শিশুর বিকাশে প্রথম ও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষেত্র পরিবার।
শিক্ষকরা পাঠ্য বইয়ের বিষয়বস্তু ভালোভাবে বুঝিয়ে জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করেন, ভালো আচরণে উৎসাহী করেন। শিক্ষকের প্রশংসা ছেলেমেয়েদের ক্লাসে অংশগ্রহণ বাড়ায়, ভালো ফলাফল করতে উৎসাহী করে এবং স্কুলের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করে।
শিশুর প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্র পরিবার। শিশু যেমন পরিবারের একজন সদস্য তেমনি সমাজেরও একজন সদস্য। শিশুকে সমাজের উপযুক্ত সদস্য হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে পরিবারকে শিশুর জন্য প্রাথমিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হয়। এর মধ্যে সামাজিক আচরণ শেখানো অন্যতম। প্রত্যেক সমাজে কিছু নিয়মনীতি থাকে। পরিবার এসব নিয়মনীতি অনুযায়ী শিশুকে আচরণ করতে শেখায়।
অর্কর পরিবারও দেশের কল্যাণে অবদান রাখতে তাকে সকলের সাথে ভালো ব্যবহার, নিয়ম শৃংখলা মেনে চলা, সহযোগিতা ইত্যাদি গ্রহণযোগ্য আচরণ শেখায়। উপরোক্ত আচরণগুলো অনুশীলনের মাধ্যমে সে সমাজের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে দেশের কল্যাণে অবদান রাখতে পারবে।
প্রতিবেশি ছাড়া যে কোনো পরিবারের একার পক্ষে চলা কঠিন। পাশাপাশি কতগুলো পরিবার নিয়েই প্রতিবেশি গঠিত হয়। তারা নানা ধরনের সহযোগিতার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে সাহায্যের ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রাখেন। অনেক সময় এমন পরিস্থিতি আসে যখন প্রতিবেশির সাহায্যের প্রয়োজন হয়। যেমন: পারিবারিক বিপর্যয়, যেকোনো ধরনের মতবিরোধ, পারিবারিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি।
অর্কর প্রতিবেশিরা যেকোনো বিপদে সাহায্য করার জন্য সবসময় এগিয়ে আসেন। দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় সহযোগিতা করেন। তারা সকল ধরনের সমস্যা মোকাবেলায় মাসে একবার একত্র হন। ফলে সবাই খোলামেলাভাবে তাদের সমস্যা আলোচনা করে সমাধান করতে পারে।
তাই বলা যায়, অর্কর প্রতিবেশীদের নেওয়া পদক্ষেপ যথার্থ।
Related Question
View Allসাধারণত মা-বাবা, ভাই-বোন এবং আরও অন্যান্য সদস্য একসাথে থাকার যে প্রতিষ্ঠান সেটি হলো পরিবার।
প্রত্যেক সমাজের কিছু নিয়মনীতি থাকে। পরিবার সমাজের এসব নিয়মনীতি অনুযায়ী শিশুকে আচরণ করতে শেখায়।
সবার সাথে ভালো ব্যবহার, নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা, সহযোগিতা করা ইত্যাদি আচরণ সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য। সঠিক ও গ্রহণযোগ্য আচরণ নিয়ে শিশু বেড়ে উঠলে সমাজ ও দেশের উন্নতি হয়। তাই দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার জন্য সমাজের নিয়মনীতি অনুসরণ করা প্রয়োজন।
সন্তানদের প্রতি রেবেকার আচরণ তাদের সামাজিক বিকাশে সহায়ক।
রেবেকা তার সন্তানদের সমবয়সীদের সাথে সহযোগী মনোভাব তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এর মাধ্যমে শিশুরা গ্রহণযোগ্য সামাজিক আচরণ করতে শেখে এবং তাদের মধ্যে ন্যায়-অন্যায় বোধ জাগ্রত হয়। তারা তাদের ধারণার আদান-প্রদান, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা প্রভৃতি শিখে।
এছাড়া শিশুরা সহযোগিতা, পরোপকার, সমবেদনা, অংশগ্রহণ, নিঃস্বার্থ হওয়া ইত্যাদি পরিবার থেকেই শিখে। রেবেকা সন্তানদের সাথে বন্ধুর মতো আচরণ করেন। এসব কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে রেবেকা তার সন্তানদের সমাজের গ্রহণযোগ্য আচরণ শেখাতে ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করছেন।
উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিবেশ শিশুদের সুষ্ঠু বিকাশে সহায়ক।
শিশুর সব ধরনের বিকাশের প্রথম ও দীর্ঘস্থায়ী কেন্দ্র হলো পরিবার। শিশুর সুষ্ঠু বিকাশের জন্য ভালবাসাপূর্ণ সহযোগিতাময় পরিবেশ প্রয়োজন। রেবেকা ও তার স্বামী দুই সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দেন এবং বন্ধুর মতো তাদের সাথে মেশেন। তারা সন্তানদের সমবয়সীদের সাথে সহযোগী মনোভাব তৈরিতে সাহায্য করেন। এতে করে সন্তানদের মধ্যে সামাজিক বিকাশ ত্বরান্বিত হয়। তারা পরস্পরকে সহযোগিতা করতে ও নিয়ম মেনে চলতে শেখে। তাছাড়া রেবেকা ও তার স্বামী সন্তানদের সময় দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থানে ও পার্কে বেড়াতে নিয়ে যান।
ফলে তাদের শারীরিক, আবেগীয় ও মানসিক বিকাশ হয়। দর্শনীয় স্থানে গিয়ে তারা অনেক কিছু শিখতে পারে। এতে তাদের মনোযোগ ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে তারা কিছু সময় কাটাতে পারে। তাছাড়া দৌড়-ঝাঁপ, ঘোরাঘুরির ফলে তাদের শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকে। তাই বলা যায়, সুমন ও সুমনার পারিবারিক পরিবেশ তাদের সুস্থ বিকাশে সহায়ক।
শিশুকে সঠিকভাবে পরিচালনার অন্যতম কৌশল হলো ইতিবাচক আচরণ করা।
ভাই-বোনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে একজন অপরজনকে সঙ্গ দেয়, পরস্পরের মধ্যে ভাগাভাগি করতে শেখে, যেকোনো সমস্যার কথা খোলামেলা আলোচনা করতে পারে। এভাবে যে কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে সহজেই খাপ খাওয়ানোর ক্ষমতা অর্জন করতে পারে। তাই ভাই-বোনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রয়োজন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!