আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসুলের নির্দেশমতো সব কাজ করাকে ইবাদত বলে। ইবাদত সম্পর্কে নবিদের শিক্ষার সারকথা হলো- "আল্লাহ ছাড়া আর কারও ইবাদত করো না।" অর্থাৎ একমাত্র আল্লাহর গোলামি করতে হবে। তাঁর নির্দেশমতো চলতে হবে। অন্য কোনো মত ও পথ মানা যাবে না।
পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যমে আমি শারীরিক ও মানসিক উপকারিতা লাভ করি। পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যমে যেসব উপকারিতা লাভ করা যায় তা হলো-
১. পবিত্রতা অর্জনকারীকে সবাই ভালোবাসে।
২. পবিত্র থাকলে দেহমন ভালো থাকে।
৩. লেখাপড়ায় মন বসে।
৪. আল্লাহ খুশি হন।
গোসলের ফরজ তিনটি। যথা-
১. গড়গড়াসহ কুলি করা।
২. পানি দিয়ে ভালোভাবে নাক সাফ করা।
৩. পানি দিয়ে সারা শরীর ধোয়া।
আল্লাহ তায়ালার কাছে আবেদন-নিবেদন, কাকুতি-মিনতি করাকে মুনাজাত বলে। প্রত্যেক ফরজ সালাত শেষে মুনাজাত কবুল হওয়ার একটি উপযুক্ত সময়। এ সময় যেকোনো ভালো দোয়া করা যায়।
নিয়মিত জুমুআর সালাত আদায় করার চারটি কারণ হলো-
১. এটি আদায় করা আল্লাহর নির্দেশ।
২. এর মাধ্যমে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়।
৩. সকলের সাথে সাক্ষাৎ হয় এবং কুশল বিনিময় করা যায়।
৪. পারস্পরিক সৌহার্দ, সম্প্রীতি ও ঐক্য গড়ে ওঠে।
চার বাক্যে ঈদ ও ঈদের সালাতের বর্ণনা করা হলো-
১. ঈদ মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব।
২. ঈদের দিন হলো খুশির দিন।
৩. বিশ্বের মুসলিমগণ বছরে দুইদিন ঈদ উৎসর পালন করেন।
৪. ঈদের দিন এলাকার মুসল্লিগণ ঈদগাহে একত্রিত হয়ে দুই রাকআত ঈদের ওয়াজিব সালাত আদায় করে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিশ্বের মুসলিমগণ দুটি ঈদ উৎসব পালন করেন। যথা-১. ঈদুল ফিতর ও ২. ঈদুল আযহা। পবিত্র রমযান মাসে সিয়াম সাধনার পর শাওয়াল মাসের প্রথম দিন হলো ঈদুল ফিতরের দিন। যিলহজ মাসের দশম তারিখ ঈদুল আযহার দিন।
ইবাদত অর্থ গোলামি করা, মালিকের কথামতো চলা। আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসুল (স)-এর কথামতো কাজ করাকে ইবাদত বলে। ইবাদত শব্দটির অর্থ ব্যাপক। যেমন, সালাত আদায় করা,কুরআন মজিদ তিলাওয়াত করা, রোগীর সেবা করা, কথা বলার সময় সত্য কথা বলা সব কিছুই ইবাদত।
ইবাদতের পরিচয়
আল্লাহ তায়ালা কুরআন মজিদে বলেন, “ আমি সৃষ্টি করেছি জিন এবং মানুষকে এজন্য যে, তারা শুধু আমারই ইবাদত করবে।”
এর অর্থ হলো :
১. আমরা কেবল আল্লাহ তায়ালার গোলামি করব, অন্য কারও নয় ৷
২. আমরা কেবল আল্লাহ তায়ালার আদেশমতো চলব, অন্য কারও নয় ৷
৩. কেবলমাত্র তাঁরই সামনে মাথা নত করব, অন্য কারও নয়।
৪. কেবলমাত্র তাঁকেই ভয় করব, অন্য কাউকে নয় ৷
৫. কেবলমাত্র তাঁর কাছে সাহায্য চাইব, অন্য কারও কাছে নয় ৷
এই পাঁচটি জিনিসকে আল্লাহ তায়ালা বুঝিয়েছেন ইবাদত শব্দ দ্বারা। কুরআন মজিদের বিভিন্ন আয়াত হতে ইবাদত শব্দের এরূপ অর্থ পাওয়া যায় । তাই অর্থ বুঝে ইবাদত করা উচিত । আমাদের প্রিয় নবি (স) এবং তাঁর পূর্ববর্তী সকল নবির শিক্ষার সারকথা হলো, “আল্লাহ ছাড়া আর কারও ইবাদত করো না।” আমরা সালাতের প্রতি রাকআতে সূরা ফাতিহা পড়ি; তখন একথাগুলোরই ঘোষণা করে থাকি।
ইয়্যাকা না'বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতাঈন,
অর্থ : আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি। আমরা শুধু তোমারই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের উপর বিভিন্ন ইবাদত ফরজ করেছেন। যেমন সালাত, সাওম, যাকাত ও হজ।
| দলীয় কাজ : দলে বসে পরস্পর আলাপ-আলোচনা করে ইবাদতের একটি তালিকা তৈরি করে মার্কার দিয়ে পোস্টার পেপারে লিখবে। |
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!