কুরআন মজিদের ভাষা আরবি। আরবি পড়তে হয় ডান দিক থেকে। আরবিতে। থেকে ড্র পর্যন্ত মোট ২৯টি বর্ণ বা অক্ষর আছে। আরবি এসব বর্ণের সমষ্টিকে আরবি বর্ণমালা বলা হয়।
তিন বর্ণের শব্দ। যথা حَمِين (হামদুন)
চার বর্ণের শব্দ। যথা: حَمِين (হামিদুন)
পাঁচ বর্ণের শব্দ। যথা: اَسْلَمْتُ (আসলামতু)
ছয় বর্ণের শব্দ। যথা: مُسْلِمُونَ (মুসলিমুণ)
একই হরফ পাশাপাশি দুবার উচ্চারণ করাকে তাশদীদ। বলে। তাশদীদ দেখতে (৩) সিন হরফের মাথার মতো। যেমন
اَن + ن = آن=আলিফ নূন যবর আন, নূন্যবর না = আন্না।
رَبِّ + ب = رَبَّ= র বা' যবর রাব, বা যবর বা = রাব্বা
ইযহার শব্দের অর্থ প্রকাশ করা। বর্ণে বা হরফের মাখরাজ অনুযায়ী স্পষ্ট করে উচ্চারণ করা। নূন সাকিন এবং তানবীনের পর যদি হরফে হালকির যেকোনো একটি হরফ থাকে তখন নূন সাকিন বা তানবীনকে গুন্নাহ ও ইখফা ছাড়া নিজ মাখরাজ অনুসারে স্পষ্ট করে পড়াকে ইযহার বলে।
সূরা ইখলাস-এর বাংলা অনুবাদ নিচে দেওয়া হলো-
১. বলো, তিনি আল্লাহ, একক।
২. আল্লাহ কারও মুখাপেক্ষী নন।
৩. তাঁর কোনো সন্তান নাই এবং তিনি কারও সন্তান নন।
৪. এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই।
কুরআন মজিদ আল্লাহর কালাম। সর্বশেষ আসমানি কিতাব। মহানবির (স) এর উপর নাজিল হয় এ কিতাব।
আমাদের জন্য কুরআন মজিদে বলে দেয়া হয়েছে আমরা দুনিয়াতে কীভাবে শান্তিতে বসবাস করব, কী কাজ করলে আখিরাতে শান্তি পাব, কীভাবে আল্লাহর ইবাদত করব, কোন কাজ অন্যায়, কোন কাজে শাস্তি হবে এ সবকিছু কুরআন মজিদে আছে।
আমরা কুরআন মজিদ শুদ্ধ করে শিখব। অপরকে শিখাব। কুরআন মজিদের নির্দেশমতো চলব।
সালাতে কুরআন মজিদ তিলাওয়াত করা ফরজ। তাই তিলাওয়াত শুদ্ধ হওয়া দরকার। মহানবি (স) বলেছেন, “ তোমাদের মধ্যে সে উত্তম যে নিজে কুরআন শিখে এবং অপরকে শিখায়”।
| পরিকল্পিত কাজ : শিক্ষার্থীরা কুরআন মজিদ শিক্ষা সম্বন্ধে মহানবি (স)- এর বাণীটি খাতায় সুন্দর করে লিখবে। |
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!