অমিয় বাবু তাঁর সন্তানদের লেখাপড়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করেন। এছাড়াও অতিথি সেবা, মা-বাবার ভরণ-পোষণ, সমাজের প্রতি তার কর্তব্য নিষ্ঠার সাথে পালন করেন। তাঁর প্রতিবেশী ননী বাবুর বয়স ৭৫ বছর। সন্ন্যাস গ্রহণের সময় এসেছে। সন্ন্যাসী জাগতিক সকল কর্ম পরিত্যাগ করে ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকেন। দিনের বেলায় লোকালয় থেকে সংগৃহীত আহার গ্রহণ করেন। রাতের বেলায় দুধ ও ফল মূল খেয়ে জীবনধারণ করেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

আশ্রম চার প্রকার।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

শাস্ত্রমতে মানুষের সমগ্র জীবনকে চারটি স্তর বা আশ্রমে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে- 'ব্রহ্মচর্য আশ্রম'।

প্রথম থেকে পঁচিশ বছর পর্যন্ত জীবনকে বলা হয় ব্রহ্মচর্যাশ্রম। এ সময় গুরুর নিকট দীক্ষা গ্রহণ, তার তত্ত্বাবধানে পড়াশুনা করতে হয় এবং শিষ্যকে গুরুর নির্দেশ, আত্মসংযম, শাস্ত্র অধ্যয়ন করা থেকে শুরু করে বিবিধ কঠোর জীবনযাপন করতে হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আশ্রম ধর্মানুযায়ী অমিয় বাবু গার্হস্থ্য আশ্রমের অন্তর্ভুক্ত।

২৫ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত জীবনকালকে বলা হয় গার্হস্থ্য আশ্রম। এ সময় একজন প্রকৃত গৃহস্থকে তার পিতামাতা, স্ত্রী-সন্তান, পরিজনের সমস্ত দায়িত্বভার নিয়ে জীবন পরিচালনা করতে হয়। উদ্দীপকের অমিয় বাবু তার পিতামাতা ও স্ত্রীর ভরণপোষণসহ সন্তানদের লেখাপড়া শিখিয়ে নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন। পাশাপাশি নানা সামাজিক দায়িত্বও যথাযথভাবে পালন করেন। গার্হস্থ্য আশ্রমের অন্তর্ভুক্ত একজন ব্যক্তির মধ্যে যে সকল বৈশিষ্ট্য রয়েছে তার সবই উদ্দীপকের অমিয় বাবুর মধ্যে বিদ্যমান। এ সকল কর্মের মাধ্যমেই অমিয় বাবু গার্হস্থ্য আশ্রমের উপযুক্ততা অর্জন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আশ্রম জীবনের চতুর্থ পর্যায় হচ্ছে সন্ন্যাস।

দণ্ডগ্রহণমাত্রেণ নরো নারায়ণো ভবেৎ- সন্ন্যাস গ্রহণ করলেই মানুষ নারায়ণ বা দেবতা হয়ে যায়। এ সময় ব্যক্তিজগতের সমস্ত সাংসারিক কাজকর্ম অর্থাৎ কর্মাসক্তি ও ফলাসক্তি পরিত্যাগ করে কেবল ঈশ্বর চিন্তায়ই মগ্ন থাকেন। আশ্রয়হীন অবস্থায় মন্দিরে দেবালয়ে আশ্রয় নিতে পারেন। বেশভূষায়ও তার পরিবর্তন আসে। অতীত জীবনের সমস্ত স্মৃতি পরিহার করে এক মনে এক ধ্যানে কেবল ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকবেন। পার্থিব জগতে সকল কিছুর মায়া ত্যাগ করে শুধু ধর্মকর্মের মাধ্যমে ঈশ্বর চিন্তা করাই হচ্ছে এ আশ্রমের একমাত্র লক্ষ্য। এ সম্পর্কে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে-

অনাশ্রিতঃ কর্মফলং কার্যং কর্ম করোতি যঃ
স সন্ন্যাসী চ যোগী চ ন নিরগ্নিন চাক্রিয়ঃ॥

অর্থাৎ কর্মফলের বাসনা না করে যিনি কর্তব্যকর্ম করেন, তিনিই সন্ন্যাসী, তিনিই যোগী। শুধু গৃহকর্ম বা শরীর ধারণের উপকরণ সংগ্রহে কর্মত্যাগই সন্ন্যাস নয়। তাকে সমস্ত মায়াময় জগতের ঊর্ধ্বে ওঠে ঈশ্বর চিন্তা করতে হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
236
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

অবতার ও দেব-দেবী একই ঈশ্বরের বিভিন্ন প্রকাশ, ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয় এ বিশ্বাসকে একেশ্বরবাদ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
789
উত্তরঃ

যোগের সাধন প্রক্রিয়ায় মনকে শুদ্ধ ও শান্ত করার জন্য যোগ দর্শনে আট প্রকার সাধন ক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে। তন্মধ্যে প্রত্যাহার অন্যতম। দেহের ইন্দ্রিয়গুলোকে নিজ নিজ বিষয় হতে তুলে এনে চিত্তের অনুগামী করার নাম প্রত্যাহার। দৃঢ় সংকল্প ও অভ্যাসের দ্বারা ইন্দ্রিয়গুলোকে অন্তর্মুখী করা হলে চিত্ত আরাধ্য বস্তুকে নিবিষ্ট হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

দ্বিজেন্দ্রনাথ একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। তাঁর বয়স ৭৫ বছর। এসময় তিনি বানপ্রস্থ আশ্রম শেষ করেছেন। বানপ্রস্থ আশ্রমের সময় তিনি সংসারে থেকেও অত্যন্ত সংযমী ছিলেন। তিনি সংসারের সমস্ত দায়িত্ব পুত্রের হাতে অর্পণ করে মন্দিরে মন্দিরে ঈশ্বর ধ্যানে মগ্ন থাকেন।

বানপ্রস্থে বনে নির্জন পরিবেশে অবসর জীবনযাপন করতে হয়। তবে সভ্যতার অগ্রগতিতে মানুষ বনবাসী না হয়ে গৃহত্যাগ করে কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে বৈরাগ্যময় জীবনযাপন করতে পারেন। দ্বিজেন্দ্রনাথ এ পর্যায়ে ভজন, পূজন, কীর্তন, জপ, ধ্যান প্রভৃতি ধর্মীয় কর্মে থেকে বানপ্রস্থ জীবন অতিক্রান্ত করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
625
উত্তরঃ

দ্বিজেন্দ্রনাথ একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। তিনি বানপ্রস্থ জীবন শেষ করেছেন। এতে তাঁর আত্মতৃপ্তি হয়নি। তাই জীবনের পরম প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে তিনি সংসার ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। আলোচ্য অংশে সন্ন্যাস আশ্রমে যাওয়ার উল্লেখ রয়েছে। সন্ন্যাস শব্দের অর্থ সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ। এ আশ্রমে এসে সন্ন্যাসী একাকী জীবনধারণ করবেন। সন্ন্যাস আশ্রমে অতীত জীবনের স্মৃতি সব পরিহার করে এক মনে এক ধ্যানে ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকতে হয়। শাস্ত্র বচনে জানা যায়-

"দন্ড গ্রহণমাত্রেণ নরো নারায়ণো ভবেৎ” অর্থাৎ সন্ন্যাস গ্রহণ করলেই মানুষ নারায়ণ বা দেবতা হয়ে যায়। তবে সন্ন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য হল কর্মফলাসক্তি ও ভোগাসক্তি ত্যাগ। এ সম্পর্কে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে-

"অনাশ্রিতঃ কর্মফলং কার্যং কর্ম করোতি যঃ।
স সন্ন্যাসী চ যোগী চ ন নিরগ্নির্ন চাক্রিয়ঃ ॥” (৬/১)

অর্থাৎ কর্মফলের বাসনা না করে যিনি কর্তব্যকর্ম করেন তিনিই সন্ন্যাসী, তিনিই যোগী। শুধুমাত্র গৃহাদি কর্ম বা শরীর ধারণের উপকরণ সংগ্রহে কর্মত্যাগই সন্ন্যাস নয়।

তাই সার্বিক আলোচনার বিষয়বস্তু অনুযায়ী আমি মনে করি, জীবনের পরম প্রাপ্তি লাভে দ্বিজেন্দ্রনাথের সিদ্ধান্তটিই ছিল যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
506
উত্তরঃ

কামনা-বাসনা মুক্ত কর্মের ফল কর্মকর্তাকে স্পর্শ করে না কারণ এ ধরনের কর্মে ফলাকাঙ্ক্ষা থাকে না। কামনা-বাসনা মুক্ত বা নিষ্কার্ম কর্মে কর্তা কোনো রকম ফলের আশা না করেই কর্ম করে। তিনি মনে করেন কর্মের কর্তা আমি নই, কর্মফলও আমার নয়। এ নিষ্কাম কর্মই যোগসাধনার ক্ষেত্রে কর্মযোগ। নিষ্কাম কর্মে মোক্ষলাভ হয়। ফলাকাঙ্ক্ষা থাকে না বলেই কামনা-বাসনামুক্ত কর্মের ফল কর্মকর্তাকে স্পর্শ করে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
277
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews