অরণ্যের কেয়া বৃষ্টি আগমনের কারণে আনন্দে শিহরায়।
'বৃষ্টি' কবিতায় কবি অরণ্যের কেয়া শিহরনের কথা বলেছেন মূলত বৃষ্টির আগমনের কারণে প্রকৃতির উচ্ছ্বাসের প্রতীক হিসেবে। কেয়া গাছ সাধারণত রুক্ষ পরিবেশে স্থির থাকে, তবে বৃষ্টি আসার সাথে সাথে এটি যেন নবজীবন লাভ করে। এখানে কেয়ার শিহরন প্রকৃতির প্রাণের সঞ্চার এবং উচ্ছ্বাসের অভিব্যক্তি। এটি কেবল গাছের শারীরিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং প্রকৃতির সামগ্রিক আনন্দ ও প্রাণের জাগরণের প্রতীক।
বৃষ্টি এলো ... বহু প্রতীক্ষিত বৃষ্টি ! – পদ্মা মেঘনার
দুপাশে আবাদি গ্রামে, বৃষ্টি এলো পূবের হাওয়ায়,
বিদগ্ধ আকাশ, মাঠ ঢেকে গেল কাজল ছায়ায়;
বিদ্যুৎ-রূপসী পরী মেঘে মেঘে হয়েছে সওয়ার।
দিকদিগন্তের পথে অপরূপ আভা দেখে তার
বর্ষণ-মুখর দিনে অরণ্যের কেয়া শিহরায়,
রৌদ্র-দগ্ধ ধানক্ষেত আজ তার স্পর্শ পেতে চায়,
নদীর ফাটলে বন্যা আনে পূর্ণ প্রাণের জোয়ার।
রুণ বৃদ্ধ ভিখারির রগ-ওঠা হাতের মতন
রুক্ষ মাঠ আসমান শোনে সেই বর্ষণের সুর,
তৃষিত বনের সাথে জেগে ওঠে তৃষাতপ্ত মন,
পাড়ি দিয়ে যেতে চায় বহু পথ, প্রান্তর বন্ধুর,
যেখানে বিস্তৃত দিন পড়ে আছে নিঃসঙ্গ নির্জন
সেখানে বর্ষার মেঘ জাগে আজ বিষণ্ন মেদুর ॥
Related Question
View AllAnswer
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!