ক্লোরোফিল ভেঙে লাল এবং হলুদ রঞ্জক পদার্থের সৃষ্টি হয় বলে আম হলুদ হয়। মূলত জীব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার সংঘটনই আমের বর্ণ পরিবর্তন হওয়ার প্রকৃত কারণ।

উত্তরঃ

অমিত NH4CI এর পরিবর্তে CaO ব্যবহার করলে একই ফল পেতো না। নিম্নে তার কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-
উদ্দীপকে দেখা যায় যে অমিত NH4CI এর দ্রবণ তাপের প্রকৃতি নির্ণয় করার জন্য বিকারে NH4CI যোগ করে তাপমাত্রা মেপে নেয়। প্রদত্ত ডাটা থেকে দেখা যায় যে দ্রবণে NH4CI এর পরিমাণ যত বেশি দ্রবীভূত করা হয়; দ্রবণের তাপমাত্রা তত কমে যায়। এখানে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড পানি থেকে তাপ শোষণ করে দ্রবীভূত হয় ফলে দ্রবণের তাপমাত্রা কমে যায়।
এখন অমিত যদি NH4CI এর পরিবর্তে CaO ব্যবহার করতো তাহলে সে সম্পূর্ণ বিপরীত ফলাফল পেতো। পানিতে যদি CaO ক্রমাগত দ্রবীভূত করা হয় তাহলে দেখা যাবে যে দ্রবণের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে। এখানে CaO পানিতে তাপ বর্জন করে দ্রবীভূত হয় ফলে দ্রবণের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।
তাই আমরা বলতে পারি, অমিত যদি NH4CI এর পরিবর্তে CaO ব্যবহার করতো তাহলে সম্পূর্ণ বিপরীত ফলাফল পেতো।

উত্তরঃ

NH4Cl এর দ্রবণ তাপ নির্ণয়ের জন্য অমিতকে যেভাবে ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হবে তা নিম্নে ফ্লোচার্ট সহ বিশ্লেষণ করা হলো-
NH4CI কে পানিতে দ্রবীভূত করলে তাপ শোষিত নাকি উৎপাদিত হবে তা অমিতের বিষয়বস্তু। অমিতকে তাই এ বিষয়ে পূর্বের কোনো কাজ হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে জানতে হবে এবং ফলাফল সম্পর্কে অনুমান করতে হবে। এরপর অমিতকে NH4CI এর দ্রবণ তাপ নির্ণয়ে জন্য প্রয়োজনীয় বস্তু এবং প্রণালী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এরপর তাকে NH4CI কে পানিতে দ্রবীভূত করতে হবে। পরীক্ষণ চলাকালীন সময় তাকে তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ করতে হবে। সবশেষে তাকে ফলাফল থেকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে এ ফলাফল নিয়ে আলোচনা করতে হবে।

ফ্লোচার্ট:

পরিশেষে বলা যায়, অমিতকে NH4CI এর দ্রবণ তাপ নির্ণয়ের জন্য উপরিউক্ত ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে।

191

তোমরা যারা নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র তারা রসায়ন বইটি হাতে পেয়েছো। বইটি হাতে পেয়ে কিছু প্রশ্ন তোমাদের মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে— রসায়ন বিষয়টি কী? কেনই-বা আমরা রসায়ন পড়ব? অর্থাৎ রসায়ন আমাদের কী কাজে লাগে? রসায়নের সাথে বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখার কি কোনো সম্পর্ক আছে? এসব বিষয়ের উত্তর এ অধ্যায়টি পড়লে জানতে পারবে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • রসায়নের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রসায়নের ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করতে পারব।
  • রসায়নের সাথে বিজ্ঞানের অন্য শাখাগুলোর সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব ।
  • রসায়ন পাঠের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রসায়নে অনুসন্ধান ও গবেষণা প্রক্রিয়ার বর্ণনা করতে পারব।
  • বিভিন্ন ধরনের অনুসন্ধানমূলক কাজের পরিকল্পনা প্রণয়ন, অনুমিত সিদ্ধান্ত গঠন ও পরীক্ষা করতে পারব।
  • রসায়নে ব্যবহারিক কাজের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে পারব।
  • প্রকৃতি ও বাস্তব জীবনের ঘটনাবলি রসায়নের দৃষ্টিতে ব্যাখ্যা করতে আগ্রহ প্রদর্শন করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কোনো কিছু জানার চেষ্টাই হলো গবেষণা।

606
উত্তরঃ

কাঁচা অবস্থায় আমে বিভিন্ন ধরনের জৈব এসিড থাকে। যেমন- অ্যাসকরবিক এসিড, সাইট্রিক, ম্যালিক, অক্সালিক এসিড। তাই কাঁচা আম খেতে টক লাগে। কিন্তু আম যখন পাকে তখন আমে বিদ্যমান এই এসিডগুলো রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজে (মিষ্টি) পরিণত হয়। ফলে পাকা আম হয় মিষ্টি।

3k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ৭ নং চিত্রে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি ঔষধ সেবন করছে।
প্রতিটি ঔষধই কোনো না কোনো রাসায়নিক যৌগ দিয়ে তৈরি করা হয়। যখন আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি, তখন বিভিন্ন রাসায়নিক যৌগ তথা ওষুধ সেবন করি। যেমন: জ্বর হলে আমরা প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খাই। প্যারাসিটামল একটি রাসায়নিক যৌগ, এর রাসায়নিক নাম acetaminophen বা, 4-হাইড্রোক্সি অ্যাসিট্যানিলাইড। এটি আমাদের পাকস্থলিতে গিয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন করে, ফলে জ্বর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
আবার, প্রচণ্ড মাথাব্যথা করলে আমরা আইবুপ্রফেন খাই।
এ রাসায়নিক যৌগটি খাওয়ার ফলে আমাদের দেহে গিয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন করে, ফলে মাথা ব্যথা উপশম হয়।
তাছাড়া আমরা কৃমিনাশক হিসেবে যে ওষুধ খাই, তাও রাসায়নিক যৌগ। এছাড়াও টাইফয়েড, কলেরা, যক্ষ্মা, কাশি, হাঁপানি, ম্যালেরিয়া, ডায়রিয়াসহ যত প্রকার অসুখ আছে, তার প্রত্যেকটির প্রতিষেধক হিসেবে আমরা যে ওষুধ সেবন করি, তা কোনো না কোনো রাসায়নিক যৌগ দিয়ে তৈরি করা হয়।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, উদ্দীপকের ১ম চিত্রটি অর্থাৎ ওষুধ সেবন, রসায়নের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।

926
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ৭ নং চিত্রে ওষুধ সেবন ও B নং চিত্রে সবজিক্ষেতে কীটনাশক ছিটানোর ছবি দেখানো হয়েছে। এই দুইটি ছবি পর্যালোচনা করলে আমরা দেখতে পাই, সবজিক্ষেতে অতিরিক্ত কীটনাশক ছিটানো পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সবজিক্ষেতে পোকামাকড় মারার জন্য যে সমস্ত কীটনাশক ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে গ্যামাক্সিন (C6H6Cl6), ডিডিটি (D.D.T.), অ্যালড্রিন, ক্লোরডেন, ম্যালাথায়ন, প্যারাথায়ন অন্যতম। এগুলো যখন সবজি ক্ষেতে বিদ্যমান পোকা মাকড়, কীটপতঙ্গ। মারার জন্য ব্যবহার করা হয়, তখন পোকামাকড় দমনের পাশাপাশি উপকারী পোকামাকড় এবং পরিবেশেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়।
কারণ ঐ সমস্ত কীটনাশক যখন জমিতে ছিটানো হয়, তখন সেগুলো বাতাসে মিশে বাতাসকে দূষিত করে। এই দূষিত বাতাস মানুষ প্রশ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করে। আবার ঐ সমস্ত কীটনাশক মিশ্রিত সবজি খেলে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা যেমন- মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, চোখ-জ্বালাপোড়া করা, পেটের পীড়া, বদহজম ইত্যাদি দেখা দেয়।
ঐ সমস্ত কীটনাশক মাটিতে মিশে মাটিকেও দূষিত করে। ফলে জমির। উর্বরতা নষ্ট হয়, জমিতে ভাল ফসল হয় না। আবার বৃষ্টি হলে ঐ সমস্ত কীটনাশক পুকুরে, নদী-নালা ও জলাশয়ের পানির সাথে মিশে, পানিকে দূষিত করে। ফলে নদী, পুকুর ও জলাশয়ের মাছ মরে যায় এবং পুকুর, নদীতে বিদ্যমান বিভিন্ন উদ্ভিদ ও শেওলাও মরে যায়।
তাই উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি, সবজিক্ষেতে অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।

1.1k
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের যে শাখায় পদার্থের গঠন, পদার্থের ধর্ম এবং পদার্থের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে রসায়ন বলে।

3.2k
উত্তরঃ

পাকস্থলীতে অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিড জমা হলে পেটে তখন এসিডিটির সৃষ্টি হয়। এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি লাভের জন্য তখন এন্টাসিড খাওয়া হয়। কারণ এন্টাসিডে থাকে ক্ষারীয় অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড যা পাকস্থলীর এসিডকে প্রশমিত করে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।

3.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews